
গত ৮ ডিসেম্বর প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষা ব্যাপক জালিয়াতি করে ডিভাইজ পার্টি ছিল কেউ কেউ ধরা খেয়েছে। বেশি সংখ্যক বাঙালি চালাক চোরা বুদ্ধির কাছে ডিভাইজ পার্টি ধরা খায়নি। এত পরিমাণ টিভিতে খবর প্রচার হয়েছে।জালিয়াতি চক্রের সদস্য নিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করেনি। আপনি প্রমাণ চাইলে ইউটিউব সার্চ দিলে ১ম ধাপের জালিয়াতি লিখলে পেয়ে যাবেন।
গতকাল শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২য় ধাপের অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ইউটিউব দেখলাম জালিয়াতি এবং ডিভাইজ পার্টিদের কিছু সংখ্যক গ্রেপ্তার করেছে। জালিয়াতি চক্র তো আর এত ছোট নয়? এদের হাত অনেক লম্বা। তাহলে তাহলে এটা হলো তাদের ব্যবসা কথা হচ্ছে, তারা তো এক দুই জনের নিয়ে ব্যবসা করে না।
তাহলে প্রশাসন কতজন গ্রেপ্তার করেছে সেটা হলো দেখার বিষয়।
আর প্রথম ধাপে যদি পরীক্ষা বাতিল করতো এবং প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতো বিশেষভাবে।
তাহলে ২য় ধাপের কৌশল এবং অর্থের বাঁশ খাওয়ার ভয়ে আর লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে।
এটা কেন করা হলো না?
প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জালিয়াতি ইউটিউব খবর সমূহ
যমুনা টিভির সম্প্রচার
্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র
নাগরিক টিভি সংবাদ ১ম ধাপের।
দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা জালিয়াতি এবং ডিভাইজ খবর সমূহ
ডিবিসি খবর জালিয়াতি খবর।
দেশ সংবাদ জালিয়াতি খবর।
কালবেলার জালিয়াতি খবর।
শিক্ষক নিয়োগ জালিয়াতির খবর।
এটা কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা? এবং বাংলাদেশ।
এটা কি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ?
এটা কি শিক্ষা অধিদপ্তর ব্যবস্থাপনা?
এটা কি দেশের মানুষ শান্তি?
বিসিএস পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে হতে পারলে এটা কেন পারবে না? সেটা সরকারের বিসিএস নিয়োগ প্রতিষ্ঠান।
বাকি গুলো এটা কি দেশের বাইরে নাকি? এটাতে সুষ্ঠু হতে পারে না?
সরকারের একদিকে নজর দিলে হবে শিক্ষা খাতে এবং
শিক্ষক নিয়োগ অন্য নিয়োগ পরীক্ষা দিকে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কোথায়?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৪:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


