২১/১০/২০১১ ইং জুমাবার দিনটি ছিল মুন্নির জীবনের শেষ কর্ম-দিবস। ঐ দিনে রোযা ও রেখেছিলেন তিনি এবং বাপের বাড়ীতে গিয়ে সবার সাথে দেখা করে সন্ধ্যার পূর্বেই ফিরে আসে স্বামীর ঘরে। এর পর ডিনার শেষে রাতের অন্ধকারে বিষ পানে নিজেকে পাঠিয়ে দেন পর পারে।
চট্টগ্রাম রাউজান থানার পূর্বগুজনা ইউনিয়নের মৃত আবদুল হাকিমের বড় ছেলে প্রবাসি আব্দুর রহমানের সাথে একই থানার বদুমুন্সি পাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে মুন্নির সাথে ৫ মাস আগে বিয়ে হয়। হাতের মেহেন্দীর রং না শুকাতেই সবার সাথে অভিমান করে মুন্নির এ আত্ম-হত্যা।
তবে মুন্নির ভাইয়ের দাবী যৌতুক হিসেবে আবদুর রহমানের বোনের জামাইদের ২টি আংকটি দেওয়ার জন্য শশুর পক্ষ মানসিক ভাবে নির্যাতন চালায়ি বিষিয়ে তুলেছে তার বোনের জীবন।
শশুর পক্ষের দাবী মুননি সকালে বাপের বাড়ীতে গিয়ে তার ২ ননদের জামাই এবং স্বামি বিদেশ চলে যাবে এজন্যে তাদের দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বল্লে মা অস্বৃকি জানাই এবং গাল মন্দ করে অত:পর মায়ের সাথে রাগ করে পূণ:রায় স্বামীর বাড়ীতে চলে আসে এবং আসার সময় নোয়াপাড়া বাজারের একটি দোকান থেকে এক কেজি সালফার ও একটি বিষের বোতল কিনে গোপনে ব্যাগের ভীতর রেখে দেয় এবং রাতেই এর প্রয়োগ ঘটায়।
যাক ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্ম হত্যা তা এখনো তদন্ত চলছে। আমাদের কোন বোন বা মেয়েদের যেন এ রকম ভাগ্য বরণ করতে না হয় সেটাই কামনা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



