somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রমজান হচ্ছে তাকওয়া অর্জনের মাস ৷ আসুন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য়, আর কি কারনে তাও জেনে নেই ৷

০৮ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৫:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই ছবিটা আমরা অনেকেই হয়তো ইন্টারনেট এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্লগ, ফেসবুক, টুইটার বা সোশাল-নেটোয়ার্কিং সাইট এর মাধ্য়মে দেখেছি ৷ আবার অনেকে হয়তো আজকে প্রথম দেখলাম ৷


এই ছবিটা দেখলে কি মনে হয় এই মুহূর্তে ?
একটা রুগ্ন বাচ্চা ছেলে কোন একজায়গায় বসে ক্ষুধার তাড়নায় কাতরাচ্ছে এবং ...... !!....?
হা ঠিক !
এটা এমন ই একটি ছবি যেটা খুব ই বিখ্যাত এই শুধুমাত্র এই মর্মান্তিকতার কারনে ৷
এই ছবিটি যিনি তুলেছেন তার নাম কেভিন কার্টার ৷তিনি ছিলেন দক্ষিন আফ্রিকার একজন পুরষ্কারপ্রাপ্ত ফটোসাংবাদিক ৷ 1960 সালে তার জন্ম জোহান্সবার্গ এ ৷ তিনি এই বিখ্যাত ছবিটি
ক্যামেরাবন্দি করেন যা তার জীবনে যশ এবং খ্যাতি নিয়ে আসে ৷
সুদান এর দুর্ভিক্ষ চলাকালিন সময়ে তিনি জাতিসংঘ খাদ্য়গুদাম এর পাশে এই ক্ষুধার্ত শিশুটিকে দেখতে পান এবং এবং লক্ষ্য় করেন পাশেই একটি শকুন শিশুটির মৃত্যুর জন্য় অপেক্ষা করতেছে ৷ খাদ্যের অভাবে একটি শিশু মারা যাচ্ছে আর একটি শকুন পাশেই তার মৃত্যু কামনা করতেছে এই দৃশ্য় ক্যামেরাবন্দি করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন ....
ছবিটির জন্য় পুলিৎজার পুরষ্কার প্রাপ্তির দুইমাস পরে তিনি আত্য়হত্যা করেন মানসিক যন্ত্রনা এবং হতাশা সহ্য় করতে না পেরে ৷ তখন সংবাদসম্মেলন এ তাকে প্রশ্ন করা হয় what is the next ? তার পরে তিনি শিশুটিকে সাহায্য় সাহায্য় করেছিলেন কিনা ৷ কিন্তু তিনি ছবিটি তোলার পরেই তিনি সেখান থেকে চলে এসেছিলেন ৷ এই দুঃক্ষ তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে ফেলেছিল ৷ মৃত্যুর আগে তিনি এ ধরনের ই একটি সুইসাইড নোট রেখে যান.....

