somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

HOLY NIGHT এর কথকথা

২৬ শে মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাঝে মাঝে এমন হয়না, গল্প বলতে ইচ্ছা হয়। আমি গল্পকার নই। গল্প কিভাবে লিখতে হয় আমার জানা নাই। গল্পের আকার আয়তন আমার এন্টেনার উপর দিয়া যায়। তবে আমি গল্প বলি। কেউ শোনে কেউ শোনেনা। একটা জিনিস খেয়াল করছি adult দের পিচ্চিরা এই পচা গল্পের ভাল listener। বাচ্চাতো (;);)) but আমার listener। I hv to pay my earnest appreciation to my audience. যদিও বাচ্চাদের আমরা যেভাবে বাচ্চা বাচ্চা type ভাবি আমার মতে তারা সেই type নয়। বাচ্চাদের মাঝে আমি দেবত্ব, পশুত্ব এবং অনেক সময় বড়দের থেকে speedy সমোয়োপযোগী decision making, response n understanding দেখতে পাই। আমি জানিনা science কি ভাবে।
তো যাই হোক আজকে আমি গল্প লিখব sorry বলবো। আমার গল্পে পাত্র পাত্রী থাকবে, ঘটনা দূর্ঘটনা থাকবে। গল্প মনে হয় এমনই হয়................confused:|:|:| well, who cares?
আমার গল্প শুরু হইল,,,,,
গভীর রাত সদ্য হাত বিপরীত হওয়া company এর cellphone জানান দিল 3-18 A.M local time. যদিও ঢাকা শহরে এটা রাত তথাপি গভীর কিনা তা যুবকের জানা নাই।এই দোযখে কিছুদিন আগে আসা অদ্দোবধি অস্থায়ী বাসিন্দা সে ৷ সে ঢাকা আসিয়াছে সুদিনের সন্ধানে ৷ দেশের শ্রেষ্ঠদের সংস্পর্শে আসিবার চেষ্টায় ৷ সে এসেছে নতুনত্বের খোজে ৷ দেশের কিছু পরিচিত নামের মধ্যে একটি সরকারি পাঠদান কেন্দ্রের সরকারি syllabus এর খড়গ হইতে বহুকষ্টে লেজ বাচাইয়া ৷ সে আসিয়াছে সেই তথাকথিত কেন্দ্রের বুক থেকে, যেখানে গুরুদের চর্চার অধিকার আছে তাহাদের নাই ৷ যেখানে সন্ধান চালাইলে আমেরিকা আর মধ্যপ্রাচ্যের পুটুতে হ্যান্ডেল লাগাইয়া ঝুলতো না ৷ রুঢ় সত্য, অযাচিত গুরুদের সৃষ্ট চাপ যাহা গাধাও বুঝিবে অনর্থক বহিয়া চলা সব সময় কাছে পিঠে ৷ ইহা তাহার প্রতিষ্ঠান। এখান থেকেই তাহার জীবনকে বুঝতে শেখা শুরু ৷ So সে অফ যাবে ৷
ইহার মানে এই নয়, এখানে দেবতারুপী কেউ নেই ৷ খুজিলে প্রতিদিনই কারো না কারো সন্ধান মেলে ৷ তবে তা কেন যেন চাহিদার ভাষায় অপ্রতুল ঠেকে ৷ রাজনিতীর যে হাল এদেশে, কেন যেন মনে হয় বাঙ্গালী এখনও রাজনিতী practice এর যোগ্য হয় নাই ৷ ইদানিং সে একটা জিনিস ভাবিয়া মজা পায় ৷ সে হয়তো শ্রী শ্রী শ্রী কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ কুসারী ঠাকুরের একটা ভুল হয়তো ধরিতে