somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বুবু-আপার বার্তালাপ (কল্পিত)

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আপাঃ কেমন আছেন বুবু?
বুবুঃ এইতো আপা। আপনারা যেমন দোয়া করছেন।

আপাঃ গতরাতে নাকি আলসারের ব্যথা বেড়ে গিয়েছিলো আপনার? বাড়বে নাইবা কেন সারাদিন দেশের জন্য ছুটোছুটি। নাওয়া-খাওয়ার নাই ঠিক। এই বয়সে এত অনিয়ম করলে কি চলে।

বুবুঃ নাহ আপা। এখন বেশ ভালো আছি। বসে থাকি কি করে বলেন। কত বড় দায়িত্ব ঘাড়ে। আমার অনিয়ম হলেও দেশের তো হতে দিতে পারিনা। আমার কথা বাদ দিন। আপনিও কি কম করছেন। ডায়াবেটিকের রোগী হয়েও এক মূহুর্তের বিশ্রাম আছে আপনার। সকালে এ জ়েলা তো বিকেলে ওই জ়েলা। আজ এ দেশ তো কাল ওই।

আপাঃ আর লজ্জা দিবেন না বুবু। কিইবা করলাম আর দেশের জন্য। আপনার দেশ চালানোর কষ্ট একটু হলেও যদি কমে আমার কারণে তাহলেই আমি স্বার্থক।

বুবুঃ তা ভাই, আপনার ছেলেও কিন্তু কম যায়না। আজকালের তরুণদের একটা আদর্শের বড় অভাব ছিলো। আপনার ছেলে সে অভাব ঘুচিয়েছে। আর দিনে একবার হলেও তার এই বুড়ি খালার খবর নেবেই। অনেক দোয়া করি জীবনে অনেক বড় হোক।

আপাঃ ছোটবেলা থেকেই তো ওর খালু আর বাবার আদর্শে মানুষ। তরুণদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন ওর। আপনার দোয়া খুব প্রয়োজন ওর বুবু। যাই বলেন না কেন, আপনার ছেলে বিদেশে আমাদের মাথা উঁচু করে রেখেছে। শিক্ষা-দীক্ষা, চলনে-বলনে এরকম ছেলের মা হওয়া শত জন্মের ভাগ্য। ওকে মুখে তুলে খাইয়েছি কতদিন হয়ে গেলো। বিদেশে কি খায় না খায় ছেলেটা। এবার এলে আমার কাছে ক’দিন রেখে দিবো বুবু। আপনি কিন্তু না করতে পারবেন না।

বুবুঃ না করবো কেন আপা। ওতো আপনারও ছেলে। আপনার হাতের লাউ-চিংড়ির কি ভক্ত সে। বলে আমি কেন আপনার মতো রাধঁতে পারিনা। এবার আমাকে শিখিয়ে দেবেন। দেখি পাগলটা খেয়ে কি বলে।

আপাঃ ওহ বুবু, কথায় কথায় ভুলেই গিয়েছিলাম আপনাকে বলতে। গতকাল গোলাম ফোন দিয়েছিলো। ওরা চায় এবার ওদের সাথে জোট বাঁধি। এমন রাগ উঠলো মুখের উপর ফোনটা রেখে দিলাম। সেক্রেটারিকে বলে দিয়েছি ওদের ফোন আসলে যাতে আমাকে না দেয়।

বুবুঃ ভালো করেছেন আপা। আর আমাকে তো স্বৈরাচার টা অস্থির করে রেখেছে জোট করার জন্য। আজ এটা পাঠায় তো কাল ওটা। সেদিন দিলাম বিশাল ঝাড়ি। লজ্জাও নেই লোকটার।

আপাঃ একদম উচিত শিক্ষা দিয়েছেন বুবু। এদের জন্য কোন সহানুভূতি দেখানোর দরকার নেই।

বুবুঃ আপা আজ রাখি। এক্ষুনি বিজিবির সাথে বসতে হবে। বিএসএফ বেশি বাড়াবাড়ি করছে।
আপাঃ ঠিক আছে বুবু। আমিও এখন মেডিকেল যাবো টাঙ্গাইলের মেয়েটাকে দেখতে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিদায়, বিদায় প্রিয় যুক্তিবাদী

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

বিদায়, বিদায় প্রিয় যুক্তিবাদী

পীরজাদা আলহাজ্ব মাওলানা মীর মো. হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী। ছবি: সংগৃহীত

মানুষের জীবনে কিছু কণ্ঠ থাকে, যেগুলো শুধু শব্দ নয়; হৃদয়ের ভেতরে ঢুকে আলো জ্বালিয়ে দেয়। বাংলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব নারী দিবস- তাসনীম আফরোজ ইমি শ্রদ্ধা

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫১


আজ ছিল বিশ্ব নারী দিবস....পড়ছিলাম Chromosomal Determination of Sex.....খুবই ইন্টারএস্টিং বিষয় যেখানে বর্ণনা দেওয়া আছে কিভাবে সন্তান বাবা-মায়ের ডিএনএ ৫০%-৫০% পায়। কিন্তু এক জায়গায় বাবা কিছুই দিতে পারে না... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে

লিখেছেন অর্ক, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩



আমার একটি অভিজ্ঞতা বলছি। বেশ ক'বছর আগে ইরানি ফুটবল দল বাংলাদেশে টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছিলো। খেলেছিলো বাংলাদেশের সাথেও। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হয়েছিলো খেলা। সরাসরি দেখেছিলাম। সে এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা। ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতির জোয়ার: টাকা আসবে কোথা থেকে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০২


ক্ষমতায় বসার এক মাস পেরোতে না পেরোতেই নতুন সরকার একের পর এক ঘোষণা দিয়েই যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার কালপুরুষ আর আমাদের মাঝে নেই।

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০১

সেই ২০০৬ সাল থেকে বাংলা ব্লগের শুরুর সময়টা থেকে তিনি ছিলেন আমাদের আড্ডার প্রাণকেন্দ্র। প্রথম অফলাইন আড্ডাগুলি হত তারই সাথে। সময়ের চাপে আমাদের দেখা হত না হয়ত কিন্তু মনে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×