somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপনার সন্তান ইন্টারনেটে কতখানি নিরাপদ ?

০২ রা মে, ২০১২ সকাল ৮:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকাল আমরা সবাই দৈনন্দিন কাজের জন্য ইন্টারনেটের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল । প্রতিদিন শিক্ষা, বিনোদন, যোগাযোগসহ প্রায় সর্বক্ষেত্রেই আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। শুধু বড়রাই নয়, ছোটরাও আজকাল স্কুল এর অনেক অ্যাসান্টমেন্ট করার জন্য ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে । এছাড়া তাদের বিনোদনের একটা বড় জায়গা জুড়ে আছে কম্পিউটার গেমস, যোগাযোগের জন্য ফেসবুক । ইন্টারনেট যেমন আমাদের সামনে এক অবারিত জ্ঞানের দরাজা খুলে দিয়েছে, তেমনি এই খোলা দরজা দিয়ে কিন্তু অনেক অনাকাংখিত বিষয়ও আমাদের মাঝে প্রবেশ করছে । তাই সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে । যেহেতু ছোট বয়সে ভালো মন্দ বোঝার ক্ষমতা তুলনামুলক ভাবে কম থাকে তাই বাবা মা হিসেবে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে আপনার সন্তান ইন্টারনেটে কতটুকু নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য । বিষেজ্ঞরা এর নাম দিয়েছেন “অনলাইন প্যারেন্টিং” যেখানে “বাস্তব জীবনের” পেরেন্টিং এর মতোই আপনি সবসময়ই চাইবেন আপনার সন্তান কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলুক ও তার স্বাভাবিক বিকাশ হোক ।

যেমন ধরা যাক, বাস্তাব জীবনে আপনি জানতে চান আপনার সন্তান কখন কার সাথে দেখা করছে, কাদের সাথে মিশছে, কোথায় কোথায় যাচ্ছে । আপনি চান আপনার সন্তান যেন কোন কিছুতে আসক্ত হয়ে না পড়ে । যদি সন্তান আপনার কথা না শুনে তবে তাকে বুঝানের চেষ্টা করেন, তাকে শাসন করেন । তার চলাফেরা পর্যবেক্ষন করেন । অনলাইন পেরেন্টিংয়ে বিষয়গুলো প্রায় একই রকম থাকে । আপনি নিশ্চিত করতে চান আপনার সন্তান তার বয়স অনুযায়ী সামনজস্যপূর্ন ওয়েব সাইটগুলোই শুধু অ্যাকসেস করুক, কোন অযাচিত বা অ্যাডাল্ট সাইট সে ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে অ্যাকসেস না করুক । আপনি চান আপনার সন্তান যাতে ইন্টারনেটের প্রতি আসক্ত হয়ে না পড়ে । অনলাইন পেরেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা যেতে পারে ।

সন্তানের সাথে ইন্টারনেটের ভালো ও খারপ দিক সম্পর্কে আলোচনা করা:
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো আপনার সন্তানকে জানানো যে সে যে মিডিয়ামটি ব্যবহার করছে সেটা কতটুকু উপকারী বা কতটুকু ক্ষতিকর । কিভাবে এটা তার জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে । তাকে ইন্টারনেটের প্রাথমিক নিরাপত্তা অভ্যাসগুলো সম্পর্কে তাকে জানাতে হবে । তাকে শেখাতে হবে কিভাবে ইন্টারনেট থেকে সহজে প্রয়োজনীয় সাইট বা তথ্য খুজে বের করতে হয় । তাছাড়া আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে, সে যখনই কোন সমস্যায় পড়বে সে যাতে আপনার কাছে নিদ্বিধায় তা বলতে পারে । তাই সন্তানের সাথে যতটা সম্ভব বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী করুন ।

গাইড লাইন তৈরী:
আপনার সন্তান কখন ও কতক্ষন ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহার করবে সেটি সন্তানের মতামত নিয়ে আপনি ঠিক করে দেন । তাদেরকে বলুন তারা অনলাইনে কি কি করতে পারবে এবং কি কি করা উচিৎ নয় । তাদেরকে ফেসবুক, চ্যাটরুম, অনলাইন গেমস ইত্যাদি সম্পর্কে ধারনা দিন । এর সুফল ও কুফল নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করুন । আজকাল ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করার চেয়ে কম্পিউটারে বা ইন্টারনেটে টাইম পাস করতে বেশি প্রেফার করে । সেক্ষেত্রে তাদেরকে বুঝাতে হবে শারীরিক পরিশ্রম যেমন, খেলাধুলা করাটাও কতটা প্রয়োজনীয় ।