আসলে এ ধরনের চিত্র আমরা আমাদের জীবনে হরহামেশা এ দেখি ৷ রাস্তায় চলার পথে অনেক শিশুকিশোর দেখতে পাই যারা দু'বেলা দু মুঠো খেতে পায় না এমনকি পায়না কোন পরিধান যোগ্য় পোষাক ৷ আমরা বেশিরভাগ সময় ই এদেরকে দেখে এড়িয়ে যাই ৷ আমরা কি ভেবেছি এরা কি খায় কি পরিধান করে ৷ সুখ কি সেটা হয়তো তারা ভেবেই দেখেনা ৷
এখন রমজান মাস আর আমরা ব্যাস্ত কত ভাল সেহরি ও ইফতারি করব তা নিয়ে ৷ কিন্তু ওরা কি করে ... কিভাবে ওরা সিয়াম পালন করবে তা কি ভাবি ৷ আমরাতো এটাও ভুলে যাই যে সারা বছর ওরা এভাবেই কাটায় ৷ আমরা হয়তো এখনি অনেকে ইদের কেনাকাটা করা শুরু করে দিয়েছি ৷ ওদের কি ইদ নেই ? আমরা কি পারি না ওদের জন্য সাহায্য় এর হাত বাড়িয়ে দিতে ৷ প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কেন ওদের সাহায্য় করবো ৷ এটা কি শুধু মানুষের আচরনগত বৈশিষ্টের কারনে? কারন মানুষের মন এমনিভাবেই তৈরি অর্থাত মানুষ আঘাতে ব্যাথা পায় ,সুখ-দুঃক্ষ অনুভব করে, মানুষ সেটা তার স্মূতিতে সংরক্ষন করে এবং অন্যের সুখে সুখী হয় এবং অন্যের দুঃক্ষে ব্যাথিত হয় ৷ মানুষকে কেন আসলে এভাবে তৈরি করা হয়েছে ৷ এভাবে মানুষকে তৈরি না করলে কি হত না ? তাহলে তো আমাদের কষ্ট করে আরেকজন এর সাহায্যে এগিয়ে আসতে হতো না ৷ নিজের উপার্জিত সম্পদ আরেকজনকে দিতে হতো না !
কিন্তু তাহলে যে একটা প্রশ্ন থেকে যায় ! কেন সৃষ্টিকর্তা মানুষকে একই রকম সৃষ্টি করেন নি? কেউ ধনি আবার কেউ গরিব , কেউ স্বাস্থ্য়বান আবার কেউ রুগ্ন ৷ কেনই বা এমন বৈশিষ্ট ৷
আমরা কি কখনো ভেবেছি কেনো সৃষ্টিকর্তা কেন সবাইকে একই ভাবে সৃষ্টি করেন নি?

আসলে এই প্রশ্ন উত্থাপন করলে আরেকটা প্রশ্ন এসে যায় - সেটা হচ্ছে কেন মানুষ বা আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ আর সেটার উত্তরের মধ্যেই আগের প্রশ্নের কিছুটা উত্তর পাওয়া যায়৷
কুরআন'এ আল্লাহ্ বলেছেন,
"আমি জ্বিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদাত করার জন্য" [সূরা যারিয়াত: 56]

তো এখন সৃষ্টি তো করা হলো এবং মহাবিশ্বের অন্য় সবকিছু সৃষ্টি করা হলো মানুষের কল্যান এর জন্য়৷
সবাইকে থাকতে দেয়া হল পৃথিবীতে একসাথে এবং সবার সাথে করে দেয়া হল আলাদা
সত্তা বা মন তার কার্যাবলি নিয়ন্ত্রন করে ৷
আবার তিনি বলে দিয়েছেন , আমাদের জীবন অনন্তকাল নয় ৷ প্রত্যেক প্রাণী'ই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করবে এটা তিনি বলে দিয়েছেন ৷

আর তিনি ইহকাল এর সাথে পরকাল এর কথা বলে দিয়েছেন যা অনন্ত কাল চলবে ৷ পরকালে কে শান্তিতে থাকবে আর কে দুঃক্ষে থাকবে তা তিনি ইহকালের কার্যের উপর নির্ধারিত করে দিয়েছেন ৷
আর এ জন্য় আমাদের তিনি পরিক্ষার ব্য়বস্থা করেছেন ৷ কুরআনের অনেক আয়াত এ এই পরীক্ষার ব্যাপারে স্পষ্ট পরিক্ষিত ৷ যেমন ,
"তোমরা কি ধারনা কর যে, জান্নাতে প্রবেশ করবে ;যদিও এখনো তোমাদের নিকট পূর্ববর্তীদের অবস্থা আসেনি ৷ অর্থ সংকট, দুর-অবস্থা ক্লেশ স্পর্স করেছিল এবং তারা বীত ও কম্পিত হয়েছিল এবম এতদূর বিচলিত হয়েছিল যে, রাসূল এবং তার সাথে ঈমানদারগন বলে উঠেছিল আল্লাহর সাহায্য় কখন আসবে? জেনে রাখ, অবশ্য়ই আল্লাহর সাহায্য় সন্নিকটে ৷"[সূরা বাক্বারাহ্ : 214]

"মানুষ কি মনে করে যে, 'আমরা বিশ্বাস করি' এ কথা বললে ওদের পরীক্ষা না করেই ছাড়া হবে?" [সূরা আনকাবূত ; 2]

