somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দোস্ত ভালো থাকিস...!!!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দোস্ত আমায় ক্ষমা করিস। তোকে দিন, সপ্তাহ এমনকি প্রতি মাসে ও একবার স্বরন করতে পারি না - তুই জানিস না দোস্ত, যতো দিন যাচ্ছে ততো বেশী ব্যস্ত হয়ে পরছি...তবুও এ ব্যস্ততার মাঝে বছরের বিশেষ একটি দিনে একবার হলে ও তোর কথা ভাবি । এবার বল, তুই কেমন আছিস ? তুই কি সেই আগের মতোই হাসিখুশি থাকিস ? জানিস দোস্ত, মাঝে মাঝে তোর উপর প্রচন্ড বিরক্ত হতাম, মন খারাপ হলেই তুই এমন কিছু করতি তাতে কারোরই সাধ্য নেই মন খারাপ করে থাকার ...!!! তোকে না দেখলে কেহই বুঝবে না, মানুষ এতো হাসিখুশি থাকে কিভাবে ...!!!! তোর আর আমার অনেক স্মৃতির ডাইরীতে ময়লা জমে গেছে... কিন্তু তোর মাল্টিভাইটামিন নাম টা আজও আমার হৃদয়ে দাগ কেটে আছে...তোর নাম মাল্টি ভাইটামিন কেন দিয়েছিলাম মনে আছে ?

কিরে মুচকি মুচকি হাসছিস বুঝি ? জানিস দোস্ত তোর একটা কথা আমাকে সব সময়ই ভাবায়, তুই মাঝে মাঝেই বলতি, "জগতের বেশীরভাগ মানুষই নিজেকে খুব চালাক ভাবে আর মনে করে আমি অন্য মানুষের সাইকোলজী বুঝতে পারি" - তুই ও মুচকি হেসে মিন মিন স্বরে বলতি, "আমরা সবাই কম বেশী সাইকো"। আমি তোর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, আমাকেও কি তোর সাইকো মনে হয় ? মনে পড়ে, কি উওর দিয়েছিলি ... তুই আমাকে বলেছিলি, আমি নাকি ভাবুক প্রকৃতির... যা আমার অসাধ্য তাই নিয়েও নাকি আমি সারাদিন ভাবতে পারি- সত্যিই বলেছিলি সেদিন - মাঝে মাঝে মনে হয় নিজের চুলগুলো টেনে ছিড়ে ফেলি ...তোর কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখেছি নতুবা এতোদিনে পাগল হয়ে যেতাম ।

মনে আছে ছোট বেলার সে ঘটনার কথা- তুই পাশের বাসার এক মেয়ের প্রেমে পড়লি- সোজা চলে এলি এক পৃষ্টা কাগজ নিয়ে- বায়না ধরলি, দোস্ত একটা প্রেমপএ লিখে দে...!!! কি লিখবো সেটা ভাবতে ভাবতে দিন যায়, রাত যায়...প্রথম চিঠি টা আমি তোকে কোন প্রকার তেল/ঘুষ ছাড়াই লিখে দিয়েছিলাম-কয়েকদিন পরে এলি মেয়ের চিঠির উওর লিখে নেবার জন্য... কিন্তু এবার বিধিবাম, আমি বেঁকে বসলাম অন্যবন্ধুদের অনুরোধে । শেষমেষ কিছু খরচপাতি করলি, কিন্তু শর্ত দিলাম । তুই লিখে নিয়ে আসবি আর আমি সেটা কপি করবো । আজও ভাবলে অবাক লাগে, মাএ কয়েকদিনেই কিভাবে তুই আমার হাতের লিখা হুবহু কপি করে ফেললি ? কয়েকদিন পরেই আমাদের টেস্ট পরীক্ষা শুরু হলো ... সবাই খুব সিরিয়াসলি পড়াশুনা করছি- মনে আছে, ভূগোল স্যার পরিক্ষার ২ দিন পরে সবার সামনে আমাকে বললো, আমি নাকি টেনে টুনে পাশ করেছি উনার সাবজেক্টে । স্যার চলে যাবার পরে তুই হাসতে শুরু করলি... আমার প্রচন্ড মন খারাপ আর তুই নাকি দিব্যি হাসতে লাগলি ? মনে হয়েছিলো, তোর গলা চেপে ধরি... খানিক পরে তুই আমাকে বললি, ঐটা তোর খাতা নারে দোস্ত, ঐটা আমার খাতা... জানতে চাইলাম, তুই এতো খারাপ করলি কিভাবে ? তোর কষ্টের হাসি দেখে ও বুঝতে পারিনি দোস্ত । সেদিনই ছিলো তোর হাসির শেষ দিন...ভাবিস না দোস্ত, আর কিছুদিন অপেক্ষা কর ... আমি ও আসবো আমাদের আপন ঠিকানায়...!!!
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দু'টি ছোট গল্প বলতে চাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৫



১। গ্রামের নাম রসুলপুর।
একেবারে সুন্দরবনের কাছে। অন্যসব গ্রামের মতোই একটি সহজ সরল সুন্দর গ্রাম। এই রসুলপুর গ্রামই আমাকে শিখিয়েছে কি করে পৃথিবীকে ভালোবাসতে হয়। মানুষকে ভালোবাসতে হয়। এই গ্রামের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলফোর রোড টু কাশ্মীর ! : সভ্যতার ব্লাকহোলে সত্য, বিবেক, মানবতা!

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

ফিলিস্তিন আর কাশ্মীর! যেন আয়নার একই পিঠ!
একটার ভাগ্য নিধ্যারিত হয়েছিল একশ বছর আগে ১৯১৭ সালে; আর অন্যটি অতি সম্প্রতি ২০১৯ এ!
বর্তমানকে বুঝতেই তাই অতীতের সিড়িঘরে উঁকি দেয়া। পুরানো পত্রিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চামড়ার মূল্য- মানুষ ভার্সেস গরু

লিখেছেন কাওসার চৌধুরী, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪


২০১০ সালের কথা; তখন পূর্ব লন্ডনের ক্যানরি ওয়ার্ফ (Canory Wharf) এর একটি বাসায় ক্লাস নাইনে পড়া একটি ছাত্রীকে ম্যাথমেটিকস্ পড়াতাম। মেয়েটির আঙ্কেল সময়-সুযোগ পেলে আমার সাথে গল্পগুজব করতেন। একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দাদীজান ও হ্যাজাক লাইট

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০



সময় ১৯৮০ এর দশক, প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের শেষ শুক্রবার আমার দাদাজানের মৃত্যুবার্ষিকী’তে বড় চাচা, আব্বা বেশ খরচ করে গ্রামবাসী ও আত্মীয় পরিজনদের খাবারের একটা ব্যাবস্থা করতেন, বড় চাচা আর আব্বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত কিছু সময়ে সামুতে যা যা হয়েছে, ব্লগারদের ওপর দিয়ে যা গিয়েছে, সেসকল কিছু স্টেজ বাই স্টেজ বর্ণনা!

লিখেছেন সামু পাগলা০০৭, ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৪



কনফিউশন: ধুর! কি হলো! ব্লগে কেন ঢুকতে পারছিনা? কোন সমস্যা হয়েছে মনে হয়, পরের বেলায় চেক করে যাব। বেলার পর বেলা পার হলো, সামুতে ঢোকা যাচ্ছে না! কি সমস্যা!... ...বাকিটুকু পড়ুন

×