বুদ্ধভিত্তিক পঙ্গুত্ব অথবা মানসিক দাসত্বের কারনেই আমরা বিজাতীয় প্রথায় অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি ক্রমাগত। আমরা যতই আমেরিকা ইন্ডিয়াকে ঘৃণা করি না কেন ঘুরে ফিরে তাদের প্রোডাক্ট গুলোকেই গ্রহণ করি খুব উৎসাহ এবং তৃপ্তির সাথে। ওই দেশগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্তানেরা বাবা-মা'য়ের কোন খোঁজই রাখে না, তাদের আবার মা দিবস,বাবা দিবস !!
আচ্ছা,মুসলিম হিসেবে বাবা-মা'কে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার জন্য কি আদৌ কোন দিবসের প্রয়োজন আছে!! একজন ভালো মুসলিম মাত্রই বাবা-মা'কে ভালোবাসে, সে সবসময়ই তাদের সম্মান করে। বাবা-মা'কে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় কোন সময়ই কোন রকম ফ্লাকচুয়েশন হয় না। যারা বাবা-মা'কে একদিনের জন্য ভালোবাসে/ভালেবাসতে চায় তারাই এই দিবসের প্রবক্তা।
তাদের বাবা-মা'কে ভালবাসা আর শ্রদ্ধার জন্য এই একদিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমি জানি না এসব কর্পোরেট দিবসে আমাদের কর্পোরেট ভালবাসা বাবা-মা'য়ের জন্য কতটুকু বেড়েছে বা কে কি করেছেন। যাদের ভালোবাসার স্বরূপ উদঘাটিত হয় বাবা- মাকে বৃদ্ধ বয়সে হোম কেয়ার আর বৃদ্ধাশ্রম গুলোতে ফেলে আসার মাধ্যমে। এই দিবস নিয়ে সে সব দেশগুলোতেই বেশি মাতামাতি যেসব দেশের বড় একটি অংশ সত্যিকার অর্থেই তাদের পিতৃ পরিচয় নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান। আমরা মুসলমানরা কি তাদের মত? যদি নাই হই তাহলে এইসব দেশের একটি কালচার নিয়ে আমাদের কেন এতো মাতামাতি !!
আমরা মুসলিমরা আমাদের পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা যেন সেই সভ্যতার অনুকরণে না হয় যেই সভ্যতার লোকেরা জানেই না বাবা-মায়ের মর্যাদা কোথায়।
তা না হলে ওরা কেবল আমাদেরকে নাচাবার জন্যই একটা দিবস চালু করে দেবে ‘গার্ডিয়ান'স কিলিং ডে’ নামে যেটা পালন করতেও আমরা নিজেদেরকে পিছিয়ে রাখব না। নিশ্চয়ই মনে আছে, ‘এপ্রিল ফুল’ নামক দিবসটা চালু হয়েছে মুসলিমদের বোকামিকে চির স্মরণীয় করে রাখার জন্য।
আল্লাহ সকল মুসলিমকে এইসব দিবসের বিদ'আত থেকে বিরত রাখুন এবং এসব কর্পোরেট ভালবাসা আর ভন্ডামি আমাদের সমাজ থেকে দূর করার শক্তি দান করুন।
আমিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



