নিউজ: "আমেরিকার ইউস্টনে শিশুসন্তানকে গাড়িতে আটকে রেখে নাইট ক্লাবে গেলেন মা”
বছর পাঁচেক আগের কথা,
আমার এক পুরনো শুভাকাঙ্খী, অনলাইনের না দেখা প্রেমিকা আর কি। আমাকে ঈদের আগের দিন রাত ১০টায় ফোন করে বলে,
> জানটু সোনা ঘুমাচ্ছো?
> এইতো শুইছি মাত্র, তুমি?
> আমিও শুলাম। জান, আমার না শরীরটা একটু খারাপ, তোমাকে পরে ফোন দেই?
> OK, ঘুমাও তাহলে, সকালে কল দিও।
> দেরী হলে টেনশন কোর না, কেমন…
> হুম ঠিক আছে।
> লক্ষীটি রাখি তাহলে…
> আচ্ছা, bye
> baaaaaaye, ummaaaa…
তারপর টানা ২০ দিন কোন খরব নাই, ফোন অফ, অনলাইনেও আসে না। টেনশন বাড়তে লাগলো, কারন ওর সাথে দেখা হয়নি, ওর বাসাও চিনি না, কিভাবে খরব নেই কি হল..
যাক, ২০ দিন পরে ফোন করে সে
> হ্যালো
> এতদিন কই ছিলে??? ফোন অফ ছিল কেন?? তোমার শরীরের কি অবস্থা??
> বলছি বলছি, টেনশন করার কিছু নাই।
> কি হইছে?
> তোমাকে শেষ ফোন দিয়ে বলেছিলাম না শরীর খারাপ, আসলে আমি ঠিক ছিলাম। ঐদিন রাতে একটা DJ party ছিলো, মিস করতে চাই নি, তাই চলে গেছি। তুমি এসব পছন্দ করবা না, তাই বলিনি।
> তুমি রাত ১১টায় গেলা পার্টিতে??
> শয়তান চাপছিল মাথায়, আর কাজিনরা জোর করাতে আম্মুও যেতে দিছে।
> এইটা কি ঠিক হল? ঈদের আগের রাত, আর এত দিন ফোন অফ কেন?
> ওখানে গিয়ে শাস্তিও পেলাম তোমকে মিথ্যা কথা বলাতে, নাচতে গিয়ে পা মচকিয়ে গেছে!
মুই মনে মনে আসতেআছিলাম (meaning: আমি মনে মনে হাসছিলাম)
>তারপর থেকে টানা হসপিটালে ছিলাম কিছুদিন, তারপর বেড রেস্ট। লজ্জায় তোমাকে ফোন দিতে পারিনি।
এই হচ্ছে মোগো দেশের ডিংকাচিকা অবস্থা!
দেশরে দেশ, তুইতো শেষ!
আমারিকার কথা আর কি কইতাম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




