somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাংরি আন্দোলন কিছু জানা না জানা ইতিহাস (২য় ও শেষ পর্ব )

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৬:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাংরি আন্দোলন প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা ছিল ।

সুবিমল বসাক,, দেবী রায় ও মলয় রায়চৌধুরীর কিছু কিছু কার্যকলাপের কারণে ১৯৬৩ সালে শেষের দিকে হাংরি আন্দোলন বাঙালির সংস্কৃতিতে প্রথম প্রতিষ্ঠানবিরোধী গোষ্ঠী হিসাবে পরিচিত হয়েছিল । বহু আলোচক হাংরি আন্দোলনকারীদের সে সময়ের কার্যকলাপে ডাডাবাদের প্রভাব লক্ষ করেছেন ।

এই কারণে শক্তি চট্টোপাধ্যায়,, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়,, সতীন্দ্র ভৌমিক ও আর অনেকে হাংরি আন্দোলন ত্যাগ করে । শ্মশান,, গোরস্তান,, ভাটিখানা,, আওড়া এবং শেয়ালদা স্টেশনে তাঁরা কবিতা পাঠের আয়োজন করেছিলেন । মুখোশ খুলে ফেলুন লেখা জীব-জন্তু,, দেবতা,, দানবের মুখোশ পাঠাতেন মন্ত্রী,, সমালোচক,, এবং প্রশাসকদের কবিদের সমালোচনা করতেন বিবাহের কার্ডে ।


তৎকালীন মানদণ্ডে অশ্লীল স্কেচ ও পোস্টার আঁকতেন ও বিতরন করতেন । একটি গ্রন্হের দাম রাখতেন লক্ষ টাকা বা কয়েকটি টি.বি. সিল ।বাণিজ্যিক পত্রিকায় গ্রন্হ রিভিউ করার জন্য জুতোর বাক্স পাঠাতেন কিংবা শাদা কাগজ পাঠাতেন ছোটগল্প নামে । তাঁদের রচনায় প্রশাসন ও মিডিয়াকে আক্রমণ করতেন ।বেনারস এবং কাঠমান্ডু গিয়ে সাহিত্য সম্পর্কহীন হিপিনীদের সঙ্গে মাদকসেবন এবং যৌন যথেচ্ছাচারে লিপ্ত হয়ে সেখানকার সংবাদপত্রে শিরোনাম হতেন । পেইনটিং প্রদর্শনী করে শেষ দিন প্রতিটি ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিতেন ।

এই সমস্ত অসাহিত্যিক কার্যকলাপের মাধ্যমে তাঁরা দাবী করতেন যে অচলায়তনকে ভাঙা যাবে । অবশ্য তাঁদের অনুকরণে পরবর্তীকালে বহু প্রতিষ্ঠানবিরোধী লেখক এসেছেন বাংলা সাহিত্যে । যদিও তারা সাহিত্যের বাইরে অন্য কাজ করেননি । কিন্তু হাংরি আন্দোলনকারীদের কার্যকলাপে প্রশাসন অচিরে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় ।

হাংরি আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করেছেন

১৯৬৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইনডিয়ান পিনাল কোডের ১২০বি,, ২৯২ এবং ২৯৪ ধারায় ১১ জন হাংরি আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল । এবং তাঁরা হলেন (সমীর রায়চৌধুরী,, মলয় রায়চৌধুরী,, দেবী রায় ,, সুভাষ ঘোষ,, শৈলেশ্বর ঘোষ,,প্রদীপ চৌধুরী,, উৎপলকুমার বসু,, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়,, বাসুদেব দাশগুপ্ত,, সুবো আচার্য ও সুবিমল বসাক । এদের মধ্যে প্রথম ছয়জনকে গ্রেপতার করা হয় এবং কলকাতার ব্যাংকশাল কোর্টে তোলা হয় ।

