somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জানাজা করার নিয়ম

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৬:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

==জানাযা নামাজ পড়িবার নিয়ম
(যারা জানেন না, তাদের জন্য)==
নিয়মিত জানাযার নামাজ না পড়ার
কারণে অনেকেই নামাজের নিয়ম ঠিক মত
জানেন না। তাই তাদের জন্য এটা শেয়ার
করা হল।
মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাইয়া, কাফন
পরাইয়া তাহার মাগফিরাত ও
পরকালে মুক্তির জন্য কতক লোক
একত্র হইয়া যে নামায পড়িতে হয়,
তাহাকে জানাযার নামায বলে। এই নামায
মুসলমানদের উপর ফরযে কেফায়া অথাৎ
জানাযার সংবাদ শ্রবণকারী সকল
লোকের পক্ষ হইতেই ফরয আদায়
হইয়া যায়, আর কেহই আদায়
না করিলে প্রত্যেককেই গাণাহগার
হইতে হইবে।
লাশকে গোসল করাইয়া কাফন
পরাইয়া একটি প্রশস্ত পবিত্র
স্থানে খাটের উপরে উত্তর
শিয়রী করিয়া শয়ন করাইবে; তারপর
মৃতের যাবতীয় ঋণ ও দেনা ইত্যাদি শোধ
বা মাফ করাইয়া তাহার সন্তান বা অন্য
কোন ওলী ব্যক্তি নামাযের
ইমামতী করিতে মৃতকে সম্মুখে রাখিয়া তাহ
বক্ষ বরাবর দন্ডায়মান হইবেন। লাশের
ওলী নিজে ইমামতী না করিলে তাহার
অনুমতিক্রমে অন্য কোন পরহেজগার
আলেম ব্যক্তি ইমাম নিযুক্ত হইবেন।
ইমামের পিছনে মোক্তাদিরা তিন, পাঁচ
বা সাত এইরূপ বে-জোড়
কাতারে দাঁড়াইবে। এই নামায
দাঁড়াইয়া আদায় করিতে হয়, ইহাতে কোন
রুকু সিজদা বা বৈঠক ইত্যাদি নাই। এই
নামায বসিয়া পড়িলে শুদ্ধ হইবে না।
ইমাম ও মোক্তাগিণ একই
সঙ্গে নিয়া কাঁধ পর্যন্ত হাত
উঠাইয়া তাকবীরে তাহরীমা বলিয়া হাত
বাঁধিবে। ইহার পর ক্রমান্বয়ে আর ও
অতিরিক্ত তিনটি তাকবীর বলিতে হইবে,
তবে তাহাতে হাত উঠাইতে হইবে না,
বরং তাহরিমা বাঁধা অবস্থায় থাকিবে।
তাকবীর ইমাম এক শব্দ করিয়া উচ্চারণ
করিবেন আর
মোক্তাদিরা চুপে চুপে বলিবে।
অতিরিক্ত তাকবীর তিনটি বলিবার নিয়ম
এইরূপ প্রথম অর্থাৎ তাকবীরে তাহরীমার
পরে প্রত্যেকে (চুপে চুপে) ছানা পাঠ
করিবে। তারপর ২য় তাকবীর
