somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাতিয়াকে নিয়ে রাজনীতি নয়, চাই হাতিয়ার জন্য রাজনীতি

২২ শে আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাতিয়াকে নিয়ে রাজনীতি নয়, চাই হাতিয়ার জন্য রাজনীতি

মুহাম্মদ কেফায়েতুল্লাহ

বাংলাদেশের সর্বদেিণ নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগর বিধৌত মেঘনা উপকুলবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জনপদ বৃহত্তর হাতিয়া। জলজ সম্পদ, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ আর বিস্তীর্ণ ফসলী জমির সম্ভারে সমৃদ্ধ হাতিয়া আজো মাছে ভাতে বাঙ্গালীপনাকেই জাগরুক রাখার ভূমিকা পালন করছে। সেই সাথে আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান, শিা সাহিত্যের ক্রমবিকাশের মাধ্যমে পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার সাথেও তাল মিলিয়ে যাচ্ছে হাতিয়া। তবুও অপার সম্ভাবনার এ জনপদ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিতই রয়ে যাচ্ছে। এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, সর্বস্তরের হাতিয়াবাসী রাজনৈতিক পদ্ধতিকেই দায়ী করে যাচ্ছেন। হাতিয়ার জন্য রাজনীতি করছেন, নাকি হাতিয়াকে নিয়ে রাজনীতি করছেন? এমন প্রশ্নবানে জর্জরিত হাতিয়ার রাজনীতিবিদরা।
নোয়াখালী-৬, হাতিয়া আসন হতে সবচেয়ে বেশীবার জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এক সময়কার বিএনপি নেতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম। বিগত সংসদে জাতীয় আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে কথা বলতে বলতে অসংখ্যবার মিডিয়ার প্রধান সংবাদে স্থান করে নিয়ে একজন হিরো হয়ে যান এ নেতা। অনেক মন্ত্রীর চেয়েও বেশীবার এবং বেশী সময় ধরে ফোর পেয়ে নানান কথা বলার সুযোগ পেলেও হাতিয়ার এই নেতা হাতিয়ার সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য কোন কথাই আলোকপাত করেননি মহান জাতীয় সংসদে। দু’একবার যা বলেছেন তাও বেশীরভাগ কোন পকে দস্যু আখ্যায়িত করে তিনি হাতিয়াকে একটি দস্যু জনপদ হিসেবে পরিচিত করে তুলেছেন আর প্রতিপকে ঘায়েল করার আনন্দ উপভোগ করেছেন। এছাড়া কয়েকবার নিজের নির্বাচনী এলাকায় না আসতে পারার অজুহাত স্বরূপ অতিশয় নগন্য কিছু লোকের প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরে সংসদে কৌতুকের খোরাক হয়েছেন তিনি। অবশ্য জাতীয় সংসদে তাঁর প্রথম বক্তব্য থেকে শুরু করে কয়েকটি বক্তব্যে আজীবনের জন্য জাতির এ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের নাম রেকর্ড করার খ্যাতির গৌরব অর্জন করে কিছু ছেঁচড়া চোর। এদিকে জাতীয় রাজনীতির পট পরিবর্তনের সাথে সাথে পূর্বেকার অর্জনের রুগ্ন অবস্থাকে বিচার বিশ্লেষণ করে এবারের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম প্রার্থী হন নাই। এমনকি উপজেলা নির্বাচনেও নিজের রাজনৈতিক বলয় থেকে কাউকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেন নাই। এসব কারণে তিনি জাতীয়তাবাদী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের মননে বিতর্কিত নির্বাচন বর্জনকারী একজন বিপ্লবী নেতা