মলয় রায়চৌধুরীকে হাতে হাতকড়া এবং কোমরে দড়ি বেধে রাস্তায় দিয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় চোর ডাকাতদের সঙ্গে করে । মকদ্দমার ফলে উৎপলকুমার বসু অধ্যাপনার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন । প্রদীপ চৌধুরী রাসটিকেট হন বিস্বভারতী থেকে,, সমীর রায়চৌধুরী সরকারি চাকরি থেকে সাসপেন্ড হন । সুবিমল বসাক ও দেবী রায়কে কলকাতার বাইরে বদলি করে দেয়া হয় । সুবো আচার্য ও রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ফেরার হয়ে যান । অনেকে হাংরি আন্দোলন ভয়ে ত্যাগ করেন ।

লালবাজারের কনফারেন্স রুমে মলয় রায়চৌধুরী এবং সমীর রায়চৌধুরীকে জেরা করেন একটি ইনভেসটিগেটিং বোর্ড যার সদস্যরা ছিলেন স্বরাষ্ট্র দপতর,, পুলিশ প্রশাসন,, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ,, ভারতীয় সেনার প্রতিনিধিরা ও পশ্চিমবঙ্গের আ্যাডভোকেট জেনারেল ।

১২০বি ধারাটি ছিল ষড়যন্ত্রের,, এবং সেকারনে প্রত্যেক হাংরি আন্দোলনকারী সম্পর্কে ডোসিয়ার খুলে ফেলেছিলেন কলকাতা গোয়েন্দা বিভাগ । গ্রেপতারের সময়ে প্রত্যেকের বাড়ি লণ্ড ভণ্ড করা হয়েছিল । বইপত্র,, ডায়েরি,, টাইপরাইটার,, ফাইল,, পান্ডুলিপি এবং কবিদের চিঠির সংগ্রহ ইত্যাদি যেগুলো পুলিশ নিয়ে গিয়েছিল তা আর তারা ফেরত পায়নি ।


হাংরি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছিল

হাংরি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের হয় ১৯৬৪ সালে এবং তা চলে ৩৫ মাস,, অর্থাৎ ১৯৬৭ পর্যন্ত । ১২০বি এবং ২৯৪ ধারা তুলে নিয়ে কেবল ২৯২ ধারায় চার্যশীট দেয়া হয় । মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে তাঁর প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার কবিতাটির জন্য বাদবাকি সবাইকে রেহাই দেওয়া হয়েছিল ।

নিম্ন আদালতে সাজা হলেও তিনি উচ্চ আদালতে মামলা জিতে যান । কিন্তু মোকদ্দমাটির কারণে তাদের খ্যাতি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে । সুবিমল বসাকের হিন্দি ভাষায় দখল থাকায় ভারতের অন্যান্য ভাষার সংবাদপত্র ও পত্রিকায় তাঁদের রচনা ও কাজকর্ম নিয়ে প্রচুর বিতর্কই তাদের প্রচারের আলোয় নিয়ে পৌঁছেদেন । এবং হাংরি আন্দোলনকারীরাও তাই চেয়েছিলেন ।


পশ্চিম বাংলার ট্যাবলয়েডগুলোতে তাদের নিয়ে রসালো সংবাদ বের হয় । এবং জনতা (৯.১০.৬৪) দৈনিক যুগান্তর(৭.৮.১৯৬৪ সুফী) আনন্দবাজার( ৮.৯.৬৪ চন্ডী লাহিড়ী) ও স্টেতসম্যান (২০.১২.৬৪ রবি) পত্রিকায় দেবী রায় ও মলয় রায়চৌধুরীর কার্টুন প্রকাশিত হয়েছিল ।

দৈনিক যুগান্তরেই তিন দিন প্রধান সম্পাদকীয় (১৯.৭.৬৪, ৭.৯.৬৪, ১৫.৪.৬৫) লিখেছিলেন কবি কৃষ্ণ ধর । আমেরিকার টাইম পত্রিকায় ( ১৯৬৪ সালে নভেমবর ) তাদের ফোটো এবং সংবাদ প্রকাশিত হবার ফলে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার পত্রপত্রিকায় তাদের সংবাদ ও রচনা প্রকাশ করার জন্য কলকাতায় প্রতিনিধি পাঠায় ।

