
বিবাহিত কোন পুরুষ বা মহিলার, বিবাহ বহিঃভূত অন্যকোন
পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেম বা অনৈতিক যে কোন সম্পর্ককে
পরকীয়া বলে। এটি সামাজিক ভাবে অত্যন্ত ঘৃণিত, আইনগত
ভাবে অবৈধ এবং ইসলামের দৃষ্টিতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে পারিবারিক কলহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং বিভিন্ন
সামাজিক অপরাধের নেপথ্যের কারণ এই পরকীয়া প্রেম।
আধুনিক সমাজে এটি খুবই পরিচিত এবং মারাত্নক আতঙ্কের
একটি নাম। যার যের ধরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে পারিবারিক
কলহ, খুন-গুমের মত বিভিন্ন অপরাধ। আর এইঅপরাধ
প্রবণতার ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে বাড়ছে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে
সন্দেহপ্রবণতা এবং স্বাভবিকতই পালাচ্ছে দাম্পত্য সুখ নামক
বস্তুটি।
পরকীয়া প্রেমের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়- নৈতিক
মূল্যবোধের অবনতি, ভিনদেশীয় অপসংকৃতির অবাধ প্রদর্শণ
এবং ধর্মীয় সুশাসনে সমাজ পরিচালিত না হওয়া। একটা সময়
দারিদ্রের চরম কষ্ট সত্ত্বেও বাঙালি পরিবারগুলোতে সুখের
কোন ঘটতি ছিলো না কিন্তু আজ দারিদ্রসীমা অতিক্রম করেও,
পারিবারিক অশান্তি আর অ-সুখের ছায়ায় ছেঁয়ে যাচ্ছে অধুনিক
পরিবারগুলো। তাই এখনই সময় এই মারাত্নক আতঙ্কের কবল
থেকে সমাজকে রক্ষা করার।
বিশ্লেষণ মতে, পরকীয়ার আগ্রাসণ থেকে সমাজকে রক্ষা করার
জন্য ধর্মীয় সুশাসণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নৈতিক মূল্যবোধের
উন্নয়ণ, জন সচেতনতা এবং কঠোর সামাজিক আইন
গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও
পারবারিক ভাবে পর্যাপ্ত সময় কাটানো,পরিবারের সদস্যদের
নিয়ে বেড়াতে যাওয়া, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠাণগুলোতে
সকলের আড্ডা দেওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে শক্ত পারিবারিক
বন্ধণ তৈরি করে সামাজিক এই ব্যাধিটিকে রোধ করা সম্ভব।।
লেখাটি সম্পূর্ণ আমার নিজের বিশ্লেষন, অনুধাবন আর ক্ষুদ্র মস্তিস্কের উপলব্ধি মাত্র। তাই এটি দ্বারা কারো অনুভুতি অাঘাত প্রাপ্ত হলে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা করবেন।
লেখাস্বত্ত্বঃ হাবিব রহমান।
ঢাকা, বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

