প্রতিটি জাতীয় ঘটনাবলীতে রাজশাহী মহানগরী ইতিহাসের বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ অভূত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে স্বাবলীলভাবে পুষ্ট করার জন্য যত আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে তাতে রাজশাহীবাসীর অবদান অবিস্মরণীয়। শহীদদের প্রাণগুলোকে অক্ষয় করে রাখা ও তাদের বিশাল কর্ম ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মহানগরীর বিভিন্ন বিদ্যাপীঠ ও সবুজ ভূমির বিভিন্ন স্থানে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়ে আছে অনেক শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্য।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ ঃ
Rajshahiরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে এই বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত। এটি নির্মাণের জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক ১৯৯৮ সালে সরকারের নিকট সুপারিশ করেন। তারপর পরবর্তী উপাচার্য প্রফেসর এম সাইদুর রহামন খান ১৯৯৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে ১৩টি স্মৃতিসৌধ স্থাপনের জন্য যে প্রকল্প গ্রহণ করে তার আওতায় এই প্রকল্পটিও গৃহীত হয়। ১৬.১২.০৪ তারিখে দৈনিক সোনালী সংবাদে প্রকাশিত তথ্যানুসারে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য ১৬.১২.২০০০ তারিখে উপাচার্য এম. সাইদুর রহমান খান ভিত্তি প্রস্তার স্থাপন করেন। ১৪.১২.০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, ২২.১২.০২ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষায়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন করেন। ২৬.০৯.০৫ তারিখের দৈনিক নতুন প্রভাতের তথ্যানুসারে ২১.১২.০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালার সিনিয়র প্রদর্শন অফিসার দিলরুবা খানম ১৮.১০.০৫ তারিখে প্রদত্ত তথ্যানুসারে এই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তি প্রস্তর করেন ১৬.১২.২০০০ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর এম. সাইদুর রহমান খান, ১৪.১২.০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী ও ২১.১২.০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী ডঃ রেদোয়ান আহমেদ। উপরোক্ত তথ্য থেকে বলা যেতে পারে ১৬.১২.২০০০ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলেও প্রকৃত নির্মান কাজ শুর হয় ১৪.১২.০২ তারিরখ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার কমপ্লেক্স ঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসন ভবনের পূর্বে অবস্থিত এই শহীদ মিনার কমপ্লেক্সটি রাজশাহীর অন্যতম স্থাপত্য কীর্তি। শহীদ মিনারটি ২ লাখ ৯ হাজার বর্গফুট বা চার একর ভূমিতে ১২ ফুট উঁচু ৬ কোণা প্লাটফর্মের উপর ৫৬ ফুট লম্বা ৪ টি স্তম্ভ দিয়ে তৈরি। শহীদ মিনার কমপ্লেক্সে আরো আছে উন্মুক্ত মঞ্চ, শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটিরিয়া, আকর্ষনীয় ফুলের বাগান ও ১৮ হাজার বর্গফুটের সবুজ চত্বর। শহীদ মিনারের পটভূমিতে আছে বিখ্যাত শিল্পী মুতর্জা বশীরের ৩২১৬ ফুটের এক বিশাল ম্যুরাল। শিল্পী ফনীন্দ্র নাথ রায়েরও একটি ম্যুরাল আছে। অমর ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে ১৯৬৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাতারাতি শহীদুল্লাহ কলাভবনের দক্ষিণে আমবাগানের মধ্যে শহীদ মিনার তৈরী করেছিলেন। আব্দুল হামিদ, আব্দুর রাজ্জাক, বায়েজিদ আহমেদ, সমসের আলী, আহসানুল করিম, ওমর ফারুক, সেলিমুজ্জামান, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম আব্দুল হাই, সাইদুর রহমান, একরামুল হক খুদি, নজরুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান সুজা, প্রভাত কুমার প্রমুখ ছাত্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