হিসেবে ফুটে ওঠার পাশাপাশি বোনাস স্বরূপ ঈদ পার্বনে হাতিয়াবাসীকে ধরা দিতে গিয়ে খামাখা পয়সা নষ্ট করার অপ্রিয় কাজটি থেকে বিরত থাকার একটা মোম সুযোগ তিনি পেয়ে গেছেন। বাণিজ্যিকভাবে দেশের একজন গণনযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তাঁর সকল কাজে লাভ-লোকসানের গাণিতিক বিশ্লেষণ আছে। সেই গাণিতিক সূত্র মতে এবারের ঈদ পার্বনে হাতিয়ায় আসা আর ফিতরা যাকাত দেওয়ার মাধ্যমে কিছু বিনিয়োগ করার পর সেই বিনিয়োগের আদৌ কোন সুফল ঘরে তোলা যাবে কি না তার কোন নির্দিষ্টতা না থাকায় তিনি এবার ফিতরা যাকাতের বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থেকে ব্যবসায়িকভাবে লোকসানের হাত থেকে বেঁচেই গেলেন। এদিকে হাতিয়ার কিছু হতদরিদ্র সহজ সরল মানুষ ঈদে নতুন শাড়ী-কাপড় পরার জন্য ভিড় জমাতে গিয়ে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত গভীর আগ্রহে বসে থাকার প্রয়োজন হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বেশীরভাগ হতদরিদ্র গৃহিনী সারাদিন আজিম সাহেবের বাসার সামনে বসে থেকে অবশেষে রাতে দেড়-দুইশত টাকা দরের ‘যাকাতের শাড়ী’ নামক ট্র্যাডিশনাল শাড়ীটি নিয়ে যখন বাড়ী ফিরল তখন দেখল উপোষ থেকে যেই দুইটি হাঁস পালন করে প্রতিদিন একটি করে ডিম পেত তার মধ্যে নারী হাঁস (হাঁসী)টি তার আসার আগেই শেয়ালের পেটে চলে গেছে। তখন সেই দরিদ্র গৃহবধুটি আজিম সাহেবের মত বাণিজ্যিক হিসাব করে দেখেনা যে দুইশত টাকার শাড়ীর অপো করতে করতে সে চারশত টাকার সম্পদ হারিয়ে ফেলেছে। আর এ কারণে আজিম সাহেবের দণিার দিন শেষে রাতে প্রত্যেকটি এলাকায় আজিম সাহেবের দেওয়া নতুন শাড়ী পরা অবলা নারীদের স্বামীর হাতে নির্মম ধোলাইয়েরও শিকার হতে হয়েছে। গর্ভবতী অসহায় দরিদ্র মা মাত্র একটি শাড়ীর আশায় শত শত লোকের ভীড়ে অপোর প্রহর গুণতে গুণতে অবশেষে মানবেতরভাবে প্রসব সম্পন্ন করেন। অথচ আজিম সাহেব রাজনৈতিক বাণিজ্যিক হিসাব না করে পারতেন এলাকা ভিত্তিক লোক সেট করে দিয়ে তাঁর এসব যাকাতের শাড়ী বিলি করতে। তাহলে বারবার অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির শিকার হতোনা অসহায় মানুষগুলো। অবশ্য তিনি কাকে বিশ্বাস করবেন? তিনি একজন প্রভাবশালী জাতীয় নেতা পর্যায়ের ব্যক্তি হলেও একান্ত সততা আর নিষ্ঠাবান কোন নেতাকর্মী তৈয়ার করতে পারেননি। যার পরিণতি তাঁকে ভোগ করতে হয়েছে তাঁর ছেলের বিয়ের জিয়াফত অনুষ্ঠানের গরু মাংস বেপাত্তা হওয়ার মধ্য দিয়ে।
আমাদের হাতিয়ার আরেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি যিনি শুধু একা নন তাঁর অগ্রজ এবং তাঁর অনুজরা সহ তিনি হাতিয়ার বিশাল নেতৃত্বের অবস্থান দখল করেছিলেন আনুমানিক তিন দশক ধরে। তিন দশকের সমৃদ্ধ রাজনৈতিক একচেটিয়া মাঠ তিনি কোন কাজে ব্যবহার করেছেন, বয়সন্ধিকালে হয়তো এ হিসাব মিলানো অনেক কঠিন কাজ হয়ে যাবে তাঁর জন্য। একনিষ্ঠভাবে এ জনপদের মাটি ও মানুষের জন্য কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ কিংবা বাস্তবায়ন করার কোন নজির তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নাই। তবে যে জিনিসটি প্রশংসার সাথে সবাই স্বীকার করতে বাধ্য সেটি হচ্ছে একজন রিকসাওয়ালাও তাঁর কাছ থেকে কথা বলার, হাঁটা চলার আদব সম্পর্কে শিনীয় বানী অথবা অন্তত (শিা?)