ভারতবর্ষে তারা সমর্থন পেয়ে যান প্রতিষ্ঠিত লেখকদের । সাময়িক দুর্ভোগ হলেও হাংরি মকদ্দমা তাদের সাপে বর হয় । অনিল করনজাই ললিতকলা একাডেমীর পুরস্কার পান । অমেরিকা ও ইউরোপে বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন বিশেষ হাংরি আন্দোলন সংখ্যা প্রকাশ করা হয় । যা ওই বয়সের কবিলেখকদের জন্য নিঃসন্দেহে আকল্পনীয় ।

কলকাতায় এই ধরণের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল ইহা কি বেহুদা পাগলামি ? (দর্পণ ১.৫.৬৪) দেবদূতেরা কি ভয়ংকর" চতুষ্পর্ণা (পৌষ,, ১৩৭০) সাহিত্যে বিটলেমি কী এবং কেন ? (অমৃত,, শ্রাবণ ৮,, ১৩৭১),, হা-ঘরে সম্প্রদায়,, (১.১০.৬৪),,কাব্যচর্চার নামে বিকৃত যৌনলালসা,, (জনতা ৪.৯.৬৪),,পুলিশি বেটন কি শিল্প বিচার করবে ?(দর্পণ ২৭.১১.৬৪),,Erotic Lives & Loves of Hungry Generation (Blitz,, 19.9.64),, (Middlebrows Thrive on New Kind of Writing) (The Statesman,, 30.12.64) Not By Poetry Alone (NOW, 20.11.64)।




হাংরি আন্দোলনের অবদান কি ছিল

হাংরি আন্দোলনের অবদান সম্পর্কে বিভিন্ন আলোচক বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন । হাংরি আন্দোলন সম্পর্কে এম ফিল এবং পি আইচ ডি গবেষণা হয়েছে । অতএব যে কয়েকটি ক্ষেত্রে গবেষকরা একমত সেগুলি গ্রহণ করা যেতে পারে ।

(১) পত্রিকার নামকরণ হাংরি আন্দোলনের পূর্বে পত্রিকার নাম হতো কবিতা,, পূর্বাশা,, অরণি কৃত্তিবাস,, অগ্রণি,, শতভিষা,,উত্তরসূরী,, ধ্রুপদী,, সংবেদ,, ক্রান্তি,, চতুরঙ্গ ইত্যাদি । হাংরি আন্দোলনকারীরা যে ধরণের নাম রাখার চল করলেন তা বৈপ্লবিক । ফলে তার পর থেকে পত্রিকার নামকরণে বিপুল পরিবর্তন ঘটল । যেমন,, কৌরব,, আবার এসেছি ফিরে,,মানুষের বাচ্চা,,ঢ়পের কাগজ,, আমি আর লীনা হেটে চলেছি,,ক্ষেপচুরিয়াস,,দিল্লী হাটার্স ইত্যাদি ।

(২) সাবঅলটার্ন বা নিম্নবর্গ থেকে সাহিত্যক্ষেত্রে আগমন,, যা কবিতা,, কৃত্তিবাস,, শতভিষা,, ধ্রুপদী ইত্যাদি পত্রিকায় দৃষ্টিকটুভাবে অনুপস্হিত থাকতো । হাংরি আন্দোলন প্রথম যৌথভাবে প্রন্তিকের ডিসকোর্সকে স্হান করে দিল ।

(৩) পাঠবস্তুতে মুক্তসূচনা ও মুক্তসমাপ্তির প্রচলন,, বিশেষ করে প্রদীপ চৌধুরী,, ফালগুনী রায়,,মলয় রায়চৌধুরী,, ত্রিদিব মিত্র ও শৈলেশ্বর ঘোষের কবিতা-বিশেষ যেখান থেকে ইচ্ছা পড়া যায়,, স্তবক ও পংক্তি উপর-নিচ রদবদল করে পড়া যায় । একই প্রক্রিয়া গদ্যে এনেছেন সুভাষ ঘোষ,, সমীর রায়চৌধুরী,, ফালগুনী রায় ও সুবিমল বসাক ।

