পাকিরা কেবল ওদের ভাড়াটে বাবাদের (গ্রীক) কাছ থেকে দেহটাই পেল, মনটা পেল না! গ্রীকরা ভারতবর্ষে এসে কেবল লুন্ঠন আর বাণিজ্যই করেনি, শিল্পকলার চর্চাও করেছে। ও হ্যাঁ, শিল্পকলার পাশাপাশি কামকলার চর্চায়ও মনো এবং দেহনিবেশ করেছিলো তারা। ঐ কামকলার ফসল পাকিদের সুন্দর সৌবর্ণ দেহ সৌষ্ঠব! শুধু গ্রীক নয় পাকিদের দেহ সৌষ্ঠবে শক, শেখ এবং আরো নানান জাতিগোষ্ঠীর অবদান আছে। সিন্ধুপাড়ের প্রাচীন নগরগুলো তখন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। যেস্থান বাণিজ্য কেন্দ্র হয়, সেস্থানে বণিকদের দেহ জুড়োতে গড়ে ওঠে কামকলাক্ষেত্র। তা বাপু পাকিশ্বর, তোমাদের আচার-আচরণ, কথা-বার্তায় কি ঢেঁড়া পিটিয়ে বলতেই হবে যে তোমরা বাস্টার্ড! কানঢাকা রমিজ, বারবার আচরণে জানান দিচ্ছে ও বাস্টার্ড! সঙ্গে যোগ হয়েছে নাসির জামশেদ। বাংলাদেশে বিপিএল খেলা হলে পাকি ক্রিকেটারে ভরে যায় মাঠ। নাসিরও খেলে গেছে। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগও ছিল। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ পাকিপ্রেমে বুঁদ হয়ে থাকে। পাকিদের খেলা হলে পাকি পতাকায় মাঠ ভরে যায়। পাকি স্লোগানে বাংলাদেশের বাতাস ভারী হয়ে আসে। পাকি থ্রি-পিস গায়ে না দিলে বড্ড গরম লাগে!পাকি ইউসুফগুন না খেলে শরীরটা ঠিক থাকে না। পাকি জুস না খেলে ভিটামিনের অভাবে ভুগি আমরা! পাকিরা একাত্তরে আমাদেরকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে আঘাত করেছে। এখন শারীরিক আঘাতের সরাসরি সুযোগ নেই, তাই আমাদেরকে মানসিক আঘাত করছে বারবার। ক''দিন আগে ইউটিউবে দেখলাম, এক পাকি বাস্টার্ড বাংলাদেশের পতাকা পোড়াচ্ছে।
গ্রীকরা পাকিদের দেহ দিয়েছে, কিন্তু সে দেহে সংস্কৃতির বীজ বুনতে পারেনি দীর্ঘদিনেও। পাকিরা মাত্র তেইশ বছরে ছিল কী বীজ বুনে দিল আমাদের অঙ্গে-মননে যা আমরা শত আঘাতেও ভুলি না!
পিরিতের ফাকিস্থান, চালায়া স্টেইনগান
দ্যাশটারে বানাইছিল গোরস্থান
হায়রে, দ্যাশটারে বানাইছিল গোরস্থান...
ভুলে সেই ক্ষতস্থান, গাও সবে জয়গান
জিন্দাবাদ ফাকিস্থান, জিন্দাবাদ বাংলাস্থান!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




