somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিকাশ অ্যাপ দিয়ে লেনদেন সহজ কিন্তু একটু রিস্কি নয় কি?

২৪ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাসলিমার বসবাস। তাসলিমার স্বামী এক সন্তানসহ তাসলিমাকে রেখে সদ্য পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশে স্বচ্ছলতার আশায়। অনেকের কাছ থেকে অনেক টাকা পয়সা ঋণ করে সে বিদেশ যায়। বিদেশে ব্যস্ততার জন্য সে প্রতিনিয়ত ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারে না তাই সে তার ক্যাম্পের পাশের অনেক ব্যবসায়ীর মাধ্যম দিয়ে দেশে তার বউ তাসলিমার কাছে টাকা পাঠায়। ব্যবসায়ীরা একটি নাম্বার নিয়ে তারা দেশে ফোন করে নাম্বার দিয়ে বিভিন্নভাবে গ্রাহকের একাউন্টে টাকা পাঠায়। তাসলিমা বিকাশ সম্পর্কে খুব একটা জানেনা। সে পাশের গ্রামের বাজার থেকে মাঝে মাঝে গিয়ে টাকা তুলে আনে, ফোনটি দোকানির হাতে দিয়ে পিন নম্বরটি দোকানিকে বলে দোকানদার ফোন টিপাটিপি করে টাকা দিয়ে দেয়।
তাসলিমা এবার তার বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছে। তাসলিমার মোবাইলে দশ হাজার টাকা আসে তার স্বামী তাকে ফোন করে জানায় টাকা টা তুলে তাসলিমার বাবার থেকে নেওয়া টাকার কিছু পরিমাণ দশ হাজার টাকা যেন দিয়ে দেয়। তাসলিমা তার বাবার বাড়ির পাশের এক দোকানে ফোন নিয়ে যায় টাকা তোলার জন্য কিন্তু দোকানী ফোন হাতি নিয়ে চেক করে দেখে তাসলীমার মোবাইল থেকে টাকা কেউ ক্যাশ আউট করে নিয়েছে কেননা দোকানী ক্যাশ আউটের এসএমএস দেখে। দোকানী তাসলিমাকে জিজ্ঞেস করে টাকা কবে এসেছে, তাসলিমা আজই এসেছে জবাব দেয় কিন্তু সে বলে আমিতো কোথাও টাকা উঠায় নি, আমি বিকাশ ভালমতো বুঝিও না। দোকানীর জিজ্ঞাসায় জানতে পারে তাসলিমার গ্রামের পাশের বাজারের দোকানদার পিন নম্বর জানে এবং দোকানী ধারণা করে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে তাসলিমার নম্বর লগিন করা আছে যখন টাকা এসেছে তখন দোকানদার অ্যাপ এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট করে নিয়েছে। তাসলিমা চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়।

** রকিম গ্রামে বসবাস করেন। ব্যবসায়িক কাজে মাঝে মাঝেই বিকাশে তার বড় বড় লেনদেন হয়। গ্রামের দোকান থেকে সে লেনদেন করে সে নিজে বিকাশ সম্পর্কে আহামরি বুঝেনা, টাকা তুলতে গেলে দোকানী ক্যাশ আউট করে নেয়। হঠাৎ করেই জরুরী কাজে তার ঢাকা যাওয়া লাগে, সে বেশ কিছু টাকা বিকাশের মাধ্যমে বহন করে এবং ঢাকার একটি দোকান থেকে ক্যাশ আউট করে। ঢাকায় ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে সে এবার একটু ব্যাতিক্রম পায়। দোকানী তার ফোন হাতে রেখে অন্য ফোনে কি যেন করে এবং তার পিন নম্বরটি চাই সাথে সাথে তার মোবাইলে একটা ম্যাসেজ আসে সেটা দেখে দেখে দোকানী তার মোবাইলে তুলতে থাকে। রকিম বুঝতে পারেনা ব্যাপারটা কি ঘটছে, কেননা গ্রামের দোকানদার তো এমন কিছু করে না, বরং তার মোবাইলেই কি মি টিপে টাকা বের করে দেয়। রকিম টাকা তুলে জরুরী কাজ সেরে ঢাকা থেকে চলে আসে। 10/15 দিন পর রকিমের মোবাইলে টাকা পাঠিয়ে একজন ফোন করে রকিমের প্রাপ্ত টাকা পাঠিয়েছে যেন সে তুলে নেয়। রকিম এর জরুরী না থাকায় সে আরও কয়েকদিন পর যায় গ্রামের দোকানে টাকা তুলতে কিন্তু গ্রামের দোকানদার মোবাইল চেক করে বলে সে তার টাকা তো ক্যাশআউট হয়ে গিয়েছে, জবাবে রকিম বলে আমিতো ঢাকায় টাকা তোলার পর আর কোথাও টাকা উঠায় নি। রকিম একটু ভাবনার মধ্যে পড়ে যায়, দোকানদার রকিম কে জিজ্ঞেস করে আর কেউ পিন নম্বর জানে কিনা, রকিম দোকানদার কে সেই নতুন সিস্টেম এ টাকা তোলার ব্যাপারটা বলে তখন দোকানদার ব্যাপারটা বুঝতে পারে যে অ্যাপ এর মাধ্যমে রকিমের টাকা টা ঢাকায় ক্যাশ আউট হয়ে যায়। রকিম চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়।

বিঃদ্রঃ নিজে ক্যাশ আউট করা শিখুন এবং লেনদেনের ব্যাপারে সচেতন হউন, বিকাশ সম্পর্কীয় কোন ম্যাসেজ এলে নিজে না পড়তে পারলেও কাউকে দিয়ে পড়িয়ে নিন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:০৮
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অথচ সবার আগে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত ছিল পানিকে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৫


তারেক রহমান এখন চীনে আছেন। গতকাল বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষ করলেন। তিস্তা নদীর জন্য কারিগরি সহায়তা চাইলেন, নদীভাঙন ঠেকানোর উপায় খুঁজলেন, এমনকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোসাইপুর ১৯৭১

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৫০



জুন মাসের পড়ন্ত বিকেল, ভ্যাপসা গরমে আগন্তুক ঘেমে একাকার। গায়ে ময়লা হাফ শার্ট আর নীল ফুলপেন্ট। শার্টের রঙ কোনো এক সময় হয়তো সাদা ছিলো, ময়লা হতে হতে এখন প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিউইয়র্কের ডায়েরী: ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া থেকে লং-আইল্যান্ড

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৫৪


আমাদের সামার ভেকেশন চলছে এখন। প্রায় তিন মাসের ছুটি। এই ছুটিতে বসে না থেকে নিউইয়র্কের একটি ন্যাশনাল ল্যাবে জয়েন করলাম ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে! গবেষণা করে যে পৃথিবীকে উদ্ধার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

×