চিত্কারের মাজেজা বুঝা গেল যখন টিচার স্নেহময় কন্ঠে ছেলেটির সাহায্যে এগিয়ে এসে বললেন ........ জামাল । তবে এই কাহিনী ...... তোতলা জামাল কিছু একটার রেজিস্ট্রেশন করল ।
বাসায় এসে অভিমানে ব্যাগ ছুড়ে মারে জামাল । আবৃত্তি প্রতিযোগিতার কথা শুনে মায়ের ঠোটের কোণে হাসির ঝিলিক ...এ যেন স্নেহময় মায়ের প্রতিচ্ছবি .....১২ বছরের তোতলা ছেলেকে নিয়ে তারপরও অসম্ভব স্বপ্ণ দেখেন ......... সবাইকে হারিয়ে তার তোতলা ছেলে জয় ছিনিয়ে আনছে।
"জানি তুমি পারবেই" ........ মায়ের মনের কথাটা শুনেই ক্লাইমেক্স জমে উঠে, সন্দেহ দানা বেধে উঠতে থাকে । মা কি করে জানলেন ?"বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপ জয় করেছে" ---এটাও বরং অনেক বেশি বাস্তবসম্নত ছিল ।
উপর থেকে বালতিতে পড়ছে সাদা গুড়ো এক ধরণের পাউডার , সাথে মায়ের মুখের অক্ ত্রিম হাসি । এই কি তবে তোতলামো দুর করার অব্যর্থ মহৌষধ ?...কেমন যেন রহস্যময় লাগে
বালতি থেকে বের হয়ে আসে সাদা ধবধবে জামা , সেই জামা গায়ে জামাল স্টেজে অনর্গল আবৃত্তি করে চলে .........
"মনে কর যেন বিদেশ ঘুরে ,
মাকে নিয়ে যাচ্ছো অনেক দূরে ,
তুমি যাচ্ছো পালকিতে মা চড়ে "।
চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বাসায় ফেরে জামাল ।কিন্তু জামালের মন অনেক খারাপ । মুখোমুখি হয় মায়ের ......"মা তুমি জেনেশুনেও এতগুলো বছর কেন আমায় কষ্ট দিলে ? কেন এতদিন পর হুইল পাউডার দিয়ে আমার জামা ধুয়ে দিলে ? জবাব দাও মা , জবাব দাও "
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