ও ভাস্কর্য ঃ
প্রতিটি জাতীয় ঘটনাবলীতে রাজশাহী মহানগরী ইতিহাসের বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ অভূত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে স্বাবলীলভাবে পুষ্ট করার জন্য যত আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে তাতে রাজশাহীবাসীর অবদান অবিস্মরণীয়। শহীদদের প্রাণগুলোকে অক্ষয় করে রাখা ও তাদের বিশাল কর্ম ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মহানগরীর বিভিন্ন বিদ্যাপীঠ ও সবুজ ভূমির বিভিন্ন স্থানে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়ে আছে অনেক শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্য।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ ঃ
Rajshahiরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে এই বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভটি অবস্থিত। এটি নির্মাণের জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক ১৯৯৮ সালে সরকারের নিকট সুপারিশ করেন। তারপর পরবর্তী উপাচার্য প্রফেসর এম সাইদুর রহামন খান ১৯৯৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে ১৩টি স্মৃতিসৌধ স্থাপনের জন্য যে প্রকল্প গ্রহণ করে তার আওতায় এই প্রকল্পটিও গৃহীত হয়। ১৬.১২.০৪ তারিখে দৈনিক সোনালী সংবাদে প্রকাশিত তথ্যানুসারে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য ১৬.১২.২০০০ তারিখে উপাচার্য এম. সাইদুর রহমান খান ভিত্তি প্রস্তার স্থাপন করেন। ১৪.১২.০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, ২২.১২.০২ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষায়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন করেন। ২৬.০৯.০৫ তারিখের দৈনিক নতুন প্রভাতের তথ্যানুসারে ২১.১২.০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালার সিনিয়র প্রদর্শন অফিসার দিলরুবা খানম ১৮.১০.০৫ তারিখে প্রদত্ত তথ্যানুসারে এই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তি প্রস্তর করেন ১৬.১২.২০০০ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর এম. সাইদুর রহমান খান, ১৪.১২.০২ তারিখে উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী ও ২১.১২.০২ তারিখে প্রতিমন্ত্রী ডঃ রেদোয়ান আহমেদ। উপরোক্ত তথ্য থেকে বলা যেতে পারে ১৬.১২.২০০০ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলেও প্রকৃত নির্মান কাজ শুর হয় ১৪.১২.০২ তারিরখ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার কমপ্লেক্স ঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসন ভবনের পূর্বে অবস্থিত এই শহীদ মিনার কমপ্লেক্সটি রাজশাহীর অন্যতম স্থাপত্য কীর্তি। শহীদ মিনারটি ২ লাখ ৯ হাজার বর্গফুট বা চার একর ভূমিতে ১২ ফুট উঁচু ৬ কোণা প্লাটফর্মের উপর ৫৬ ফুট লম্বা ৪ টি স্তম্ভ দিয়ে তৈরি। শহীদ মিনার কমপ্লেক্সে আরো আছে উন্মুক্ত মঞ্চ, শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটিরিয়া, আকর্ষনীয় ফুলের বাগান ও ১৮ হাজার বর্গফুটের সবুজ চত্বর। শহীদ মিনারের পটভূমিতে আছে বিখ্যাত শিল্পী মুতর্জা বশীরের ৩২১৬ ফুটের এক বিশাল ম্যুরাল। শিল্পী ফনীন্দ্র নাথ রায়েরও একটি ম্যুরাল আছে। অমর ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে ১৯৬৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাতারাতি শহীদুল্লাহ কলাভবনের দক্ষিণে আমবাগানের মধ্যে শহীদ মিনার তৈরী করেছিলেন। আব্দুল হামিদ, আব্দুর রাজ্জাক, বায়েজিদ আহমেদ, সমসের আলী, আহসানুল করিম, ওমর ফারুক, সেলিমুজ্জামান, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম আব্দুল হাই, সাইদুর রহমান, একরামুল হক খুদি, নজরুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান সুজা, প্রভাত কুমার প্রমুখ ছাত্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


