
মুঘল সাম্রাজ্য
মুঘল সাম্রাজ্যের রাজত্ব শুরু হয় ভারত উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল নিয়ে । আর তখন কার সময় ঐ অঞ্চলগুলো হিন্দুস্তান নামে পরিচিত ছিল। এছাড়া আফগানিস্তান ও বেলুচিস্তানের বেশ কিছু এলাকাও মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিলো। মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত লাভ করে ।আর মুঘল সাম্রাজ্য ১৭০৭ সাল পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তার করে এবং ১৮৫৭ সালের এর পতন হয়। চেঙ্গিস খান এবং তৈমুর লঙের উত্তরসূরী জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫২৬ সালে দিল্লীর লোদী বংশীয় সর্বশেষ সুলতান ইবরাহিম লোদীকে প্রথম পানিপথের যুদ্ধে পরাজিত করেন এবং মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বশেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের প্রাক্কালে ইংরেজদের হাতে পরাজিত হয়ে ততকালীন বার্মার রেঙ্গুনে নির্বাসনে চলে যান।এবং সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। মূলত মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পরেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়ে যায়।
ইতিহাসের পাতায় বলে
মুঘল সাম্রাজ্যের ৩০০ বছরের বেশি ইতিহাস অনেক উত্থান পতনের সাক্ষী আছে।
বাবরের ভারত আক্রমণের ঘটনা
ফরগণা নামে এক মধ্য এশিয়ার সামন্ত রাজ্যের তৈমুর বংশীয় রাজা ওমর শেখ মিরজারের ছেলে বাবর মধ্য এশিয়া থেকে রাজ্যচ্যুত হয়ে কাবুল আক্রমণ করেলেন। সে সময় তিনি ভারত আক্রমণের পরিকল্পণা করলেন। ১৫২৬ সালে পাণিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে নিহত করে মুঘল সাম্রাজ্যের সুচনা করেন। আর সে যুদ্ধেই ভারতে প্রথম কামান ব্যবহার করা হয়েছিল।
খানুয়ার যুদ্ধ ১৫২৭ এই যুদ্ধে বাবর রাজপুত রাজা সংগ্রাম সিংহকে পরাজিত করেন
শেরশাহের উত্থানের ঘটনা
বিহারের এক জায়গীরদারের ছেলে ফরিদ খান তিনি শেরশাহ নাম ধারণ করে বাবরের পুত্র হুমায়ুনকে বিল্বগ্রাম ও চৌসার যুদ্ধে পরাজিত করলে হুমায়ুন পারস্যে রাজা তামাস্পের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। শেরশাহের শাসন ব্যবস্থা ভবিষ্যতে আকবরের শাসনব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে।
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ও আকবরের উত্থানের ঘটনা
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ করার সময় শেরশাহের উত্তরাধিকারী আদিল শাহের সেনাপতি হিমু হুমায়ুনেরপুত্র আকবর এবং তার সেনাপতি বৈরাম খানের সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন। তারপর আকবরের শাসনকালে মুঘল সাম্রায্য উত্তর এবং মধ্যভারতে বিস্তৃত লাভ করেন। ১৫৬০ সালে বৈরাম খানকে সরিয়ে আকবর নিজে সকল ক্ষমতা দখল করেণ। আকবর রাজপুতদের সাথে মিত্রতানীতি নেন। মান সিংহকে সেনাপতিত্বে বরণ করেন। কিন্তু মেবারের শাসক প্রতাপসিংহকে মিত্র করতে সফল হতে পারেননি ।

ইনি হলেন শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর
হলদিঘাটের যুদ্ধ
এই যুদ্ধে মুঘল পক্ষীয় সেনাপতি মান সিংহ মেবারের রাণা প্রতাপ সিংহকে পরাজিত করেন।
রাজমহলের যুদ্ধ
এই যুদ্ধে দাউদ খানের পরাজিত হওয়ার কারনে বাংলায় মুঘল শাসন শক্তি লাভ হয়। যদিও পরে বারো ভুঁইয়া নামে পরিচিত জমিদারেরা বিদ্রোহ করেন। আকবরের পুত্র ছিলেন জাহাঙ্গীর।
ইনি হলেন সম্রাট আকবর

১৬২৮ সাল থেকে১৬৫৭ সাল পর্যন্ত সম্রাট শাহজাহানের শাসনকাল
শাহজাহান এসে সকল উত্তরাধিকারীর দাবীদারদের হত্যা করলেনন।এবং তার সকল ভাইদের তিনি হত্যা করলেনন এবং শাহজাহানের শাসনকালে তাজমহল তৈরি হয়। ভালবাসার এক অনবদ্য নিদর্শনরূপে তাজমহল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।
শাহজাহান অসুস্থ হয়ে পড়লে তার ছেলেরা গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। দারা ও সুজা এবং মুরাদকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসেন আওরঙ্গজেব। তিনি মারাঠা, ইংরেজ, শিখ ও অন্যান্য মুঘল্বিরোধীদের দমন করার সাময়িক চেষ্টা করেন। কিন্তু স্থায়ীভাবে সফল হননি
ছবি গুগল থেকে সংগ্রহ
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৪:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




