এইরকমটাই আগুন ঝরা রোদ পড়তো তখন। সাধের বাইসাইকেল টি নিয়ে বেড়িয়ে পড়তাম যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছাড়িয়ে বিমান বন্দর সড়কে। বিমান এতটাই মোহিত করতো যে কতদিন যে বিমানের উঠানামা দেখে চোখ জুড়িয়েছি মনে নেই। একটি বিমান উঠে যাচ্ছে আকাশে, এটাকে তখন মানব সভ্যতার সেরা অলৌকিকতা বলে মনে হত। মিগ২৯ এর উড়ে যাওয়া যাদুকরী অনুভূতি দিত। বিমান বন্দর মাঠে শুয়ে থাকতাম, চোখ মেললেই পাখির উড়ে যাওয়ার বদলে বিমানের আসা যাওয়া চক্ষুর স্নিগ্ধস্নান করিয়ে দিত।
সেদিন প্রতিদিনকার মত ফিরে আসতে পারিনি। সন্ধ্যারাতে ফিরছি, চার ছিনতাইকারী আমার সাধের সাইকেল টি ছিনতাই করলো। দিতে চাই নি ,হাতে চাকু বসিয়ে দিয়েছিল। ১২টা সেলাই দিয়ে সেদিন দুঃখিত মনে ফিরেছিলাম।
এ ৩ বছরে হাতের দাগ মিলিয়ে গিয়েছে। আমি সেদিন হারিয়ে ছিলাম সম্পদ আর তারা মনুষ্যত্ব।
মানুষ নাকি মনুষ্যত্ব হারালে মানুষ থাকে না এ কথার সত্যতা মিলে কি?
মনুষ্যত্বহীন পশু হয়েও মানবেরউঁচু স্তরে তাদের স্থান ।
আচ্ছা মনুষ্যত্ব হারালে কি ফিরে পাওয়া যায়???
যদি যায়..........তাহলে আমিও অমানুষ হবো।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



