মানুষকেও দেশকে যারা ভাল বাসেনা তাদের দ্বারা জঙ্গবাদ সম্ভব। যারা সন্ত্রাসী তাদের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা আছে বলে আমার মনে হয়। আর এই মনস্তত্ত্বিক সমস্যা দিনে তৈরি হয়নি, পরিবার তাদের সঠিক যত্ন নিতে পারেনি। ধর্মের নামে যারা সন্ত্রসী হামলা করছে তারা আসল কোন ধর্মই মানছে না। কোন ধর্মই জঙ্গিবাদী হামলা/সন্ত্রসী হামলা সমর্থন করে না।
সন্ত্রসী হামলা বন্ধে সমাজের দায়িত্বঃ
প্রত্যাকটা মানুষ সমাজেই বসবাস করে সমাজ থেকেই প্রথম জঙ্গি ভীরুদি প্রতিবাদ আসতে পারে। সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে এর প্রতিবাদ আসতে পারে। বিভিন্ন সেমিনার, লেকচার, মসজিদ, মাদ্রাসা, বিভিন্ন এন জি ও তারা বিভিন্ন সেমিনার করে জঙ্গি ভীরুদ্ধ মতবাদ প্রচার করতে পারে। জঙ্গি ভীরুধি প্রচারনায় শুধু হুজুরদের দিয়ে সম্ভব নয় বড় আমি মনে করি। আমরা সবায় মিলে জঙ্গিবাদ ভীরুধি প্রচার করলে আমার মনে হয় না জঙ্গিরা এখানে কিছু করতে পারবে।
সরকারি উদ্ধোগে মসজিদে মসজিদে জঙ্গি ভীরুধি বক্তব্য দেয়ার জন্য খোৎবা তৈরি করে দিয়ছে সেটা আমি সমর্থন করি। তবে আমি মন করি যে ঈমামগন নিজ দায়িত্বে তারা জঙ্গি ভীরুধি বক্তব্য দেয়া উচিত।
বিশেষ করে আমি মনে করেছিলাম গত ৮/৭/২০১৬ আমার মসজিদের খোৎবায় জঙ্গি ভীরুধি বয়ান থাকবে, কিন্তু দেখি খোৎবা শেষ এ নিয়ে কোন কথা নেই। তবে আমার এলার মানুষ অনেক ভাল অনেক সচেতন। এজন্য আমি ভীষন অানন্দিত। আমি মনে করি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জঙ্গি মোকাবেলা করতে আমাদের তেমন বেগ পেতে হবে না। আমাদের অর্থনীতিকে ভাল করতে হলে আমরা সবাই এগিয়ে আসা উচিত। আমাদের পোষাক খাত কে আমরাই বাচাতে হবে। আমাদের জিডিপি প্রবিদ্ধিকে আমরাই ধরে রাখতে হবা। সন্ত্রসবাদ মোকাবেলায় আসরা সবাই এক যোগে কাজ করব বলে অঙ্গিকার করি।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