বলিয়া (চুপে চুপে) দুরুদ পাঠ
করিবে (তাশহাহুদের পরে যে দরূদ পঠিত
হয়)। তারপর তৃতীয় তাকবীর বলিয়া সালাম
ফিরাইয়া নামাজ শেষ করিবে।
জানাযা নামাযের নিয়ত
ﻰَﻟﺎَﻌَﺗ ِﻪَّﻠِﻟ َﻯِّﺩَﻭُﺍ ْﻥَﺍ ُﺖْﻳَﻮَﻧ
ِﺓﻮَﻠَﺻ ِﺕﺍَﺮْﻴِﺒْﻜَﺗ َﻊَﺑْﺭَﺍ
ِﺔَﻳﺎَﻔِﻜْﻟﺍ ُﺽْﺮَﻓ ِﺓَﺯﺎَﻨَﺠْﻟﺍ
ﻰَﻟﺎَﻌَﺗ ِﻪَّﻠِﻟ ُﺀﺎَﻨَّﺜﻟَﺍ
ِّﻰِﺒَّﻨﻟﺍ ﻰَﻠَﻋ ُﺓﻮَﻠَّﺼﻟﺍَﻭ
ِﺖِّﻴَﻤْﻟﺍ ﺍَﺬَﻬِﻟ ُﺀﺎَﻋُّﺪﻟﺍَﻭ
ِﻡﺎَﻣِْﻻﺍ ﺍَﺬَﻬِﺑ ُﺖْﻳَﺪِﺘْﻗِﺍ
ِﺔَﺒْﻌَﻜْﻟﺍ ِﺔَﻬِﺟ ﻰَﻟِﺍ ﺎًﻬِّﺟَﻮَﺘُﻣ
ُﺮَﺒْﻛَﺍ ُﻪَّﻠﻟَﺍ ِﺔَﻔْﻳ ِﺮَّﺸﻟﺍ -
উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন
উয়াদ্দিয়া লিললাহে তায়ালা আরবাআ
তাকরীরাতে ছালাতিল জানাযাতে ফারযুল
কেফায়াতে আচ্ছানাউ
লিললাহি তায়ালা ওয়াচ্ছালাতু
আলান্নাবীয়্যে ওয়াদ্দোয়াউ লেহাযাল
মাইয়্যেতি এক্কতেদায়িতু বিহাযাল ইমাম
মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ
শারিফাতি আললাহু আকবার।
অনুবাদঃ আমি আললাহর
উদ্দেশ্যে জানাযা নামাজের চারি তাকবীর
ফরযে কেফায়া কেবলামুখী হয়ে ইমামের
পিছনে আদায় করার মনস্থ করলাম।
ইহা আললাহু তায়ালার প্রশংসা রাসূলের
প্রতি দরূদ এবং মৃত ব্যক্তির জন্য
দোয়া (আর্শীবাদ) আললাহ মহান।
নিয়তের মধ্যে অন্যান্য জামাতের
নামাযের নিয়তের ন্যায় ইমাম তাহার
অতিরিক্ত খাছ কালাম
(আনা ইমামুললিমান
হাজারা ওয়া মাইয়্যাহজুরু)
এবং মোক্তাদিগণ তাহাদের অতিরিক্ত
খাছ কালামটি পাঠ করিবেন।
(একতেদাইতু বেহাযাল ইমাম) আর
নিয়তের ‘লেহাযাল মাইয়্যেতি’
শব্দটি কেবল পুরুষ লাশের বেলায়
বলিতে হইবে, কিন্তু স্ত্রী লাশ হইলে ঐ
শব্দটির স্থলে ‘লেহাযিহিল মাইয়্যেতি’
বলিতে হইবে।
নিয়তের পরে ছানা পড়িতে হয়
َﻙِﺪْﻤَﺤِﺑَﻭ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ َﻚَﻧﺎَﺤْﺒُﺳ
ﻰَﻟﺎَﻌَﺗَﻭ َﻚُﻤْﺳﺍ َﻙَﺭﺎَﺒَﺗَﻭ
َﻪَﻟِﺍ َﻻَﻭ َﻙُﺀﺎَﻨَﺛ َّﻞَﺟَﻭ َﻙُّﺪَﺟ
َﻙُﺮْﻴَﻏ-
উচ্চারণঃ সুবহা-
নাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা,
ওয়া তাবারা কাসমুকা ওয়া তায়ালা জাদ্দুকা,