"জীব মাত্রই মরনশীল; আমি তোমাদের মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই নিকট তোমরা প্রত্যানিত হবে ৷" [সূরা আম্বিয়া : 35]

"নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিন্তু ভায়ভীতি ও ক্ষুধা এবং ধনসম্পদ জীবন ও ফলন (ফসলের) হ্রাস দ্বারা পরীক্ষা করব, এবং তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও ৷" [সূরা বাক্বারাহ্ :155]

তো আমরা কি জানলাম ? যে আমাদের পরীক্ষা করা হবে ইহকালের এবং কিভাবে করা হবে তাও উক্ত আয়াতগুলোর মাধ্য়মে জানলাম ৷ ধন সম্পদ , দুঃখ-কষ্ট দ্বারা ইত্যাদি দ্বারা পরীক্ষা করা হবে৷
অর্থাৎ, আমারা প্রশ্নের উত্তরটি পেয়ে গেলাম ৷ ধনী গরিবের বৈষম্যের কারন হচ্ছে পরীক্ষা ৷
আর সবাইকে আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হবে এবং একজন আরেকজনের দ্বারা পরীক্ষীত হবে ৷ পিতা পরীক্ষীত হবে সন্তানের দ্বারা আর সন্তান পিতার দ্বারা ৷ তেমনি আমরা কে কার সাথে কিরকম আচরন করছি বা কতটুকু দ্বায়িত্ব পালন করছি তার দ্বারাই পরীক্ষীত হতে হবে৷ অর্থাৎ মানুষের কর্ম দ্বারা ৷
"তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য় যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন - কে তোমাদের মধ্যে উত্তম? তিনি পরাক্রমশালী , ক্ষমাশীল ৷" [সূরা মুলক : 2]

ইসলাম মানে শান্তি৷ সেই ১৪০০ বছর আগেও যখন সমাজে ধনী গরিব এর বিশাল বৈষম্য় ছিল , মানুষ ক্রয় বিক্রয় হইতো ,ধর্ম মানুষ ভুলে গিয়েছিল - তখন ইসলাম বললো যে সকল মানুষ সমান ৷ একজন ক্রিতদাস ও আমির সকল মানুষ ই সমান আল্লাহর কাছে ৷

তো এভাবে পরীক্ষা হবে তা তো বুঝলাম কিন্তু যাদের আর্থিক সম্পদ কম তাদের জন্য় কি কঠিন হয়ে গেল না পরীক্ষা ৷
একটা উদাহরন দেই ---
শিক্ষক যখন পরীক্ষার প্রশ্ন কঠীন করেন তখন তিনি উত্তরপত্র সহজ করে দেখেন আবার যখন তিনি পরীক্ষার প্রশ্ন সহজ করেন তখন তিনি উত্তরপত্র কঠীন করে দেখেন ৷
সেরকমটাই, কিছু শিশু জন্মগ্রহন করে ধনী পরিবার এ আবার কিছু শিশু দরিদ্র পরিবার এ ৷
ইসলাম ধর্মে সে জন্য় ধনীদের বলা হয়েছে যে ব্যাক্তির জমাকৃত সম্পদ নিসাব পরিমান হয় তাদের যাকাত দিতে হবে এবং দরিদ্ররা সেটা গ্রহন করবে ৷
তো কিছু ধনী এর পুরোটা দেয় ,কেউ একটু কম দেয় আবার কেউ দেয়ই না ৷ যে যাকাতের পুরো শর্ত পূরন করে সে অবশ্য়ই পূর্ন মার্ক পাবে ৷ আর দরিদ্র ব্য়ক্তি যে যাকাত গ্রহন করলো সেও পূর্ন মার্ক পাবে আবার তাকে দানশীল ও হতে হচ্ছে না ৷ (zakir naik Q&A 287)
তো এটা সবাই ই সমর্থন করবে যে , যে ধনী ব্যাক্তি দানশীন না হবে তাকে এতা জাহান্নামে নিয়ে যেতে পারে ৷ এভাবে দারিদ্রতা পরীক্ষা একটা সহজ পন্থা হতে পারে জান্নাতে যাওয়ার যদি সে আল্লাহর অন্যান্য় আদেশ পালন করে ৷