(৪),, মনস্হিতি প্রকাশকালীন অব্যয় শব্দ কবিতায় প্রয়োগ,, যেমন ওঃ,, আঃ,, আহ,, আআআআআআআহ‌,, উঃ,, শ্যাঃ,, ফুঃ,, হাহ ইত্যাদি,, বিশেষ করে মলয় রায়চৌধুরী,, প্রদীপ চৌধুরী ও ফালগুনী রায় এর কবিতায় ।

(৫) পাঠবস্তুতে অনুক্রমহীনতা প্রয়োগ বাক্যবুননে লজিকাল ক্র্যাক বা যুক্তিফাটল প্রয়োগ যা দেবী রায়,, মলয় রায়চৌধুরী,, শৈলেশ্বর ঘোষ প্রমুখের কবিতার বৈশিষ্ট্য । সত্তর দশকের পর পশ্চিম বাংলায় এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে ।

(৬) গুরুচণ্ডালী শব্দগঠন ও বাক্য প্রয়োগ যা হাংরি আন্দোলনকারীদের পূর্বে নিষিদ্ধ ছিল বর্তমানে আকছার হয়ে গেছে ।

(৭) ভঙ্গুর বাকপ্রতিমা প্রয়োগ । হাংরি আন্দোলনকারীদের কবিতায় একটি ছবি সম্পূর্ণ গড়ে ওঠার আগেই তা মিলিয়ে গিয়ে আরেকটি ছবি ভেসে ওঠে । বাংলা কবিতায় এটি এখন প্রতিষ্ঠিত শৈলী ।

(৮)যৌন চিত্রকল্প,, অশ্লীল শব্দ,, গালমন্দ,, নিচুতলার অভিব্যক্তি যা পাঁচের দশক পর্যন্ত পাঠবস্তুতে নিষিদ্ধ ছিল তার যথেচ্ছ প্রয়োগের সূত্রপাত করে গেছেন হাংরি আন্দোলনকারীরা ।

(৯) তাঁদের পাঠবস্তুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে গৌহাটি বিস্ববিদ্যালয়ের রিডার ড,, শঙ্কর ভট্টাচার্য লিখেছেন যে সেগুলো সাধারণত প্রতিবাদ মুখর আনুষ্ঠানিকতা বর্জিত,, প্রাতিস্বিকতায় ভঙ্গুর,, অস্হির,, আস্বস্তিকারক,, ছকহিন,, ঐক্যহীন,, খাপছাড়া,, এলোপাতাড়ি এবং আয়রনিমূলক ছিল ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগীব প্রধান ড: তরুণ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন,,ভাষায়,, ছন্দে,, অলংকার,, স্তবকে তুমুল ভাংচুর করেছেন তারা,, ও (যৌনতার সঙ্গে এসেছে ব্যঙ্গ,, আত্মপরিহাস ও অসহায় মানুষের নিস্ফলতার যন্ত্রণা,, আত্মপ্রক্ষেপ ঘটিয়ে তারা নিরপেক্ষ হয়ে যান) ।

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বি দে মলয় রায়চৌধুরী হাংরি আন্দোলন বিষয়ে ৩৫০ পৃষ্ঠার গবেষণার জন্য পিএচ.ডি. সন্মান দ্বারা ভূষিত হন ।


যে সিনেমায় হাংরি আন্দোলন তুলে ধরেছেন

বাইশে শ্রাবণ ফিল্মটির পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় । এই ছবিতে গৌতম ঘোষ (সনামধন্য চিত্রপরিচালক) একজন হাংরি আন্দোলনকারী কবির অনবদ্য আভিনয় করেছেন । মেইন স্ট্রিম বাংলা ফিল্মে ইতোপূর্বে হাংরি আন্দোলন নিয়ে কোনও কাজ হয়নি । ২০১১ বর্ষে হাংরি আন্দোলনের ৫০ বছর উপলক্ষে এই ফিল্মটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ।