টুকু পেয়েছেন। ইউ.পি সদস্যরা যেখানে বিচারের জন্য চৌকিদার/গ্রাম পুলিশ ব্যবহার করেন সেখানে তিনি এসব লোকদের শিা দিতে নিজের স্বীয় হস্ত ব্যবহার করেছেন। বিগত পিরিয়ডে সারা হাতিয়ায় একের পর এক রক্তয়ী সংঘর্ষ, সহিংসতার পেছনে তাঁর যেসব সতীর্থ বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তারা সবাই আজ কোন অজানা কারণে চির শত্র“র চাদরের নীচে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন। ফলতঃ এখন হাতিয়া আর উত্তপ্ত হয়না, হঠাৎ করে বাজারের দোকানের শার্টার গ্যার..র..র..ত করে নেমে যায়না, ধর-ধর, মার-মার, ওমা বাঁচাও এসব অনাকাঙ্খিত আতঙ্কঝরা শব্দমালা আর শোনা যায়না। সাংবাদিকদের লেখনিতে আর রক্ত ঝরেনা। পত্রিকার কাটতি বাড়েনা। এসব অভাবে হাতিয়া আজ খুবই একরোখা হয়ে উঠেছে। বৈচিত্র নেই কোথাও।
৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হাতিয়ার ইতিহাসে বিচিত্র রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। হাতিয়ার রাজনীতিতে ৭০ দশকের পর থেকে সরকার দলীয় কোন সংসদ সদস্য ছিলনা। ফলে হাতিয়ার উন্নয়নের পেছনে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল বিরোধীদলীয় প্যানেলে থাকায় বরাদ্দ পাশ করানোর জায়গা জাতীয় সংসদে কথা বলার ফোর পেতনা হাতিয়ার সংসদ সদস্য। আর এবার হয়েছে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। সরকার যে দলের এমপি সে দলের। আবার মাঝে মধ্যে শোনা যায়, আমাদের বর্তমান সংসদ সদস্য নাকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খুব আদরনীয়া। অপরদিকে হাতিয়া উপজেলা পরিষদের তিনজন প্রতিনিধিই মতাসীন দলীয় সংসদ সদস্যের প্যানেল থেকে নির্বাচিত। এদের কেউই পূর্বেকার প্রথামত বিরোধীদলীয় অবজ্ঞা বা বিমাতা সুলভ আচরণের দোহাই দিলে চলবেনা। হাতিয়ার বর্তমান সংসদ সদস্য একজন মহিলা। সে দিক দিয়েও বলতে হয় নারী মতায়নের যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে সে জোয়ারের তোড়ে হাতিয়া উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাবে। চারদিকে যত সমস্যা সবগুলো ব্যাপারে জাতীয় সংসদে কথা তুলতে হবে। এ সরকারের মেয়াদেই হাতিয়ার উল্লেখযোগ্য সমস্যাগুলোর সমাধান করাতে হবে। হাতিয়ার রাজনীতিতে বর্তমান সংসদ সদস্য যদিও পুরান হন তবুও জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এ প্রথম হাতিয়ার রাজনীতির মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ লিটন হাতিয়ার রাজনীতি জগতে একজন নতুন মুখ। তাদের দু’জনকে দিয়ে পূর্ববর্তী নেতাদের তুলনা করে দেখছে হাতিয়ার আম জনতা। সুতরাং যাচাই বাচাইয়ে টিকে উঠতে না পারলে আগামীদিনে পূর্ববর্তী নেতাদের ভাগ্য বরণ ছাড়া আর কোন উপায় থাকবেনা। বিশেষতঃ উপজেলা চেয়ারম্যান সুমিষ্টভাষী এবং বাগ্মী লোক হিসেবে সর্বমহলে আলোচিত হয়ে উঠেছেন। এ বাগ্মিতা যেদিন যোগ্যতায় প্রতিফলিত হবে সেদিনই তার জনপ্রিয়তা হয়ে উঠবে অপ্রতিরোধ্য। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ হাতিয়ায় বিদ্যুতের একটি জেনারেটর ইঞ্জিন স্থাপন হওয়ার কথা তিনি সর্বস্তরে বলে আসছেন, আগামী বছরের মধ্যেই হরেন্দ্র মার্কেটস্থ নতুন উচ্চ মতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হওয়ার সম্ভাবনা তিনি ব্যক্ত করে যাচ্ছেন, হাতিয়ার প্রধান সড়ক উন্নয়নের জন্য প্রায় সতের কোটি টাকার প্রকল্প শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি, এছাড়া শিাখাতে, মৎস্যখাতে, চিকিৎসাখাতে উন্নয়ন করা সহ নদীভাঙ্গন রোধে কার্যকরি উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তার বিভিন্ন জনাকীর্ণ আলোচনায় জানা যায়। কিন্তু বাগ্মী লোকেরা নাকি ঘটানোর চেয়ে রটানোতে ফটিয়শী। তাই দেখানো সব স্বপ্ন যেন বাস্তবায়িত হয় সে ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। হাতিয়ার রাজনীতিতে আরেক নতুন মুখ বিএনপি সভাপতি শিল্পপতি আলাউদ্দিন। আবু সুফিয়ান পেয়ারু’র শোচনীয় পরাজয়ের পর প্রকৌশলী ফজলুল আজিম হাতিয়া বিএনপি’র ত্রাণকর্তা হিসেবে আগমন করে বিএনপি’র জন্য একটি উর্বর মাঠ সৃষ্টি করেছেন। তার ছিটকে পড়ার পর থেকে অদ্যাবধি হাতিয়ার বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঝিবিহীন তরীর যাত্রীর মত অজানা গন্তব্যের দিকে ছুটে বেড়াচ্ছে। এমনি সময়ে বিএনপি’র আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা যখন শাখাওয়াত হোসেন শওকতের পরাজয়ের মাধ্যমে নিমিশেই অন্ধকারের মাঝে ডুবে গেছে, সেই অন্ধকার থেকে বিএনপিকে আবার আলোকিত করে তুলতে পারবেন কি না এই শিল্পপতি? বিএনপি সহ অঙ্গসংগঠনগুলোকে গুচিয়ে তুলতে অনেক বেশী মানসিক পরিশ্রম করতে হতে পারে। হাতিয়ার জাতীয়তাবাদী শক্তিদের অভিজ্ঞ কিছু লোক জানান, একটি ভুল তিনি করতে পারেন আর তা হলো বিভিন্ন স্তরের কমিটি পূনর্গঠনে যোগ্য লোকদেরকে সংস্কারপন্থী নামক অভিযোগে বাদ দিতে পারেন কিংবা অন্তত এমনভাবে পদায়িত করবেন যাতে তারা ভাবতে পারে এ পদে না থেকে বহিস্কার হওয়া অনেক ভাল হত। আর এ ধরণের ভুল যদি আলাউদ্দিন করেন তাহলে হাতিয়ার রাজনীতির পিচ্ছিল মাঠে তিনি দৌড়ানো তো দূরের কথা, পড়ে গেলে উঠে দাঁড়াবার সুযোগটুকুও পাবেন না বলে ধারণা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের।
পরিশেষে হাতিয়ার রাজনীতিতে নতুন পুরান মিলে সকল নেতৃবৃন্দ আরেকটু সচেতন হলে হাতিয়া একটি সমৃদ্ধ অত্যাধুনিক শান্তিপ্রিয় জনপদে রূপান্তরিত হতে পারে।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার সোভিয়েত শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১





বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?

রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।

তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।

আমার সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ভালোবাসার কাব্য=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১১


মন পিঞ্জরে করবো বন্দি, পালাবি আর পাখি?
জানিস কী তুই তোকে নিত্য, নজরবন্দি রাখি!

স্বাধীন ডানায় উড়িস ঘুরিস, আমায় দূরে ফেলে,
আমারও তো ইচ্ছে লাগে, উড়ি ডানা মেলে!

মনের ভিতর ঘূর্ণি তুফান, বেসুরো সুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×