somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এদের কি ট্যাগ দিবেন? "পেটমোটা সুদখোরদের গল্পঃ পুরাতন ও আধুনিক সুদখোর"

২৫ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সুদে সুদক্ষয়। যেমন কথাটা বিষে বিষক্ষয়। সুদ নামক বিষটা এখন আমাদের মাঝে চূড়ান্তরূপে ছড়িয়ে গেছে। এটা এখন আমরা ভাতের মতই স্বাভাবিকরুপে মেনে নিয়েছি। সাথে আছে আমাদের দারিদ্র্য। সেই সু্যোগে সুদ ব্যবসায়ীরা আরামসে সুদ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে সুদ ব্যবসা শুরু করে গ্রাম্য মহাজনরা। কারো কাছ থেকে জমির দলিল নিয়ে টাকা নিত। তারপর টাকা দিতে না পারলে জমি চলে যেত মহাজনের কাছে। এখনো এই টাইপের সুদ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন গ্রামে সুদ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক দরিদ্র লোকেরা এখনো তাদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিচ্ছে। কিন্তু, আশ্চর্যজনক হলেও সত্য সেসব সুদ ব্যবসায়ীরা গ্রাম্য মসজিদগুলোর প্রথম কাতারের নামাজী। একেক জনের পেট তিনহাত লম্বা হয়ে ঝুলে আছে। দেখলেই বোঝা যায় সুদখোরি পেটে তিন চারটা বাচ্চা বসে আছে। এগুলোও বড় হয়ে সুদ খাওয়া শুরু করবে। বোঝাই যায় সুদ ব্যধিটা আমাদের মাঝে এখন ব্যপক হারে প্রভাব বিস্তার করেছে।
:):DB-);)/:)X(:-/X((
এখনকার সময়ে বিভিন্ন এনজিয় এই ব্যবসাটা চরমভাবে শুরু করেছে। এরকম সুদ ব্যবসা চালিয়ে আমাদের দেশের নারীদের সবচেয়ে বেশি বিপথে নেয়া হচ্ছে। তাদেরকে স্বাবলম্বী করার প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবসাটা শুরু হয়। যদিও আমি এখন পর্যন্ত কোন স্বাবলম্বী হওয়ার বাস্তব উদাহরণ দেখিনি। যা দেখেছি তা ওই টেলিভিশনের পর্দায়। দরিদ্র লোকগুলো এখনো দরিদ্র রয়ে গেল।

প্রথমে তাদেরকে ৩৫০০ টাকা ঋণ দেয়া হয়। সেই সার্কেল অনেক কষ্টে পূর্ণ করার পর আবার শুরু হয় নতুন সার্কেল ৪৫০০ টাকার। এভাবে টাকার অংকটা বড় হতে থাকে, আর আমাদের দরিদ্র মা-বোন-পিসিরা বেপর্দা হয়ে তাদের সুদের সার্কেলের লম্বা লেজ লাগাতে থাকবে। এভাবেই দেশি-বিদেশী সকল সুদী এনজিয় আমাদের উন্নতির চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দিচ্ছে। অর্থাৎ এনজিয় ভিত্তিক সুদী ভোদাই সার্কেলের আওতাভুক্ত করছে।

ইসলাম ধর্মে সুদ হারাম। (অন্য ধর্ম এ ব্যপারে কি বলে সেটা জানিনা।) এরকম হারাম জিনিসগুলোকে আমরা মুসলমানরাই বেশি লিড দিচ্ছি। গ্রাম্য বড় বড় সুদ ব্যবসায়ী আড়তদাররা হচ্ছে সব পেট ফুলানো মাথায় টুপিওয়ালা মুন্সী। এরাই দেখি মাঝে মাঝে বিভিন্ন বয়ান দেয়, নীতিকথা বলে। কিন্তু, এদের কারণেই আজ আমাদের মুসলমানদের নিয়ে অন্যেরা উল্টাপাল্টা কথা বলতে সাহস পায়। বিভিন্ন ছবির পরিচালকরা হুজুর চরিত্রগুলোকে খারাপ চরিত্ররুপে ফুটিয়ে তুলে।

আরেকটা কথা সবাই নিয়মিত যাকাত দিলে আজ এরুপভাবে সুদ ব্যবসায়ীরা ফনা তুলতে পারতোনা। আল্লাহ আমাদের সকল মানুষকে সুদ তথা সকল ধরণের অন্যায় থেকে দূরে থাকার তৌফিক দিন। আমরা যেন এসব সুদের আস্তানার একটু হলেও ভিত্তি গুড়িয়ে দিতে পারি। (আমিন)

বিদ্রঃ এটি একটি সচেতনতামূলক পোস্ট। এট লিস্ট মূল মর্মবাণীটা হলেও অন্যের কাছে পৌঁছে দিন এবং সুদকে না বলুন।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

লাভ কার হলো?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:১৮


দীর্ঘদিন একটি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে, সরকারের ভেতর এক ধরনের সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি হয়। তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় দেশের প্রকৃত অবস্থা আড়াল করতে ব্যস্ত থাকে। বাংলাদেশেও সেই বাস্তবতা ছিল।
২০২৪ সালের আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়রে জীবন!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

হায়রে জীবন!

যারা বছরের পর বছর রাষ্ট্রক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে মানুষ গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, পরিবার ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রকে ভয় ও আতঙ্কের কারখানায় পরিণত করেছে- তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন আজ “ভিআইপি আসামি”।
কারাগারেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রসময় গালগল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



প্রতিদিন ভাবি তুমি এলে বেশ জমিয়ে করবো-
রসকষহীন কাঠখোট্টা গল্প!
আমার সঞ্চয়ে নেই কোনো রসময় গালগল্প-
যা থেকে পেতে পারো যৎকিঞ্চিত উষ্ণতা।

আমি ঠিক নিশ্চিত নই আদৌ তুমি আসো কিনা!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদযাত্রায় সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২১



ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সারা বছরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে শেকড়ের টানে নীড়ে ফেরার চিরন্তন আকুলতা। প্রিয় মুখগুলোকে বুকে জড়িয়ে অপার্থিব শান্তি অনুভব করা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেঝ দা

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

লেখালেখি ভীষন বিরক্তিকর লাগে এখন। গাইতে গাইতে গায়েনের মত আমি লিখতে লিখতে লেখক হয়েছি। লেখালেখি নি কোন আশাবাদ বা প্যাশন আমার কস্মিনকালে ছিল না- এটা আমার নেহায়েত শখের বিষয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×