হাংরিয়ালিস্ট বিখ্যাত কয়েকটি কবিতা

উৎপলকুমার বসু রচিত পোপের সমাধি
মলয় রায়চৌধুরী রচিত প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার,,
শক্তি চট্টোপাধ্যায় রচিত সীমান্ত প্রস্তাব,, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আবেদন
বিনয় মজুমদার রচিত একটি উজ্জ্বল মাছ
ত্রিদিব মিত্র রচিত হত্যাকাণ্ড
সমীর রায়চৌধুরী রচিত হনির জন্মদিন
ফালগুনী রায় রচিত মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই
সুবোধ আচার্য রচিত মড়ক
প্রদীপ চৌধুরী রচিত চৌষট্টি ভুতের খেয়া
শেলেশ্বর ঘোষ রচিত ঘোড়ার সঙ্গে ভৌতিক কথাবার্তা
শম্ভু রক্ষিত রচিত আমি স্বেচ্ছাচারী
দেবী রায় রচিত উন্মাদ শহর
সুবিমল বসাক রচিত হাবিজাবি
করুণানিধান মুখোপাধ্যায় রচিত ক্ষুৎকাতর সানপাকু
আলো মিত্র রচিত মাতাল অনুভব ।
বিকাশ সরকার রচিত ভৎর্সনার পাণ্ডুলিপি
অরণি বসু রচিত ভূমিকা
রাজা সরকার রচিত কিছু কালো ফুল ও তার ক্ষত
জীবতোষ দাশ রচিত সুন্দর ভোর
অরুণ বণিক রচিত শারীরিক অভিযান
অরুণেশ ঘোষ রচিত একরাত্রির আকাশ
নির্মল হালদার রচিত হারয়ে যাওয়া
অবনী ধর রচিত ওয়ান শট

হাংরিয়ালিস্ট এর বিখ্যাত কয়েকটি গদ্য


সুবিমল বসাক রচিত ছাতামাথা
সমীর রায়চৌধুরী রচিত স্মৃতির হুলিয়া ও প্রতুলের মা ওমলেট অবধি
ফালগুনী রায় রচিত কাঠের ফুল
বাসুদেব দাশগুপ্ত রচিত বমনরহস্য
সুভাষ ঘোষ রচিত আমার চাবি
সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় রচিত বিজনের রক্তমাংস ।


চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হয়ত আর তথ্য পেতে পারেন

The Searchlight,, dated 11.6.1967.(Supplement on Hungry Generation),, edited by Subhas Chandra Sarkar. Patna.
বনতুলসী কা গন্ধ । ফণিশ্বরনাথ রেণু । রাজকমল প্রকাশন : নেতাজী সুভাষ রোড,, দিল্লি । (১৯৮৮ সাল) ।


Salted Feathers Hungryalist Issue edited by Dick Bakken and Lee Altman. 3206 N.E., 12th, Portland, Oregon, USA. (1967).
Intrepid Hungry Generation Issue edited by Allan De Loach. Intrepid Press, 297 Oakmont Ave, NY, USA. (1968).
City Lights Journal edited by Lawrence Ferlinghetti. City Lights, Columbus Ave, SF, USA (1963).
City Lights Journal edited by Lawrence Ferlinghetti. City Lights. Columbus Ave. SF. USA (1966).
Klactoveedsedsteen Hungryalist Issue edited by Carl Weissner. Heidelberg, Germany. (1966).


