জীবনটা আসেলই একমুঠো ধুলো ছাড়া আর কিছু নয়, তারপরও মানুষ ভালোবাসে। দুনিয়াতে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ বিয়োগ হচ্ছে, সমপরিমাণ নব্য শিশুরাও যোগ হচ্ছে। ধুলোকে আশ্রয় করেই মানুষ স্বপ্ন বীজ বোনে। জলসিঞ্চন করে।
সন্তান সেই সিঞ্চিত জলে বড় হয়। বাবা-মা'র কাছে আমি জানি না সন্তানের চাইতে আর প্রিয় কিছু আছে কি না! সেই
সন্তান যখন অসুস্থ হয়! অনেক পিতা তার জীবনের বিনিময়ে স্রষ্টাকে বলেন সন্তানের অসুখ ভালো করে দিতে। মায়েদের কথা আর নাই বা বললাম -তারা সন্তানের জন্মই দেন নিজের জীবনকে বাজি রেখে। ছবিতে আমাদের তুমিনকে দেখা যাচ্ছে। কোনো বাচ্চা এত ইন্টেলিজেন্ট হতে পারে, হতে পারে এত সুন্দর তুমিন হবার আগে আমরা কেউ জানতাম না। চিপস কে যে চিপু বলা যায় খুব সুন্দর করে বুঝিনি তো! খালামণি তোমার পাছু আছে? এই একমাত্র বাজে শব্দ ওর ভান্ডারে। স্কলাস্টিকায় গল্প লিখে প্রাইজ পেয়েছে আমাদের তুমিন এই বয়সেই। ওর বয়স কত? সাত পেরোলো। আমাদের তুমিন কি আর থাকবে না? আমাকে বয়সের সব দ্বিধা ভুলে 'লোচন' বলে কেউ ডাকবে না? মুখ গম্ভীর করে কে জিজ্ঞেস করবে - তুমি কেন বিয়ে করেছো? তুমি তো আমার ফ্রেন্ড, ছোট। কিভাবে বিশ্বাস করি ওর 'লিউকেমিয়া'? বিশ্বাস হয় না।
শুধু দোয়া চাই। আপাতত অন্য কোনো সাহায্য নয়। আমাদের তুমিনের জন্যে একটু প্রার্থনা করবেন প্লীজ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



