সূত্র এইখানে
অভিনেত্রী থেকে সংসদ সদস্য। রাজ্যের ব্যস্ততা এখন কবরী সারোয়ারের। অভিনয় করা প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন। তবে বিশেষ কোনো চরিত্র হলে না করতে পারেন না। অনেকদিন পর অভিনয় করছেন রাজা সূর্য খাঁ ছবির মহারানি চরিত্রে। কবরী সরোয়ারের নতুন পরিচয় সংসদ সদস্য হলেও তিনি এখনো ভক্ত মনে নায়িকা কবরী হিসেবেই আসন পেতে আছেন।
সুভাষ দত্তের সেই সুতরাং ছবি থেকেই তিনি উপহার দিয়েছেন সাবলীল ও সুন্দর অভিনয়। গ্রামবাংলার আবহমান সহজ-সরল চরিত্র থেকে শুরু করে শহুরে দাম্ভিক চরিত্র, সর্বোতই তিনি অতুলনীয়। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেন এবং কাজ করে যাচ্ছেন মানুষের জন্য। কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছিলেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।
প্রিয় অভিনেত্রীকে আর নিয়মিত দেখতে পাচ্ছেন না তাঁরা। সম্প্রতি তিনি রাজা সূর্য খাঁ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরেছেন। গাজী মাহবুব পরিচালিত এ ছবিতে তিনি রাজা সূর্য খাঁ-এর স্ত্রী অর্থাৎ রানির চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই ছবি প্রসঙ্গে কবরী বলেন, গল্পটি প্রায় ৩০০ বছর আগের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
গল্পটি অনেক পুরনো হলেও বর্তমানের মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে কবরী সান্নিধ্য পেয়েছেন তাঁর সময়কার অভিনেতাদের। উজ্জ্বল, ববিতা, সোহেল রানা- এদের সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে কবরী ফিরে গিয়েছেন তাঁর পুরনো দিনগুলোতে। কবরী প্রথমে এই ছবিতে অভিনয় করতে রাজি ছিলেন না।
পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে অভিনয় করতে পারবেন, কিছুটা এই লোভেও তিনি সম্মতি জানিয়েছেন। ফ্লা. লে. (অব.) এস এ সুলতান প্রায় ৩৩ বছর গবেষণা করে রাজা সূর্য খাঁ গল্পটির চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এ গল্পটি শুনেছিলেন। কবরীর সম্মতির এটাও একটা কারণ।
চলচ্চিত্রের অনেকেই এ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু কেউই চলচ্চিত্র শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেননি। ব্যতিক্রম একমাত্র কবরী সারোয়ার। অন্তত চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট লোকজন তেমনটাই মনে করেন। তিনি প্রায়ই চলচ্চিত্রকর্মীদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং সুখে-দুঃখে তাঁদের পাশে থাকেন।
যেটুকু সময় পান চেষ্টা করেন চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন বয়স্ক শিল্পীকে নিজ উদ্যোগে দেখভাল করছেন। এ বিষয়ে কবরী বলেন, আমি একা মানুষ, কতটুকু সময় পাই, তা ছাড়া এত ব্যস্ত থাকি যে, সবদিকে লক্ষ করার সময় হয়ে ওঠে না। যেটুকু পারি চেষ্টা করি।
ক্ষমতায় থাকাকালীন যেন তিনি চলচ্চিত্রের জন্য কিছু আদায় করেন- এই চাওয়া চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের। কবরী সেটা জানেন এবং ধীরে সুস্থে সে ব্যবস্থাই করবেন বলে জানান। চলচ্চিত্রের কারিগরি সমস্যাসহ অন্যসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কাছে দাবি জানাবেন তিনি। পাইরেসি সংক্রান্ত যে ভয় সিনেমাকে গ্রাস করছে, তা থেকে পরিত্রাণের উপায়ও তিনি খুঁজছেন।
রাজনীতিতে গিয়েও একজন অভিনেত্রীর জন্য অভিনয়কে ভুলে থাকা কঠিন। মনের মতো গল্প ও চরিত্র পেলে মাঝে মধ্যে ক্যামেরার সামনে আসতে কোনো বাধা নেই। কারণ চলচ্চিত্রই আমাকে এত দূর নিয়ে এসেছে। অতএব চলচ্চিত্রের অবদানকে অস্বীকার করে অন্য কিছু স্বীকার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়- বললেন কবরী।
আলোচিত ব্লগ
পৃথিবীর বয়স ৪৫০ কোটি বছর

টাইটেল দেখে অনেকে ই বিশ্বাস করবে না। খোদ আমেরিকান চার্চের লোকজন কেই দেখেছি যে পৃথিবীর বয়স ৬০০০ বছর বলেই তাদের অন্ধ বিশ্বাস। ধর্মান্ধরা বিশ্বাস করুক আর না করুক, পারমানবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
নেশা
শুনেছি আফিমে নেশা হয়, নেশা হয় ধূমপর্ণীতে
মানুষে যে নেশা হয় তাতো জানা ছিলোনা।
একবার পেয়ে গেলে ঘোর ধরে যায়! বিভ্রম! মায়া! ধূম্রজাল! চোখ মেলে আর কিছু দেখা যায় না।
এ নেশা... ...বাকিটুকু পড়ুন
তোমার মুখের রেখা আঁকতে চেয়েছি।

রাতটি ছিল নিকোটিনে ভেজা
ধোঁয়ার ভেতরে তোমার অবয়ব হঠাৎ উধাও হয়ে গেল
চাঁদ তখন লাল আর ঠিক আমার ফুসফুসের মতোই ক্লান্ত।
তুমি আলো হয়ে রইলে, আমি অবাধ্য আলোর ফসিল
আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবনের গল্প!
অনেক দিন গল্প করা হয় না, আসুন, কয়েকটা গল্প করি! মুলত বাংলাদেশের প্রতিটা ধুলাবালুতেও গল্প আছে, একদিন সব লেখা হবে হয়ত, কেমন হল জানাবেন!
১।
আমার এক বন্ধুর কাছে আজ জানলাম,... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি ব্লগ - ছোঁয়া


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।