আপনার সন্তান যেন আপনাদের (আপনি + আপনার সন্তান) বানানো গাইড সেজন্য প্রয়োজন হলে কিছুটা কঠোরতা অবলম্বন করুন । যেমন: সে যদি আপনাদের (আপনি + আপনার সন্তান) বানানো নিয়ম কানুন অমান্য করে তবে কিছু শাস্তির (যেমন: ৭ দিনের জন্য অফলাইন) ব্যবস্থা রাখতে পারেন ।

নিয়মগুলোর বাস্তাবায়ন করুন: এটা গুরুত্বপূর্ন যে আপনার সন্তান ঠিক মতো আপনাদের বানানো নিয়মগুলো মানছে কিনা তা খেয়াল রাখা ।
খোলামেলা জাগায় কম্পিউটারটি রাখা: আপনার সন্তান যে কম্পিউটারটি ব্যবহার করেন তা যতদূর সম্ভব খোলামেলা জাগায় রাখুন যাতে আপনি ইচ্ছা করলে তার অ্যাকটিভিটিসগুলো দেখতে পারেন । তবে তারও নূন্যতম ব্যক্তিগত বিষয় আছে সেটা সন্মান করুন ।

পড়াশুনা করুন বা অন্যের কাছ থেকে জেনে নিন: আপনার সন্তানকে তার অনলাইন অ্যাকটিভিটিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে যদি এমন কিছু বলে যা আপনি বুঝতে পারছেন না তবে সে সম্পর্কে জেনে নিন । ইন্টারনেটে নিশ্চয় এ বিষয়ে অনেক তথ্য পাবেন ।
সন্তানের সাথে অংশগ্রহন করুন: আপনি যেমন আপনার সন্তানের সাতে ফুটবল খেলেন, দাবা খেলেন তেমনি তাদের সাথে কিছু সময়ের জন্য অনলাইন গেমস খেলেন, তাদের অনলাইন অ্যাকটিভিটিতে অংশগ্রহন করেন । এটা আপনার সন্তানকে আপনার সাথে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ন বা বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরিতে সাহায্য করবে ।
অনলাইন পেরেন্টিংয়ের বিভিন্ন সফ্টওযার ও কৌশন ব্যবহার করুন: আপনার সন্তান অনলাইনে কি কি করছে, তা দেখা ও কন্ট্রোল করার জন্য বিভিন্ন টুলস রয়েছে; যেমন: উইন্ডোজে রয়েছে প্যারেনটাল কন্ট্রোল, ইন্টারনেট ফিল্টার, ব্রাউজার ফর কিডস । এবিষয়ে খানিকটা আলোচনা করা যাক ।
উইন্ডোজ প্যারেনটাল কন্ট্রোল: আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টমে প্যারেনটাল কন্ট্রোল সিস্টেম নামক সার্ভিসটি ব্যবহার করে আপনার সন্তানের অনলাইন অ্যাকটিভিটি ম্যানেজ করতে পারেন ।
প্যারেন্ট কন্ট্রোল

এই সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারেন

১. আপনার সন্তান কখন ও কতক্ষন কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে ।
২. কোন কোন ওয়েব সাইটে যেতে পারবে ।
৩. কোন কোন গেমস খেলতে পারবে ।
৪. কোন কোন প্রোগ্রাম চালাতে পারবে ।



কিভাবে এই সার্ভিসটি সেটআপ করবেন তা জানতে দেখুন

১. Click This Link
২. Click This Link.

বাচ্চাদের জন্য ওয়েব ব্রাউজার: কিডস বান্ধব ওয়েব ব্রাউজার স্বয়ক্রিয় ভাবে কোন ওয়েব সাইটের আন অ্যাপ্রোপিয়েট কনটেন্ট ফিল্টার করে দেয় । এটা ছেলে মেয়েদেরকে তাদের জন্য ইন্টারেস্টিং সাইটগুলোকে সহজেই খুজে বের করতে সাহায্য করে । মূলত এটি ছেলে মেয়েদের জন্য তাদের জন্য উপযোগী ভাবে সবকিছু উপস্হাপন করে । KidZui হলো তেমন একটি ওয়েব ব্রাউজার । আপনি ফায়ার ফক্সের অ্যাডঅন হিসেবেও এটি ব্যবহার করতে পারেন । আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।

