আমার এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম।
পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষকতা করে। শিক্ষকতা পেশা তাঁর কাছে কেমন লাগে প্রশ্নটির জবাবে সে সদা হাস্য একজন মানুষ। বন্ধুটি রসিকও বটে!
তো তাঁর শিক্ষকতা জীবনের অনেক সুখে দুঃখের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে সে খুব মজার দুটি ঘটনা বলেছে আমাকে।
সে ৭ম শ্রেণির কৃষিশিক্ষা খাতা কাটতেছিল। মৎস্য চাষ নিয়ে যেকোন একটি প্রশ্নে এক ছাত্র লিখেছে, মাছেরে রেগুলার সকাল সইন্ধ্যা আদার ( নোয়াখাইল্য আঞ্চলিক শব্দ। গৃহপালিত পশু/পাখির খাবার অর্থে শব্দটি ব্যবহৃত হয়) দিতে হয়। তা না হলে মাছ বলে না(বড় হয় না)।
আরেকবার সমাজ খাতা কাটছিল সে। সামাজিক পরিবর্তন সম্বন্ধীয় এক প্রশ্নের উত্তরে এক ছাত্র লিখেছিল, শীত কালে সামাজিক পরিবর্তন হয়। কারন এসময় গায়ে তেল মাখতে হয়। গায়ে তেল থাখলেই সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব। গরম কালে সামাজিক পরিবর্তন হয় না। কারন এসময় শরীরে তেলের বদলে ঘাম থাকে। আর ঘামের দুর্গন্ধে সামাজিক পরিবর্তন বিলুপ্ত হয়।
এই দুটো ঘটনা শুনে আমিতো পুরোই হাস্কিভূত!!!
বন্ধুরে বললাম, তোর ২য় ছাত্রটাতো আসলেই ক্রিয়েটিভ।
সে জবাব দেয়, আমরাতো এইরকম ক্রিয়েটিভ। তেল যেভাবে আমাদের সমাজের পরিবর্তন ঘটাইতেছে। আমার কি মনে হয় জানিস?
কি?
বাংলাদেশে পারফিউম আমদানি বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। সবাই যখন তেল মাখা শুরু করব, তখন দেখবি সমাজের কি পরিবর্তন হয়!!!
হা হা হা.…
ঐ দুষ্ট বন্ধুর কাছ থেকে আরও কিছু ঘটনা সংগ্রহ করে রেখেছি। সময় করে আরেকদিন লিখব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



