
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী প্রবেশ করতে শুরু করছে। বাংলাদেশ বলছে মানবিক সাহায্য করছে। কিন্তুু এটা কি আসলেই মানবিক? মানবিক যদি হয় তাদের ফেরত পাঠায় তাহলে সেটা কি মানবিকতা রক্ষা হবে। যারা সামরিক সেনা প্রবেশ করছে তাদের দেশে গেলে শাস্তি দেবে। এখন কথা হচ্ছে তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বলেছে তাদের নৌ রুটে ফেরত দেবে।বিশ্ব মানবধিকার সংস্থা উপর হস্তক্ষেপ করা যেতে পারে কি না? আপনি কি মনে করেন? বাংলাদেশ সরকার বলছে ফিরিয়ে দেবে। মনে করি মিয়ানমার সেনা ফিরিয়ে না দিয়ে বিশ্ব মানবধিকার সংস্থা কাছে ওদের হস্তক্ষেপ করা যেতে পারে কিনা? এই সেনাদের কি করলে ভালো হবে আপনি মনে করেন?
একটু পেছনে ফিরলে দেখা যায়, গেল জানুয়ারিতে দেশটির সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রায় ৩০০ সদস্য। একজন কর্নেলের নেতৃত্বে ৩৬ কর্মকর্তা এবং বাকিরা নিচু পদের সেনা। গেল ২৩ জানুয়ারি তাদের মধ্যে ১৮৪ জনকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। বাকিদেরও পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। দ্যা ডিপ্লোম্যাটের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শান প্রদেশে লড়াইরত বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণ করায় গত ২০ জানুয়ারি ছয়জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে শাস্তি দিয়েছে মিয়ানমার জান্তা। নাইপিদোতে সামরিক আদালতে এদের তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সেনাদের কীভাবে কোথায় রাখা হবে। তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া কী হবে–এসব নিয়ে প্রশ্ন ছিল নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কাছে। চিঠি চালাচালি, আলোচনা যা-ই হোক, যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পরামর্শ তাদের।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


