যখন ছোট ছিলাম তখন দেখতাম কোন একজন মানুষ যখন বিপদে পরতেন আসে পাশের সবাই মানুষটিকে রক্ষা করার জন্য আসতেন। তখন গ্রাম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যাবস্থা তেমন ভাল ছিলনা, কেউ যদি খুব অসুস্থ হয়ে পরতেন গ্রামের সবাই এসে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যাবস্থা করতেন, এবং চেয়ারে করে সবাই মিলে হাসপাতালে নিয়ে যেতেন..।
তখন ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষকদের খুব সম্মান করতেন, আরও সম্মান করতেন সকল মুরব্বীদের। তখন মানুষের প্রতি মানুষের খুব বেশি ভালবাসা ছিল।
আজ যুগের পরিবর্তন হয়ছে, সাথে সব কিছু আধুনিকায়ন হয়েছে। যুগের সাথে আজ বদলে কাছে মানুষের মন, আজ কেউ কারও বিপদে এগিয়ে আসেনা। আজ প্রতিনিয়ত মানুষের হাতে খুন হচ্ছে মানুষ, হাজার মানুষের ভীরে কাউকে খুন করা হলেও কেউ প্রতিবাদ করেনা, সবাই নীরব ভূমিকা পালন করে..।
আজ প্রতিনিয়ত শিক্ষকরা ছাত্রদের হাতে লাঞ্চিত হচ্ছে, যদিও শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে ছাই কিন্তু পারেনা ক্ষমতাসীন দলের জন্য, তারা রক্ষা করে ছাত্রদের।
আজ সম্মানী মানুষগুলো পায়না সম্মান তারাও লাঞ্চিত হয় ক্ষমতাসীন মানুষদের কাছে।
আজ মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসা তেমন নেয়।
এখন ভালবাসা মানে একটা ছেলে আর একটা মেয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ । একটা ছেলে একটা মেয়ের জন্য সব করতে পারে, কিন্তু পারেনা তার পরিবার কিংবা অন্য মানুষদের জন্য কিছু করতে,
ঠিক মেয়েরাও তেমন।
আজ কারও কষ্ট দেখলে কারও মন কাধেনা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত।
আজ মানুষ শিক্ষিত হচ্ছে কিন্তু হারিয়ে ফেলছে মনুষ্যত্ব।
মনুষ্যত্ব ছাড়া কখনো মানুষ হওয়া যায়না সেটা আজকের সমাজ বুঝেনা।
একটু পড়া-লেখা করলে সে আর অন্যদের মানুষ মনে করতে ছাইনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


