somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটগল্প: ক্যালকুলেশনের প্রেম

১৬ ই জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সবার জীবনেই নাকি কোন না কোন সময় প্রেম আসে। আমি আমার আশেপাশের মানুষদের সবসময় দেখে এসেছি কি সুন্দর প্রেমিক-প্রেমিকাদের সাথে একটা আহ্লাদি ভাবে কথা বলতে। শাহরুখ খান-এর রোমন্টিক মুভিতে দেখেছি কি সুন্দর প্রেমের জন্যে নিজেকে উৎসর্গ করতে, রোমান্টিক গানের সাথে নাচতে। আমার যে প্রেম করতে কখনো ইচ্ছে করেনি, তা না, আমারও সবসময় মনে হতো, ”ইশ্, আমিও যদি প্রেম করতে পারতাম!” আশেপাশের মানুষের মতো রোমান্টিক ভাবে কথা বলবো, ঘুরবো-ফিরবো, যাকে বলে চুটিয়ে প্রেম করা। কিন্তু মনের মধ্যে সবসময় কাজ করতো, প্রেমতো করলেই হবেনা, সাক্সেসফুল হতে হবে এবং প্রেমের সাক্সেস হয় বিয়েতে। কাজেই যে সে ছেলের সাথে প্রেম করলে চলবেনা, আমার ফ্যামিলির সাথে মিলতে হবে এবং তাকে হতে হবে ’মি. পার্ফেক্ট’। তাই যখনই ফ্রেণ্ড সার্কেল থেকে কেউ বলেছে, ’আই রিয়েলি লাইক ইউ’, তখনই আমি বিজ্ঞের মতো ইকুয়েশন করতে বসতাম এবং ইকুয়েশন করে যখন মনে হতো, না না, এই ছেলের সাথে ফিউচার জমবেনা, তখনই বলেছি, ”শোন দোস্ত, ফ্রেণ্ড আছিস, ফ্রেণ্ডের মতো থাকবি, এইসব প্রেম-ট্রেমের কথা চিন্তা করবিনা। বন্ধুর সাথে প্রেম করে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইনা।”

এভাবেই চলে যাচ্ছিল আমার জীবন। মনে প্রচণ্ড প্রেমের ইচ্ছা, কিন্তু ক্যালকুলেশন করে 'পারফেক্ট' মানুষটি পাচ্ছিনা জীবনে। কি যে করবো, কিছুই বুঝতে পারছিনা। আমার ভাবীর সাথে আমার সম্পর্ক ভালো হওয়ায়, প্রায়ই তাকে জিজ্ঞেস করতাম, ”আচ্ছা, তুমি কিভাবে প্রেম করলা ভাইয়ার সাথে, কি দেখে প্রেম করলা? তুমি কি বুঝতে পারসিলা, সে-ই তোমার জীবনের সঠিক মানুষটা?” ভাবী তখন প্রেমে সাক্সেস অর্জনকারী বিজ্ঞ রমণীর মতো আমাকে বলতো, ”শোন, তোর মতো ক্যালকুলেশন করলে জীবনে প্রেম হবেনা। ম্যাথমেটিশিয়ানের মতো দিনরাত ক্যালকুলেশন করলে তুই ম্যাথের কোন ফর্মূলা আবিষ্কার করতে পারবি, কিন্তু প্রেমিক পাবিনা।”

আমার ভাবীর কথাই সত্য প্রমাণিত হলো। দেখতে দেখতে ইউনিভার্সিটি লাইফটাই শেষ হয়ে গেল, কিন্তু আমার ”মি. পার্ফেক্ট” কে আমি পেলামনা। যখন ফ্রেন্ডসরা বয়ফ্রেণ্ড নিয়ে আনন্দ করে বেড়িয়েছে, তখন আমি ’কাবাব মে হাড্ডি’ হয়ে ওদের সাথে সিঙ্গেল ঘুরেছি। এখনতো ইউনিভার্সিটি লাইফ-ই শেষ এবং কর্মজীবনের শুরু। যে মেয়ে ইউনিভার্সিটি লাইফেই প্রেম করতে পারেনি, সে কর্মজীবনে কি করবে?
স্বভাবত:ই আব্বু-আম্মু প্রেসার দেওয়া শুরু করলো বিয়ের জন্যে। আম্মুর কথা, ”শোনো মেয়ে, বয়সতো তোমার পড়ে থাকবেনা, যদি প্রেম করতে, তাহলে ওই ছেলের সাথে তোমার বিয়ের কথা আমরা চিন্তা করতাম। যেহেতু জীবনে প্রেম করোনি, তাই তোমাকে 'অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ'-ই করতে হবে। সুতরাং এই বিষয়টাকে সিরিয়াসলি নিবে। এটা কোন ছেলেখেলা নয়, কারণ বয়সের সাথে সাথে মেয়েদের চার্ম নষ্ট হয়ে যায়। দুই দিন পর ভালো কোন প্রোপোজাল-ও আসবেনা। আমার ফ্রাসট্রেশনের মধ্যে নতুন কিছু ফ্রাসট্রেশন যোগ করতে আমার মা কখনোই ভুল করেনা।

