somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিক কে

১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কিছু দিন ধরে ব্রগে , সংবাদপত্রে , ফেইসবুকে সর্বোপরি টকশোতে একটা শব্দ খুবই প্রচারিত হচ্ছে । তা হলো নাস্তিকতা । যার ইংরেজি প্রতি শব্দ হলো Atheists বা Athism । একজন দর্শনের ছাত্র হিসাবে এই শব্দটি অতিমাত্রায় প্রয়োগ বা অপ প্রয়োগ খুবই ভাবিয়া তুলেছে । প্রশ্ন হলো Atheist কারা । বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দর্শনের পন্ডিতদের দুইটি অংশ দেখা যেত , এক আস্তিক দুই নাস্তিক । যেহতো নাস্তিক শব্দটি বেশি উচ্ছারিত হচ্ছ নাস্তিক নিয়েই আলোচনা করবে। নাস্তিক শব্দটি করো মুখে শুনলেই আমাদের গাঁ শিউরিয়ে উঠে । নাস্তিক বল্রই খারাপ । আসলে কি তাই । প্রথম দেখা যাক নাস্তিক শব্দটি কি । উইকিপিডিয়াতে নাস্তিকতাবাদরে তিনটি অর্থ দেওয়া হয়েছে - এক . বৃহদার্থে খোদা, দেবদেবি , অতিন্দ্রয়তা , অতিপ্রাকৃতিক ইশ্বরের বিশ্বসাকে প্রত্যাখান করা । দ্বিতিয়ত- There is no god. আর পরিষ্টকার করে বলা যায় - নাস্তিকতা হলো খোদা বা দেব দেবির উপর কোন প্রকার বিশ্বস্ না থাকা । দর্শন পাঠ করতে গিয়ে বিভিন্ন দার্শনিকের সন্ধান পায় যারা নাস্তিক - অগাস্ট কোৎ , গডউইন , হিরাক্লিটাস, কার্ল মাক্স , স্টুয়াট মিল, নিটশিয়ে সংশয়বাদী হিউম সহ আরও অনেকেই । উল্লেখিত দার্শনিকদের তত্ত্বের আলাচনা কম বেশি করেছিলাম । তার দর্শন আলাচনাতে শুধুমাত্র ধর্মটাকে বাদ দিয়েছেন মনে প্রাণ । তার প্রমান করতে ছেয়েছেন , জগতে ইশ্বর বলতে কিছুই নেই । জগতে যা ঘটে প্রত্যটকা ঘটনা একটা অপর একটি ঘটনার পরম্পরা ছাড়া কিছুই নয় । অনেকেই আবার মানুষের আচরনের প্রতিক্রিয়াকে মাথায় রেখে দর্শন আলোচনা করেছেন । তার মানুষের সহজাত প্রবিত্তিকে বিশ্লেষন করেছেন। - বাখ্যা করেনছেন , মানুষের সহজা প্রবিত্তি হলো সে অন্যকে নিয়ন্ত্রন করবে সাথে সাথে অন্যর দ্বার নিয়ন্ত্রিত হওয়া ।এই ভাবে যে বৃহৎ অংশকে বা রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রন করে সেও একজন নিয়ন্ত্রক খোজে । এই ভাবে খোদা বা ঈশ্বরের উপর বিশ্বস স্থাপন করে । যাই হোক কোন কোন নাস্তিক দার্শনিক দর্শন আলোচরা করতে গিয়ে মনবাতবাদী দর্শনের দিকে অগ্রসর হন শেষ মেশ মনবাতবাদী দর্শনিক বলে পরগতিন হন । আবর অনেকেই বৃদ্ধ বয়সে আস্তিক হয়েপড়েরন । খোদর উপর বিশ্বস স্থপন করেন । যেমন বৃদ্ধ বয়সে এসে ডেবিড হিউম সর্ম্পূর্ণ আস্তিক হয়েপড়েন । সবচেয়ে বড় নাস্তিক হলো - গৌতম বুদ্ধ । গৌতম বুদ্ধ নিজেই কোন দেবদেবির উপর বিশ্বস করতেন না , আর তিনিই মানব ধর্মের কথা বলেছেন । বলেছেন সগতের সকল প্রানি সুখি হোক । অর্থৎ উল্লেখিত কোন দার্শনিকই কোন ধর্ম বা ধর্মের বিশ্বস উপর কুরাচিপূর্ণ কথা বলেননি । ধর্মগুরুদের পবিত্র জীবন ব্যক্তিগত জীনন নিয়ে কখনো কু মন্তব্য করেননি। কয়েকজন আছেন যার শস্তা জনপ্রিয়তা লভের আশায় নিজ ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করেছেন । যেমন তাসলিমা নাসরিন অথবা সালমান রুশদি। অবশ্যই নাস্তিকতা কে অনেকেই প্যাশান হিসাবে গ্রহন করে থাকে , নিজেকে নাস্তিক বলে অনেকেই একধরনের বহবা খুজেন । অথচ প্রকৃত নাস্তিকেরা কখনো কোন ধর্ম গুরু অথবা ধর্ম কে নিয়ে কটুউক্তি করেন নি , বরং সন্মন দেখিয়েছেন আরেকজনের বিশ্বস কে । পত্রিকার মারপতে আমরা যা দেখলাম অথবা ব্লগে যা পড়লাম তা এত কুরুচিপুর্ন যে মুখে উচ্চারণ করা যায়না । উক্ত কথাগুলো যদি আমার বাবা অথাব অন্য কারো বাবাকে নিয়ে অথবা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবনন্ধুকে নিয়ে বলা হতো । তাহলে আমার বা আপনার অথবা সমগ্র দেশের অবস্থা কি হতো । মানুষের সবছেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হলো তার ধর্ম । মানুষের এই জায়গায় কেউ হাত দিতে পারেনা । তার সবচেয়ে বড় উদাহরন হলো - সম্পতি আমেরিকায় চিত্রিত Nosiness of Muslim. এর প্রতিক্রি
য়া । উক্ত ছবির পরিচালকের বিরুদ্ধে নাস্তিক দেশ ব্রাজিল গ্রেপ্তারী পরোয়ানা যারি করে । আমেরিকার সরকার তকে গ্রেপ্তার করে । আমর কথা হলো্ ঐ সমস্ত লোকগুলো যাদেরকে নাস্তিক বলা হচ্ছে যারা ব্লগে বা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধর্ম বা ধর্মগুদের নিয়ে যে কুরুচিকর কাথা বা কাহিনি লিখতেছে তার আসলে নাস্তিক না । তারা হলো ধর্ম বিদ্বেষি বা ধর্মদ্রোহি । এদরেকে নাস্তিক বলে সন্মানিত করা বা প্রকৃত নাস্তিকদের কাতার আনবেন না ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×