নন্দনতাত্ত্বিক রবীন্দ্রনাধ ও রয়িন্দ্রনাথের নান্দনিক ঐতিহ্যের চক্রবৃদ্ধি । ড. বিমলকুমার মুখোপাধ্যায়, বাংলা বিভাগীয় প্রধান, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । বাংলা আকাদেমি পত্রিকা, কলকাতা । (১৯৯৭ ) ।


সম্পাদকীয় । শিবনারায়ণ রায় । জিজ্ঞাসা পত্রিকা । রেনেসঁস পাবলিশার্স । কলকাতা । (কার্তিক-পৌষ ১৯৯১ ) ।
Hungry Generation by Nissim Ezekiel. Indian P.E.N., Marine Lines, Mumbai. (1987)


একালের গদ্যপদ্য আন্দোলনের দলিল । সত্য গুহ । অধুনা পাবলিশার্স,, কলেজ স্ট্রিট,, কলকাতা । (১৩৭৫) ।
যুবযন্ত্রণা ও সাহিত্য । ড. অলোকরজ্ঞন দাশগুপ্ত । শারদীয় বসুমতী,, বসুমতী পাবলিশার্স । বৌবাজার,, কলকাতা । (১৯৬৮) ।
হাওয়া ৪৯,, হাংরি আন্দোলন সংখ্যা । সমীর রায়ছোধুরী সম্পাদিত । হাওয়া ৪৯ প্রকাশনী,, বাঁশদ্রোনী,, কলকাতা ৭০০০৭০ । (মাঘ,, ১৪১২) ।


হাংরি আন্দোলনের ইশতাহার । এবাদুল হক সম্পাদিত । আবার এসেছি ফিরে প্রকাশনী,, ভগবানগোলা,, মুর্শিদাবাদ । (১৪১৪) ।

হাংরি সাক্ষাতকারমালা । অজিত রায় সম্পাদিত । মহাদিগন্ত প্রকাশনী,, কলকাতা ৭০০১৪৪ । (১৯৯৯) ।
মিলন হাংরি আন্দোলন সংখ্যা । বিশ্বজিৎ নন্দী সম্পাদিত । মিলন প্রকাশনী,, ধুরা,, মেঘালয় ৭৯৪০০১ । (২০০৭)
বাংরিজি সাহিত্যে ক্ষুধিত বংশ । জ্যোতির্ময় দত্ত লিখিত । দেশ সাহিত্য সংখ্যা । কলকাতা । (১৩৭৫) ।


সুহৃদ পরিষদ ও বঙ্গ সাহিত্য বক্তৃতা । তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় । মেদিনীপুর । (১৩৭১) ।
কামুর দর্শন ও হাংরি জেনারেশন । ড. সোমা বীরা লিখিত । অণিমা পত্রিকা । বড়বাজার,, কলকাতা । (১৯৬৫) ।
কবিতার নববর্ষ । মোহিত চট্টোপাথভায় লিখিত । সত্ত্বর পত্রিকা । কলকাতা । (১৩৭৫) ।


হাংরি শ্রুতি ও শাস্ত্রবিরোধী আন্দোলন । ড.উত্তম দাশ প্রণীত । মহাদিগন্ত প্রকাশনী,, কলকাতা ৭০০১৪৪ । (১৯৮৬) ।
ক্ষুধিত প্রজন্ম ও অন্যান্য প্রবন্ধ । ড.উত্তম দাশ প্রণীত । মহাদিগন্ত প্রকাশনী । কলকাতা ৭০০১৪৪ । (১৯৯৫)
উত্তরপ্রবাসী (হাংরি জেনারেশন বিশেয সংখ্যা ) । গজেন্দ্রকুমার ঘোয সম্পাদিত । সেপ্টেম্বর,, ১৯৮৫ । বক্স ২০৬১,, এস ৪৪৫-০২. সুরটে ২,, সুইডেন


হাংরি আন্দোলন ও দ্রোহপুরুষ কথা । ড. বিষ্ণুচন্দ্র দে । সহযাত্রী,, ৮ পটুয়াটোলা লেন,, কলকাতা ৭০০ ০০৯ ( ২০১৩ )
চন্দ্রগ্রহণ বিশেষ হাংরি আন্দোলন সংখ্যা । প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত । ৭ বরদাকান্ত রোড,, কলকাতা ৭০০ ০৩০ ( অকটোবর ২০১৪ )
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:৩৬
৮টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×