*আমি যদি বলি মেয়েদের বাইরে বের
হলে অবশ্যই পর্দা করতে হবে। তাহলে
আমি নারীকে শুধু ভোগ্যপণ্য ভাবি।
* যদি বলি মেয়েদের পর্দা করা বাধ্যতা
মূলক করতে হবে। তাহলে আমি মেয়েদের
স্বাধীনতা চাই না!
* যদি বলি অশালীন পোষাক (টিশার্ট,
জিন্স, টপ) নয় শালীন পোষাক পড়ে
মেয়েদের রাস্তায় বের হওয়া উচিত।
তাহলে আমি আনস্মার্ট, ক্ষ্যাত!
* আমি যদি বলি মেয়েদের লাঞ্চিত
হওয়ার পিছনে মেয়েদের অর্ধনগ্ন
চলাফেরা দায়ী। তাহলে আমি লুচ্চামির
সার্টিফিকেট দাতা!
* আমি যদি দাবী করি যারা মেয়েদের
ধর্ষণ করে ,লাঞ্চিত করে তাদের
ইসলামী আইন অনুযায়ী পাথর মেরে
হত্যা করা হোক। তাহলে আমি
মৌলবাদি, জঙ্গী ও বর্বর!
ইসলাম মেয়েদের আগে পুরুষকে পর্দা
করতে বলে। দৃষ্টি অবনত রাখতে বলে।
কিন্তু বর্তমান যুগে ছেলে মেয়েদের
যে উগ্র চলাফেরা করে তাতে দৃষ্টি
অবনত রাখাটাও সম্ভব না। বিশেষ করে
মেয়েদের যা অবস্থা। এমন কাপড় পড়ে
যেনো শরীরের প্রতি ইঞ্চি মাপ বুঝা
যায়। ডানে থাকান এই অবস্থা, বামে
থাকান একি অবস্থা, সামনে থাকান
তাও সেম, পিছে থাকান তারপরেও রক্ষা
নাই। যখন ডানে বামে সামনে পিছে
কোথাও থাকানোর জায়গা নাই দৃষ্টি
অবনত রাখার সুযোগ নাই তখন কি আর
করা। ছেলেরা ঘর থেকে বের না হওয়ায়
ভালো। কারন আমরা মেয়েদের শালীন
পোষাক পড়ে সুন্দর করে চলাফেরা
করতে বললেই তো জঙ্গী ,মৌলবাদী
হয়ে যাচ্ছি।
তথাকথিত আধুনিক, মানবতাবাদি,
মডারেট মুসলিম দের কাছে প্রশ্ন।
কখনো কি শুনছেন কোন ভালো
চরিত্রবান ছেলের হাতে কোন মেয়ে
লাঞ্চিত হতে???
আমরা সব সময় দেখি তথাকথিত
আধুনিক, প্রগতিশীল, স্মার্ট ও সোনার
ছেলেদের হাতে মেয়েরা লাঞ্চিত হয়।
আবার সেইসব আধুনিক প্রগতিশীল
মানুষেরায় মেয়েদের বেপর্দায় রাস্তায়
নামার উৎসাহ দেয়। তারায় মেয়ে
স্বাধীনতা নিয়ে গলা ফাটায়। সেই
তারা মেয়েদের আজ পণ্য বানিয়ে টিস্যু
পেপারের মত ইউজ করছে। তারপরেও
তারা মানবতাবাদী, প্রতগতিশীল।
মেয়েদের বিবেক বুদ্ধি হাঁটুর নিচে থাকে
বলে প্রবাদ প্রচলিত আছে। কথাটা
আসলেই ঠিক।
ও হে গর্ভদ মেয়ের দল। কখন বুঝবি
নিজের ইজ্জতের মূল্য????
আর কত নিজেদের বাজারের ভোগ্যপণ্য
বানাবি???
আর কত লাঞ্চনার শিকার হলে
নিজেকে বদলাবি???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


