
অনেক দিন ধরেই লিখব লিখব করে ভাবছিলাম তবে কি লেখব তার বিষয় বস্তু পাচ্ছিলাম। আগে ডায়েরি তে লিখতাম এরপর ছদ্মনাম আইডিতে লিখতাম কত আইডি খোয়া গেছে তারপর লেখা বন্ধ করিনি। মাঝে মাঝে হাসি ঠাট্রা লেখা লিখলেও মানুষকে বুঝতে জানতে কৃপনতা করিনি। যতদিন ই যাচ্চে আমার উপলব্ধি ততই বাড়ছে। যেখানেই যাই মানুষের ভাষা বোঝা কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে পৃথিবী ই এমন। পাখির ভাষা বোঝা যায় প্রানির ভাষা বোঝা যায় কিন্তু মানুষের ভাষা? কঠিন অনেক কঠিন। ছোট থাকতে অাত্নীয় স্বজনরা বলত বড় হয় কি হত চাও বলতাম ডাক্তার হব ব্যারিষ্টার হব অমুক তমুক। কিন্তু কেউ কি কোন দিন বলছে বাচঁতে চাই প্রানভরে বাচঁতে চাই আমার মনে হয় না। ছোট থাকতে ধর্মকর্ম শেখানো হয় যাতে ধর্মর্কম ভালো ভাবে করতে পারে। কি লাভ হয় আমার দৃষ্টিতে কেমন খটকা লাগত। যদি ধর্মর্কম ভালোভাবে শিখত তাহলে অন্তত ধড় কিছুটা প্রান ফিরে আসত। কেউ হয়ত প্রশ্ন করতেই পারে হুজুর আমেল কামেল রা ত অনেক ভালো আছেন তাহলে সমস্যা কি আসলে ওনারা ধর্ম মুখস্ত করে পেট চালায় আর আমরা হাবিজাবি করে পেট চালাই আমরা পেট চালাই ক্ষুদা মেটানের জন্য প্রান পরিচালক জন্য নয়। মানুষ এমনা একটা প্রানি তার চেয়ে জটিলতর কিছুই হয় না। তাকে বোঝার ক্ষমতার জন্য তৃতীয় চোখ হার মানবে। তার সরলতা চোখের হিংস্র দৃষ্টি। মায়াময় মুখের আগুনের ফুলকি বোঝার ক্ষমতা সম্ভবপর নয়। প্রতিদিন সকাল বেলায় যখন দেখি ছোট টং দোকানে এক ঝলক হাসি দেওয়া শ্রমিকের রং চা খাওয়া তাতে পাওয়া যায় প্রানের ছোয়াঁ আবার সন্ধ্যা বেলার বষস্ক ব্যাক্তির হাতে এক আঁটি শাক হাতে ক্লান্ত শরীর হেঁটে যাওয়া ব্যার্থতার প্রকাশ। ছবি তোলার জন্য দারুন কনসেপ্ট হতে পারে তবে প্রশ্নরে চিহ্ন জন্য যথেষ্ট। মানুষকে যদি ভালোভাবে ব্যাবচ্ছেদ করা হত তাহলে দেখা যেত কি ফলাফল আসত??? সকাল থেকে রাত যতটুকু সময় ব্যায় করছি কোনো দিন ই চিন্তাই করিনি প্রানের জন্য কতটুকু সময় ব্যায় করেছি। মাঝে মাঝে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের বই পড়েছি বিশ্লেষণ করে দেখছি ওরা প্রানের জন্য যতটুকু করত তার চেযেবেশি ক্ষমতার জন্য। ক্ষমতার মোহ যদি একবার পেয়েছ সেই দিন মৃতপ্রানের পুস্তক নাম লিপিবদ্ধ করেছে। এই প্রানি কোন দিন কি ভেবেছে কি করছে তার মন কি বলছে হয়ত লম্বা প্যাকেজ এর একটা ভ্রমনে যাচ্ছে তাতে কি প্রান টা ফিরে আসছে বরং তার উল্টো প্রভাব ই তার কাছে ফিড়ে আসলে বুমেরাং মত করে। কি লাভ হবে মৃতদেহ কে সার্জারি করে যেখানে সয়ং বিধাতা প্রাণ কেড়ে নিয়ছেন। যেখানে আপন দেহের ই প্রান মরে গেছে সেই দেহের কতটুকু ই মূল্যায়ন থাকবে। আমার এই স্বল্প সময়ে মানুষকে বোঝার ক্ষমতা অনেকটা ই হয়েছে পারিবারিক ভাবেই হোক আর ভার্চুয়াল ভাবেই হোক মৃতপ্রানের ছটফটানি গুলো প্রায়ই একই রকম, সব ই জৈবিক চাহিদার জন্য। মৃতপ্রানের কান্না দেখেছি তবে প্রানের কান্না কোনদিন দেখিনি। ওদের রাগ ও অনেক অদ্ভদ রকমের ভেতরে দুর্বল হয়ে গলে আছে আর বাহিরে অাগুনের ফুলকি বিচ্ছুরণ করছে। কি লাভ ই হচ্ছে মৃতপ্রানের ঘুনে পোকা কিলবিলিয়ে খাচ্ছে । বয়সের সন্ধিকাল অনেক বুড়ো কে দেখি মসজিদ নামাজ আদায় করে আর জীবনের শেষ দিনের অপেক্ষা করছে। সে ত মরে গেছেই দেহটা পচে যাওয়ার বাকি। এত চিন্তার কি আছে একটা না একটা স্বর্গে স্থান পাবেই। না হবে না আমার প্রথমটা ই চাই তবুও মৃতদেহের প্রান চাই না। পেটপুরে তিনবেলা খাওয়া চাই আমার প্রানের দরকার নেই। চোখের নিচে কালো দাক পরুক আমার অর্থের দরকার প্রানের দরকার নেই। দিনের শেষে নিজের জন্য কতটুকু সময় পেয়েছি বা নিজের মত করে নিচ্ছি কোনদিনই ভাবিনি দিন শেষে জীবনের সন্ধিক্ষণে সবাই লাশের মিছিলে সামিল...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