ওয়া জালল্লা ছানাউকা ওয়া লা-
ইলাহা গাইরুকা।
অনুবাদঃ হে আললাহ আমরা তোমার
পবিত্রতার গুণগান করিতেছি। তোমার
নাম মঙ্গলময় এবং তোমার
স্তুতি অতি শ্রেষ্ঠ, তুমি ব্যতীত আর
কেহই উপাস্য নাই।
ছানার পরে তাকবীর বলিয়া তাশাহুদের
পরের দরূদ পড়িতে হয়।
ﻰَﻠَﻋَﻭ ٍﺪَّﻤَﺤُﻣ ﻰَﻠَﻋ ِّﻞَﺻ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ
ﻰَﻠَﻋ َﺖْﻴَّﻠَﺻ ﺎَﻤَﻛ ٍﺪَّﻤَﺤُﻣ ِﻝَﺍ
ِﻝَﺍ ﻰَﻠَﻋَﻭ َﻢْﻴِﻫﺍَﺮْﺑِﺍ
ٌﺪْﻴِﻤَﺣ َﻚَّﻧِﺍ َﻢْﻴِﻫﺍَﺮْﺑِﺍ
ﻰَﻠَﻋ ْﻙِﺭﺎَﺑ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ -ٌﺪْﻴِﺠَّﻣ
ﺎَﻤَﻛ ٍﺪَّﻤَﺤُﻣ ِﻝَﺍ ﻰَﻠَﻋَﻭ ٍﺪَّﻤَﺤُﻣ
َﻢْﻴِﻫﺍَﺮْﺑِﺍ ﻰَﻠَﻋ َﺖْﻛَﺭﺎَﺑ
َﻚَّﻧِﺍ َﻢْﻴِﻫﺍَﺮْﺑِﺍ ِﻝَﺍ ﻰَﻠَﻋَﻭ
ٌﺪْﻴِﺠَّﻣ ٌﺪْﻴِﻤَﺣ
উচ্চারনঃ আললাহুম্মা সাললিআলা মুহাম্ম
কামা সাললাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা
আললাহুম্মা বারিক
আলা মুহাম্মাদিঁ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদি
কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা
অনুবাদঃ যে আললাহ! মুহাম্মদ
(সাললাললাহু আলাইহি ওয়া সাললাম)
এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর ঐরূপ
আশীর্বাদ অবতীর্ণ কর যেইরূপ
আর্শীবাদ হযরত ইব্রাহিম (আঃ)
এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর অবতীর্ণ
করিয়াছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন
এবং মহামহিম। হে আললাহ! মুহাম্মদ
(সাললাললাহু আলাইহি ওয়া সাললাম)
এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর সেইরূপ
অনুগ্রহ কর যেরূপ অনুগ্রহ ইব্রাহীম
(আঃ) এবং তাঁহার বংশধরগণের উপর
করিয়াছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসা ভাজন
এবং মহামহিম।
জানাযার দোয়া
ﺍَﻦِّﻴَﺤِﻟْﺮِﻔْﻏﺍ َّﻢُﻬَّﻟَﺍ
ﺎَﻧِﺪِﻫﺎَﺷَﻭ ﺎَﻨِﺘِّﻴَﻣَﻭ
ﺎَﻧِﺮْﻴِﻐَﺻَﻭ ﺎَﻨِﺒِﺋﺎَﻏَﻭ
ﺎَﺜْﻧُﺍَﻭ ﺎَﻧِﺮَﻛَﺫَﻭ ﺎَﻧِﺮْﻴِﺒَﻛَﻭ
‘ﻪَﺘْﻴَﻴْﺣَﺍ ْﻦَﻣ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ ﺎَﻧ
ِﻡَﻼْﺳِْﻻﺍ ﻰَﻠَﻋ ِﻪِﻴْﺣَﺎَﻓ ﺎَّﻨِﻣ