বুখারি শরিফ এ একটি হাদিসে রাসূল( সাঃ) বলেছেন জান্নাতের অধিবাসীদের মধ্যে অধিকাংশই দরিদ্র ৷

যাই হোক- রমজান হছে এমন একটা মাস যে সময় আমাদের মধ্যে একটু হলেও পরিবর্তন আসে ৷ আমরা ভাল কাজে অনুপ্রানিত হই , আমাদের মনে ধার্মিকতার অনেক পরিবর্তন আসে এবং ভাল কাজে মন স্বদিচ্ছা বা সায় দেয় ৷ ইবাদাত এ আগের থেকে বেশি মনোযোগি হই ৷
কারন হাদিসে এসেছে -রাসূল (সা:) বলেছেন যে, রমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং শয়তানকে শিকলবন্ধি করা হয় ৷ তারপরো আমরা কেনো বিভিন্ন পাপ কাজে লিপ্ত হই , ভালকাজ করা বা ইবাদাত করা থেকে দুরে থাকি ৷
কথা হচ্ছে শয়তানকে ঠিকই শিকলবন্ধি করা হয় - কিন্তু আমাদের মন তো মুক্ত৷ আমরা নিজেরা গিয়েই পাপকার্যে লিপ্ত হই ৷ যেমন খাচায় শিকল বাধা বাঘের মত যার নিদ্রিষ্ট এরিয়া পার হলেই বিপদের সংকা আছে ৷
তো এই লেখার কারন যাতে আমরা রমজান এ ভাল কাজের পরিমান বাড়াতে পারি ৷ আর এই সকল অভাবী শিশুদের সাহায্যে এগিয়ে তাদের প্রতি সহানুভুতিশীল হয়ে আমাদের ঈমান শক্ত করতে পারি আর তাদেরো একটা জীবনের প্রত্যাশা করতে পারি ৷ তাদের ব্যাতিত আমাদের জীবনও অসহায় ৷ যেমন ধনীরা মাঠে গিয়ে রোদ বৃষ্টি মাথায় করে ফসল ফলায় না ৷
এখন রমজান মাস ই সময় আমাদের ভাল কাজ করার ৷
রমজান এ রাসূল (সাঃ) দান করতেন ঝরের গতিতে ৷
তিনি আমাদের আদর্শ৷ আমরা কি পারি না অন্তত একবেলা কোন গরিব শিশুকে সেহরি বা ইফতার করাতে ৷
সামনে ঈদ আসতেছে সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য় ৷ আমাদের পাশের অভাবি শিশুটিও যেন ঈদের আনন্দ পায় সেই দিকে যেন আমরা একটু লক্ষ্য় রাখি ৷
এটা আমাদের ই দ্বায়িত্ব -


যাওয়ার আগে সামান্য় কথাই বলব ,
"যে ব্য়ক্তি আল্লাহর দিকে মানুষকে ডাক দেয়, সৎকাজ করে আর বলে, আমি তো মুসলমান(আত্মসমর্পনকারী) , তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার? [সূরা হা-মীম (সিজদা) :33]

"তুমি মানুষকে জ্ঞান ও সৎ উপদেশ দিয়ে তোমার প্রতিপালকের পথে ডাক দাও ও ওদের সাথে আলোচনা করো উত্তম পন্থায় ৷ তার পথ ছেড়ে যে বিপথে যায় তার সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক ভাল করেই জানেন৷ আর যে সৎপথে আছে তাও তিনি ভাল করে জানেন ৷" [সূরা নাহল :125]

এবং
"তাদেরকে সৎপথ গ্রহন করানোর দ্বায়িত্ব তোমার নয় ৷ বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন ৷" [সূরা বাকারা : 272]




অনেক সংক্ষিপ্ত লেখার চেষ্টা করেছি কিন্তু তারপরেও লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেছে ৷কষ্ট করে পড়ার জন্য় ধন্য়বাদ ৷
ভুল হলে ক্ষমা করেবেন এবং পারলে সংশোধন এর ব্যাবস্থা করে দিবেন৷

[মেসবাহ্]
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×