পারিয়াছে ৷ কবি গুরু কোন এক যায়গায় আফসোস করে লিখেছিলেন, যা তাহার সৃত্মিতে এইভাবে আছে যে জননীর নিকট তাহার (কবির) আক্ষেপ এতগুলো বাঙ্গালী তিনি জন্ম দিয়াছেন যাহাদের মানুষ করার কথা তিনি ভুলিয়া গিয়াছেন ৷ সে জানে না কোন প্রেক্ষাপটে এটা লেখা ৷ কোন আলোচনায় ইহা বোধিত তা তাহার জানা নাই ৷ তবে তার মতে রবীঠাকুর ভুল জগতে বাস করতেন, জননী ক্লান্ত ছিলেন ৷ তিনি দ্বিতীয় আশির্বাদের সাথে প্রথম উল্লেখিত বস্তু সুষম বন্টন করেন নাই ৷ যাহা এবারের 2nd বার আয়োজিত কোন ইভেন্টে bat বলের অনুরাগীদের মুখমন্ডলে রুচিহীনভাবে দেখিয়াছে ৷ বড় হইতে হইলে বড়কে হারাইতে হয় ৷ ইহা সে তাহার পূজনীয় পূর্বজের কাছে শুনিয়াছে ৷ তবে কি সে বড় হইতেছে ? যাই হোক Balance of power এর দরকার আছে ৷ আর শুধু এই জন্য সে তার কিছু অপ্রিয় মুখ বাদে প্রিয় campus এ ছাত্র রাজনীতি মিস করে ৷ মিস করে সেই মুখর সময়। আহা সে একদিন ছিল ৷ সে পাইয়াছিল বাচিয়া থাকার আনন্দ ৷ দিন ফুরায়ে যায় ৷ অন্ধকার তার শীতল জিহ্বা দিয়া লেহনে অগ্রসর হয় ৷ তাহার অর্জন ভালো নয় ৷ যেমন নয় তার শরীরিক ও অর্থনৈতিক health ৷ সে চায় খুব চায় তার পিতার মুখে একপলকের স্থায়ী তার জন্য গর্বের ছটা দেখতে ৷ সে চায় সর্বদা হাসির চেয়ে দীর্ঘশ্বাস চাপা মায়ের মুখে প্রানখোলা হাসি দেখতে ৷ ছোট ভাইদের প্রয়োজন মেটাতে ৷ এক নির্দিষ্ট সাধিকার সাধনার বিপরীতে আশীর্বাদ বওয়াতে ৷ যাহার শারীরিক, মানসিক আরো বহুমুখী সেবায়, সাধনায় The Khulna University এর স্নাতক ডিগ্রিরূপী আসমানী কিতাব তাহার উপর নাজিল হইয়াছে ৷ সে নারী তুচ্ছ নয় , যে Embedded হয়ে গেছে ৷ হারাইতে না চাইলে তাকে হারাইতে সে দেবে না ৷ সে অলস হইলেও দৌরাইতেছে এবং প্রতিবন্ধকতা টপকানোর হাত পাকা করিতেই রাজধানীতে আসিয়াছে ৷ শিক্ষা সমাপনের তাগাদা আছে, আছে ঢাকায় ঠিকানা তৈরির প্রয়োজনীয়তা ৷ আত্নীয়তা মধুর সম্পর্ক যাহা খারাপ অবস্থায় practice করিলে দূষিত হইয়া যায় ৷ যতই purified/modified করা হউক না কেন ঢাকার পানির মতো নিশ্চিন্তে পান করার উপায় থাকে না ৷ সমবয়সী, সহপাঠী, সহকর্মী, আত্নার আত্নীয়ের পিতাশ্রীর যৌক্তিক দুশ্চিন্তাতো ঘাড়ে ফোড়া ৷ তার তাড়া আছে যা শুধু তার অন্য কারো নয় ৷ সে সাধ্যমতো সাধনারত অবস্থায় ৷ হয়তো কোন এক কাঙ্খিত সংবাদের আশায় ৷ সবই ভালো সময়টাই যা একটু খারাপ ৷ সে ভাবে ৷