ُﻪَّﻓَﻮَﺘَﻓ ﺎَّﻨِﻣ ُﻪَﺘْﻴَّﻓَﻮَﺗ ْﻦَﻣَﻭ
ﺎَﻳ َﻚِﺘَﻤْﺣَﺮِﺑ ِﻥﺎَﻤْﻳِْﻻﺍ َﻞَﻋ
َﻦْﻴِﻤِﺣﺍَّﺮﻟﺍ َﻢَﺣْﺭَﺍ -
উচ্চারণঃ আললাহুম্মাগফিরল
ি হাইয়্যেনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়া শাহীদিন
ছাগীরিনা ও কাবীরিনা ও যাকারিনা ও
উনছানা। আললাহুম্মা মান আহইয়াইতাহু
মিন্না ফাআহয়িহি আলাল
ইসলামী ওয়া মান তাওয়াফ ফাইতাহু
মিন্না ফাতাওয়াফ ফাহু আলাল ঈমান
বেরাহমাতিকা ইয়া আর হামার রাহীমিন।
অনুবাদঃ হে আললাহ্ আমাদের জীবিত ও
মৃত উপস্থিত ও অুপস্থিত বালকও বৃদ্ধ
পুরুষ ও স্ত্রীলোকদিগকে ক্ষমা কর।
হে আললাহ! আমাদের
মধ্যে যাহাদিগকে তুমি জীবিত রাখ
তাহাদিগকে মৃত্যু মুখে পতিত কর।
তাহাদিগকে ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ
করাইও। লাশ যদি নাবালক ছেলে হয়
তবে নিচের দোয়া পড়তে হবে।
َّﻭﺎًﻃْﺮَﻓ ﺎَﻨَﻟ ُﻪْﻠَﻌْﺟﺍ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ
ﺍًﺮْﺧُﺫ َّﻭﺍًﺮْﺟَﺍ ﺎَﻨَﻟ ُﻪْﻠَﻌْﺟَﺍ
ﺎًﻌِﻓﺎَﺷ ﺎَﻨَﻟ ُﻪْﻠَﻌْﺟﺍَّﻭ
ﺎًﻌَّﻔَﺸُﻣَّﻭ-
উচ্চারণঃ আললাহুম্মাজ
আলহুলানা ফারতাঁও ওয়াজ
আলহুলানা আজরাও ওয়া যুখরাঁও ওয়াজ
আলহুলানা শাফিয়াও ওয়া মুশাফ্ফায়ান।
অনুবাদঃ হে আললাহ! উহাকে আমাদের
জন্য অগ্রগামী কর ও উহাকে আমাদের
পুরস্কার ও সাহায্যের উপলক্ষ কর
এবং উহাকে আমাদের সুপারিশকারী ও
গ্রহনীয় সুপারিশকারী বানাও।
লাশ যদি নাবালেগা মেয়ে হয় তবে নিচের
দোয়া পড়তে হবে।
ﺎًﻃْﺮَﻓ ﺎَﻨَﻟ َﻪْﻠَﻌْﺟﺍ َّﻢُﻬَّﻠﻟَﺍ
ﺍًﺮْﺧُﺫ َّﻭﺍ ًﺮْﺟَﺍ ﺎَﻨَﻟ َﻪْﻠَﻌْﺟﺍَﻭ
ًﺔَﻌِﻓﺎَﺷ ﺎَﻨَﻟ ﺎَﻬْﻠَﻌْﺟﺍَّﻭ
ًﺔَﻌَّﻔَﺸُﻣَّﻭ-
উচ্চারণঃ আললাহুম্মাজ
আলহা লানা ফারতাঁও ওয়াজ
আলহা লানা আজরাঁও ওয়া যুখরাঁও ওয়াজ
আলহা লানা শাফিয়াও ওয়া মুশাফ্ফায়াহ।
অনুবাদঃ হে আললাহ! ইহাকে আমাদের
জন্য অগ্রগামী কর ও ইহাকে আমাদের
পুরস্কার ও সাহায্যের উপলক্ষ কর।
এবং ইহাকে আমাদের সুপারিশকারী ও
গ্রহনীয় সুপারিশকারী বানাও। দুইহাত
দুইপাশে ঝুলাইয়া ইমাম সাহেব
ডানে এবং বামে ছালাম ফিরাইবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×