আমার মনের আকুল ইচ্ছা প্রেম করে বিয়ে করার। বিয়ের আগে চুটিয়ে ফোনে গল্প করার, এক সাথে ঘুরাঘুরি করার। এই সবগুলো ইচ্ছা কি শখই রয়ে যাবে? আমার কি শেষমেষ অপরিচিত একটা লোকের গলায় মালা পড়াতে হবে? আমি কি শেষ পর্যন্ত অপরিচিত একটা লোকের সাথে সংসার করবো? এইসব নিয়ে যখন আমি প্রচণ্ড ফ্রাসট্রেটেড, কিছুই ভালো লাগেনা, এমনই এক সময় আমার পরিচয় হয় অনিন্দ্যের সঙ্গে।

ওইদিন ছোট খালামনির বাসায় যাবে বলে আম্মু আমাকে আগেই বলে রেখেছিল, আমার অফিস ছুটির পর গাড়ি আমাকে আনতে যাবেনা। তাই, অফিস থেকে বের হয়ে সি.এন.জি ওয়ালাদের না না শুনতে শুনতে যখন আমি প্রচণ্ড বিরক্ত, তখন হঠাৎ শুনি, আমার নাম ধরে কে যেন চিৎকার করছে। তাকাতেই দেখি আমার ইউনিভার্সিটির পুরনো বন্ধু অপু। অপুকে কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো," কি রে দোস্ত, কি খবর? অনেকদিন কোন যোগাযোগ নাই, কাজ না থাকলে চল, কোথাও গিয়ে বসে আড্ডা দেই।" যেহেতু আম্মু-ও বাসায় নেই, এবং আমারও ভালো লাগছিলোনা কিছু, তাই অপুর কথায় রাজী হয়ে গিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে বসলাম আড্ডা দেওয়ার জন্যে। অপু আমাকে কথায় কথায় জিজ্ঞেস করলো, আমি কি ইউনিভার্সিটি লাইফের মতো এখনো ফোনে বা চ্যাটরুমে দুষ্টামি করি কিনা। এইখানে একটু বলে নেই, আমি ইউনিভার্সিটি লাইফে অসম্ভব ফাজিল ছিলাম। আমার কাজ ছিল, ফোন করে ছেলেদের সাথে ফাজলামি করা, চ্যাটরুম থেকে ছেলে পটিয়ে ফাজলামি করা। অপুর কথার জবাবে আমি বললাম, নাহ্, এখন আর আগের মতো ফাজলামি করিনা। কারণ, দেখা যায় চ্যাটরুমের বেশিরভাগ পোলাপান আমাদের জুনিয়র এবং এখন ইউনিভার্সিটি লাইফের মতো এত ছেলের নম্বর আমার কাছে নেই। এই কথা শুনে অপু আমাকে বলে, "দোস্ত, তুই আমার একটা কলিগকে একটু টাইট দিবি?" আমি বললাম, "মানে?" অপু বললো, "এই পোলা নিজেরে বস্ মনে করে, এই পোলা এমন ভাবে চলে, যেন অফিসের সব মাইয়ারা এর প্রেমে পাগল।" অপু খুব ভালো মতোই জানে, ইউনিভার্সিটি লাইফে আমি কম ছেলেকে সাইজ করি নাই। আমি ফোনে কথা বলায় এক্সপার্ট। আমিও রাজী হয়ে গেলাম। অনেকদিন এরকম কোন মাস্তি করি নাই। অপু নম্বরটা আমাকে টেক্স করে দিল এবং আমি আজ রাতে এই ছেলেকে ফোন করবো বলে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলাম।

ওই দিন রাতেই প্রথম আমার অনিন্দ্যের সাথে কথা। আমি যখনই ফোনে কথা বলতাম, কখনোই প্রেম প্রেম ভাব নিয়ে কথা বলতামনা। আমি সবসময় খুব মাস্তান মাস্তান ভাব নিয়ে কথা বলতাম, একটু ঝাড়ি-পট্টি মারতাম আর কি। অনিন্দ্যও কম ছিলোনা। আমি ফোন করে প্রথমে বললাম, "কি রে, কি খবর?" অনিন্দ্য খুব সুন্দর করে আমাকে বললো, "আমার খবর ভালো, তোর কি খবর?" আমি বললাম, "ওই, তুই আমাকে তুইতোকারি করিস কেন? আমি তুইতোকারি করবো, তুই আমাকে আপনি করে বলবি, ওকে?" অনিন্দ্য তখন বললো, "আমি তাহলে ওস্তাদ ডাকি? ’ওস্তাদ’ কথাটার মধ্যে একটা ভাব আছে।" এই ছিল আমাদের কথা বলার শুরু।

