বিবাহের কথা চলতেছে । আজকালকার মেয়েরা বিশেষ করে আমাদের গ্রামের মেয়েরা গ্রামে থাকতে চয়না । এটা একটা ফ্যাশানে পরিনত হয়েছে যে শহরে থাকতে হবে । আমার খুবই ইচ্ছা বউ নিয়ে গ্রামে থাকব । দুইজন মিলে ইছামতির পাড়ে বসে জোৎসনা দেখব । জোৎসনা স্রান করব । এই বিষয়টা মাথায় আসল এই কদিনের আকাশের জ্যোসনা দেখে । নদীর জলে জোসনার আলো চল চল করতেছিল । আজকালকার মেয়ে গুলো শহর মুখী হয়েগিয়েছে । এই মেয়েগুলোর সাথে তাদের মুরব্বীরাও মদদ যুগাচ্ছে । অবশ্যই এখন নদীগুলোতে চল চল করা পানি পাওয়া যায় না । নদীগুলো ভাটীর টানে দুদু বালিতে পরিনত হয়েছে । তাই গানের সুরের সাথে এক হয়ে গেছে । এখানে নদীগুলো নারীর মতো । চাদের আরেকটি ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Luna , সেই Luna থেকে Lunatic শব্দটি এসেছে । যার প্রতি শব্দ হচ্চে উন্মাদ । শুনেছি পূর্ণ চন্দ্রিমার সময় মানুষের মধ্যে উন্মাদনা বেড়ে যায় । মানসিক হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায় । গৌতমবুদ্ধও এইপূর্ণিমার সময় গৃহত্যগ করেছিলেন । গতকাল আমারও তাই হয়েছিল । এই বিষয়টি বলিয়া ব্যাখ্যকরা যাবেনা তবু বলি । যতই চাদ দেখতেছি ততই উন্মাদনা বেড়েই চলছে । কি করছি কিছুই বুঝতে পারতেছিলাম না । এক সময় হাটতে হাটতে আমাদের থেকে অনক দূরে ইছামতির পাড়ে ছলে গিয়েছিলাম । চাদরে আলো নদীতে পড়েছে । মনে হচ্ছে কোন নারী চল চল জল জল চোখে চেয়ে আছে । অদ্ভুত এক অপরূপ সুণ্দর্য্য বর্ষন হচ্ছিল । এক কবি বলেই ফেলেছেন এমন চাদের আলো মরি যদি সেই ভাল । ইছামতির তীর বড় একটা গাছ আছে ।আমাদের গ্রামে ঐ গাছকে বলে ঝীর গাছ , দেখতে বটগাছেরমতো । সেই গাছের নিছে অসংখ্য মোমবাতী জলতেছে । মোমবাতীর আলোতে গাছের গোয়ার আলোকিত । দূরথেকে জোনাকী গুলোও আলোর ধেমাকে দেখাচ্চে । গাছ থেকে ডাহোকীর আওয়াছ আসতেছে , সাথে পেছা ও গুগুর আওয়াজে এক মাতাল করা রাতে একা একা নদীর পড়ে বসছিলাম । এইটা নদীর এমন জায়গা , এই দিকে কেউ তেমন একটা আসেনা । ঝোপের পাশে রূপার সুতার ন্যয় এলো রাস্তা বয়েগেছে । অনেক দুর থেকে পাহাড় বেঁয়ে আসা রাস্তা দেখা যাচ্ছে । সম্পূর্ন জন মানবহীন এলাকা । আমার কোন ভয় লাগতেছেনা । হয়তো এটা Lunatic বা উন্মাদনার প্রকাশ ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




