আহমেদ সাহেবের ছোট বেলা থেকেই ইচ্চে বহু টাকার মালিক হওয়ার । এ ইচ্ছে পূরণ হওয়ার দুটি রাস্তায় আছে তার কাছে একটি সত পথে, আরেকটি হলো অসতপথ ।
সে দ্রুত অনেক টাকার মালিক হওয়ার জন্য অনেক বিচার বিবেচনা করে অসত পথটিই বেছে নিল ।
যদিও তার এই দ্রুত বড় লোক বা ধনী হওয়ার এই রাস্তাটি এ সমাজ, আইন, কারো কাম্মো এবং কারো চোখে তা গ্রহণ যোগ্য না । তার পরেও সে এ রাস্তাটিই বেছে নিল !
আহমেদ সাহেব আগে ছোট ব্যবসা করতেন । আর তখন সে বহু টাকার মালিক না থাকার কারনে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তাকে বস্তির পাশে একটি নোংড়া পরিবেশে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হতো ।
সারাদিন পরে রাতে যখন আহমেদ সাহেব বাসায় ফিরতেন বাসার চারদিকের নোংড়া পরিবেশ দূর গন্ধ আর বস্তির ভেতর থেকে ভেসে আসা বহু মানুষে কোলাহল শব্দে তার মন মেজাজ খুব খারাপ হয়ে যেত । আর তখনই সে বেশি স্বপ্ন দেখত একদিন তাকে অনেক টাকার মালিক হতে হবে আর এ পরিবেশ থেকে তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে অন্য কোন পরিবেশে থাকা ।
তার যে ব্যবসা আছে সে ব্যবসা করে দ্রুত বড় লোক হওয়া সম্ভব না বলেই তিনি শুরু করলেন অসত পথে কামানোর ধান্দা ।
আর সে এ অসত পথ থেকে বহু টাকা ইনকাম করছেন এখন সে অনেক টাকা পয়সার মালিক । স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে ফ্লাটে ভাড়া থাকেন । সন্তানকে বিলাসবহুল স্কুলে লেখা পড়া করাচ্ছেন ।
আহমেদ সাহেব বহু টাকার মালিক হলেও যে কাজ ভালো না তার পরিনামও খারাপ । আর এ ধরনের অসত পথে টাকা উপার্যন কারী যে তার বন্ধুত্ব ও ভালো সম্পর্ক থাকে থানা পুলিশ এবং জেলখানার সাথে ।
তাই আহমেদ সাহেবের ভাগ্যেও এর ব্যতিক্রম কিছু ঘটলো না। এত টাকা পয়সা ধন সম্পদ থাকা সর্ত্বেও তারও থানা পুলিশ জেল খানার সাথে ভালো বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক ।
আহমেদ সাহেব এখন বুঝতে পেরেছেন আসলে টাকাই সব কিছু হয় না ।
কেননা তখন ইনকাম কম হলেও সারাদিন শেষে রাতে বাসায় ফিরে স্ত্রী সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে এক টেবিলে বসে রাতে খাবার আর
সকালের নাস্টা করা হতো যা বেশ কয়েক বছর ধরে তার ভাগ্য থেকে মুছে গেছে ।
সারাদিন শেষে রাতে বাড়ি ফিরে একই সাদের নিচে স্ত্রী সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নিরাপদে থাকতেন । এখন আর তা হয় না ।
এখন তাকে আজ হয়তো থানায় কাল নয়তো জেল খানা । এরাই এখন আহামেদ সাহেবের আসল বন্ধু জীবন সঙ্গীনি ।
তাই আহমেদ সাহেব এখন সে এ রাস্তা থেকে ফিরে আগের সে জীবনে ফিরে যেতে চান ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