অনিন্দ্য আমাকে ’ওস্তাদ’ ডাকতো এবং মাঝে মাঝে ফাজলামি করে বলতো, "ওস্তাদ, আপনেরে তামুক আইনা দেই? তামুকে টান দিলে ভালো লাগবো আপনার।" ওর কথার জবাবে আমিও বলতাম, "দে, লগে একটা পান-ও দিবি।" অনিন্দ্যের সাথে আমার প্রতিদিন কথা হতে থাকলো এবং ধীরে ধীরে আমাদের কথাবলার পরিমাণ বাড়তে থাকে। ফোন থেকে এরপর স্কাইপে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা। আমরা কেউ কারও সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা, কেউ কাউকে দেখি নাই, কিন্তু কথা বলতে ভালো লাগতো, তাই বলতাম। এরপর একদিন অনিন্দ্য বললো, ও আমাকে দেখতে চায়। আমিও রাজী হয়ে গেলাম। খুবই নার্ভাস দুরু দুরু বুকে আমি আমার স্কাইপে ভিডিও ক্যামেরা অন করি এবং ওই পাশ থেকে অনিন্দ্যও তার নিজের ভিডিও ক্যাম অন করে। এতদিন এই মানুষটার সাথে ফোনে কথা বলতাম। আর আজকে প্রথম দেখার পর লজ্জায় কেমন যেন একটা নার্ভাসনেস কাজ করছিল। আমি ঠিক মতো ওর দিকে তাকাতেই পারছিলামনা। ও আবার আমাকে ফাজলামি করে বলে, "আপনি এত শরম পাইলে কেমনে হইবো? শরম পাওনের কথাতো আমার, এই পত্থমবার ওস্তাদের সামনে আইসি।"

আস্তে আস্তে আমি যেন অনিন্দ্যের ওপর ডিপেন্ড করতে লাগলাম। আমার ওর সাথে কথা না বললে ভালো লাগেনা, ও আমার ফোন না ধরলে কান্না চলে আসে। নিজের অজান্তেই ওর প্রতি আমার কেমন যেন একটা অধিকার জন্মালো। আমি কিছুই বুঝতে পারছিলামনা, আমার এমনটা কেন হচ্ছে। একদিন আমি অনিন্দ্যের সাথে কথা বলছিলাম এবং অনিন্দ্য আমাকে হঠাৎ করে বলে বসে, ’আই রিয়েলি লাইক ইউ।" অনিন্দ্যের মুখ থেকে শুধুমাত্র এই কথাটি শোনার জন্যে আমি মনে হয় অপেক্ষায় ছিলাম। আমার মনের মধ্যে আনন্দের একটা বন্যা বয়ে গেল। আমি অনিন্দ্যকে কিছুই বলতে পারলামনা। শুধু চুপ করে শুনছিলাম ওর কথা। অনিন্দ্য আমাকে বললো, "আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করি, এবং সত্যি বলতে কি, আমি মনে মনে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু তোমার আর আমার মিলন কখনই সম্ভব হবেনা। তাই আমি মনে করিনা তোমার সঙ্গে আমার আর কথা কন্টিনিউ করা উচিত, তাহলে আমরা দুইজনেই কষ্ট পাবো।"

আমার মাথার উপরে যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। আমি অনিন্দ্যকে বললাম, "আমিও তোমাকে অনেক লাইক করি। আমি তোমার সাথে সারাটা জীবন থাকতে চাই। তাহলে তোমার আর আমার মিল কেন সম্ভব নয়?" অনিন্দ্য আমাকে বললো, "তোমার সঙ্গে আমার যখন কথা হয়, শুরু শুরুতে তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলে আমার ফুল নেম, তোমার কি মনে পড়ে?" আমি বললাম, "হ্যাঁ, কেন মন পড়বেনা? তুমি বলেছিলে, তোমার নাম, অনিন্দ্য হোসেন।" অনিন্দ্য তখন আমাকে বলে, "তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি তখন তোমাকে একটা মিথ্যা কথা বলেছিলাম। আমার নাম অনিন্দ্য হোসেন নয়, আমার নাম অনিন্দ্য সাহা। এখন নিশ্চই বুঝতে পারছো, কেন তোমার আর আমার মিল হওয়া সম্ভব নয়।"

কথাটা শুনে আমি তখন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলাম। এবং অনিন্দ্য কান্না জড়ানো গলায় আমাকে বলেছিল, ”আই অ্যাম স্যরি, আই রিয়েলি অ্যাম”। সেটাই ছিল অনিন্দ্যের সাথে আমার শেষ কথা। অনিন্দ্য এরপর ওর নম্বর চেঞ্জ করে ফেলে। আর এরপর আমিও কখনো অপুকে ওর কথা জিজ্ঞেস করার সাহস করিনি।

আমার শেষ পর্যন্ত অ্যারেঞ্জ ম্যারেজই হয়। আমার হাসবেণ্ডকে আমি একটু একটু করে জেনেছি বিয়ের পরে। আমি বলবোনা, আমি আন-হ্যাপি। আমি হ্যাপি। কারণ ও অনেক ভালো একটা মানুষ। এখন মনে হয়, ভাবীর কথাই ঠিক। ক্যালকুলেশন করে প্রেম হয়না। প্রেম যে কোন সময় যে কারও সাথে হতে পারে। মাঝে মাঝে অনিন্দ্যের কথা খুব মনে হয়। খুব জানতে ইচ্ছে করে ও কোথায় কেমন আছে। ও কি বিয়ে করেছে? ওর কি কখনো আমার কথা মনে পড়ে?
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×