সে ভাবে সে জয়ী হবে, সে পারবে তাকে পারতেই হবে ৷ ঈশ্বর তাকে সাধারনের মাঝে মোটামুটি উন্নত জাতের হলুদ পদার্থ দান করিয়াছেন ৷ আচ্ছা এই ব্যবস্থায় হলুদ পদার্থে কি কাজ হয় ? যদি হয় তবে তার টা কি সে যা আশা করে সেই দরের ? সে এখনও তা জানে না ৷ তবে খুব শিঘ্রীই জানবে ৷
সে ভাবে আর ভাবে ৷ নিজের উন্নয়ন করতে হবে ৷ পরিবারের উন্নয়ন করতে হবে ৷ এলাকার উন্নয়ন করতে হবে ৷ উফ মনুষ্য আয়ুষকাল এত কম কেন? তার এত অর্থাভাব কেন? সবাই এত গরীব কেন? তারা এত ধনী কেন? DOHS গুলো এমন কেন? বস্তিগুলা তেমন কেন? জানোয়ারদের নিঃশাস এত বিষাক্ত কেন? অসহায়ের দল এত বেশী অসহায় কেন? সে ভাবে ৷ অপেক্ষার ঘড়ি এত স্লো কেন? ঢাকার আকাশ এত ঢাকা কেন? খুলনার আকাশ এত খোলা কেন? সে ভাবে ৷ খুলনাকে দেখতে মন চায় ৷ কিন্তু এখনও পরাজিত মুখ নিয়ে ফিরতে কষ্ট হবে ৷ কিন্তু exam যে খুলনায় ৷ সে ভাবে ৷ খুলনায় ফেরার পূর্বে কি সুসংবাদ আসবে ? সে জানে না ৷ চাকরিজীবী এক প্রিয় সিনিয়রের বাসার রান্নাঘরে বসে সে জানে বিষয়ঃ বাংলাদেশ বিষয়াবলী যাহা ২৭-০৩-২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৷ সে বিষয়ে প্রচলিত গাইডে লেখা মরমী সাধক লালন শাহ হরিশ্চন্দ্র নামের ঝিনাইদহের একটা গ্রামে, কুকুর related মাসের ১ তারিখ ১১৭৯ বঙ্গাব্দ এবং তাহার জন্মের ২১৭ বছর পূর্ব খ্রীস্টাব্দের জন্ম নেয়া তথ্য সমৃদ্ধ সদ্য সমাপ্ত করা টীকার মোটামুটি মুখস্থ করা কথাগুলো ৷ যদিও তা কতক্ষন মনে থাকবে তা তার জানা নাই ৷ নাহ সে আর ভাবিবে না ৷ সে তার ঘুমরত সিনিয়রের বিছানা ছাড়িয়া রান্নাঘরের কোনায় মশার কামড় খাইয়া রাত্রি এই প্রহরে ভাবিতে বসে নাই ৷ সে পরিবে ৷ পরীক্ষা সন্নিকটে, বিশাল পাঠ্যসূচী ৷ সময় অপ্রতুল ৷ কি জানি এই সময় তার মনে হয় ফিজিক্সটা মনে থাকলে সমুদ্রের ধারে কাছে না যাইয়াও এই রাত্রিতে সমুদ্রের গভীরতা মাপার সপ্নে পাওয়া তাবিজ অবশ্যই পাইয়া যাইত ৷ অন্য কেউ কি তারমতো এমন ভাবে সে জানে না ৷ নাহ সে পরিবে ৷ বিষয় বাংলাদেশ বিষয়াবলী ৷ যা সে তার আপাতত আবাসস্থল মামার বাসা হইতে ভাইয়ের বাসায় আসিবার সময় বগলদাবা করে এনেছে ৷ যে পুস্তক পাঠ করিলে বাংলাদেশ বিষয়াবলী লিখিতে, পড়িতে ও বলিতে পারা যায় তাই সে পড়িবে ৷ নিদ্রিত ভ্রাতার নিদ্রার ব্যাঘাত না ঘটাইয়া ৷ সে পড়িবে ৷ শয়তানের কাঠিগুলো শেষের পথে পড়া হইতেছে না ৷ হুদাই আর সে আর ভাবিবে না ৷ সুদীর্ঘ ছয় মাস অথবা ততোধিক সময় অপেক্ষা শেষে তাদের সময় হইয়াছে ৷ সে আর কিছুই ভাবিবে না ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×