বাড়ির পাশের ডেমনা কাইশ্যা শিক্ষক নামে জ্ঞানীগুণী,
চরিত্র যে আদিখ্যেতা তলে তলে ষোলআনী।
কেমনে হলো কাইশ্যায় শিক্ষক বুঝে কিছু যার উঠে না
সবকিছুতো হতে পারে এটা যে ভাই দেশের সোনা।
কম্পিউটার অফিস ছিল ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করে,
নেকামিতে রাজী হলে কম টাকাতেই ভর্তি করে।
চোখ গুলো যে টেরিয়ে চায় ব্যাঁকা করে লাঠা লাঠা,
কাইশ্যা রে ভাই কাইশ্যা যে নয় চালাক চতুর।
কাইশ্যা এখন শিক্ষক হলো কাইশ্যা এখন ভদ্র সাধু,
কাইশ্যার বাপে কাইশ্যা কে কয় তুমি আমার সোনা জাদু।
মাথায় আমার আসে না আর কেমন করে পাশ করছে??
নিজের ঘরে পড়ার একটা বই পাবে না হাতের জোরে।
লোকমান ভাইয়ের থেকে শুনি কাইশ্যা ছিল প্রশ্ন ফাঁসে
নিবন্ধনে জালিয়াতির শিক্ষক হয়ে ভেটকি হাসে।
বাড়ির পাশে কদু মিয়া গাঁজা টানতো ঝোপঝাড়ে,
বাপে তারে চিল্লায় পাঠায় হাতে পায়ে বেঁধে জোরে।
কদু এখন শিক্ষক হলো মাথায় কিছু ধরে না ভাই।
কবিতার উদ্দেশ্যঃ এবং আমার সততা্য দাবি, স্বাধীনতার চেতনায় রক্তের দাবি। নিয়োগ চাকরি এবং অন্য যে কোনো চাকরি হওয়ার পর সুপারিশ কৃত পদায়ন করা ব্যক্তির একটা মনিটরিং করা উচিত -
চাকরি টা কি লিগ্যাল ভাবে পাইছে ? না কোন দুর্নীতির থেকে পাইছে..
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৮:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