ব্রাউজার সেটিং : আপনি ইচ্ছা করলে আপনার সন্তান কি কি সাইট দেখতে পারবে আর কি কি সাইট দেখতে পারবে না তা ঠিক করে দিতে পারেন । আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।


তাছাড়া আপনি ইচ্ছা করলে ব্রাউজারের হিস্ট্রি, ক্যাশ এবং কুকি দেখতে পারেন । আমি একথা কোনভাবেই বলছি না যে আপনি আপনার সন্তানের উপর অহেতুক নজরদারি করুন । বরং তার স্বাধীনতাকে তার ব্যক্তিগত বিষয়কে সন্মান করুন এবং একই সাথে তার অনলাইন অ্যাকটিভিটিতে চোখও রাখুন । আপনি সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন তারা কি কি করছে ।

সতর্ক হতে হবে কখন : যদি আপনার ছেলে মেয়ে তাদের অনলাইন অ্যাকটিভিটি নিয়ে আপনার সাথে কথা বলতে না চান, আপনাকে দেখলে মনিটর অফ করে দেয় বা স্ক্রিন চেন্জ করে ফেলে । আপনার হঠাৎ উপস্থিতিতে অস্বস্তিবোধ করে । যদি দেখেন তারা মাত্রাতিরিক্ত সময় অনলাইনে থাকছে । আমি বলছি না, এসব করলেই এটা বোঝায় আপনার সন্তান খারাপ কিছু করছে । বরং আমি বলবো এটা নির্দেশ করে আপনার সন্তানের সাথে আপনার খোলামেলা কথা বলার সময় হয়েছে ।

কিছু প্রাথমিক নিরাপত্তা অভ্যাস:
আপনার সন্তানেকে কিছু প্রাথমিক নিরাপত্তা অভ্যাস সম্পর্কে অভিহিত করুন । যেমন :
১. কারো সাথে পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে না ।
২. পাবলিক প্লেসে পাসওয়ার্ডযুক্ত ওয়েব সাইট (যেমন ফেসবুক) ব্যাবহার যতটা সম্ভব কম করতে হবে ।
৩. পাবলিক প্লেসে কম্পিউটার ব্যবহার করলে অবশ্যই ঠিক মতে সাইন আউট করতে হবে ।
৪. কখনোই শুধু অনলাইনে পরিচিত হয়েছে এমন কারে সাথে দেখা করতে যাবে না । যদি যেতে হয় তবে অবিভাবক কাউকে নিয়ে যেতে হবে ।
৫. কোনভাবেই ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে পাবলিকলি দেয়া যাবে না ।
৬. ইন্টারনেটে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা (যেমন: সাইবার বুলিং) ঘটলে অবশ্যই তা অবিভাবককে জানাতে হবে ।
৭. ইন্টারনেটে কোন কিছু প্রকাশ/শেয়ার করার আগে ভালো করে ভাবে নিতে হবে কারন একবার তা প্রকাশ করে ফেললে তা আর রিভোক করা সম্ভব নয় ।
৮. তাকে অনলাইন প্রতারনা সম্পর্কে ধারনা দিতে পারেন তার বয়সের সাতে সামঙ্জস্য রেখে ।

রিসোর্স: অনলাইন প্যারেন্টিং বা সেফ ইন্টারনেট বিষয়ে বেশকিছু সাইট আছে যা আপনাকে ও আপনার সন্তানকে সাহায্য করতে পারে ।
১. http://www.cybersmart.gov.au/Parents/Guide to online safety/Guide to online safety.aspx
২. http://www.staysmartonline.gov.au/
৩. http://www.cyberpatrol.com/
৪. http://www.netnanny.com/
৫. http://www.cybersmart.gov.au/Young Kids.aspx
৬. http://www.youtube.com/watch?v=H5XZp-Uyjsg

বাবা মা হিসেবে আপনার সন্তানকে নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানানো ও তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা আপনার কর্তব্য । এজন্য তাদের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান এবং তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে তোলুন । তাদেরকে এই বিশ্বাস দিন যে তাদের উপর আপনি আযাচিত নজরদারি করছেন না বরং তাদেরকে ইন্টারনেটের অজানা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করছেন । বাবা মায়ের এই প্রয়াস আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক বেশি নিরাপদ ও কার্যকরী করবে । ধন্যবাদ সবাইকে ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×