ছাগুরা শাহাবাগ আন্দলোনকারিদের কখনো ক্ষমা করবে না।
এবং সেই সময় আইসিটিতে নবনিযুক্ত তরুন ব্যারিষ্টার তুরিন আফরোজ সংগত কারনেই ছাগুদের গাজ্বালা, শাহাবাগতো আরোকঠিন গাজ্বালা!
ছাগুরা ভিন্ন প্রসংগেও কোন যুক্তি খুজে নাপেয়ে সুধু বিরানীর কথা বলে তাদেরকে অকারনে গালাগাল করবে।
আসলে ফ্রী বিরানী-ফিরানি ব্যাপার না।
একমাত্র তাদের কারনেই গা ঝাড়া দিয়ে যুদ্ধাপরাধ আইন নতুন ভাবে সংশোধন করে ধারা যোগ করতে বাধ্য হয়েছিল সরকার। নতুন আইন যুক্ত করে ভূতাপেক্ষ (Retrospective) কার্যকারিতা দেয়ার মত দুঃসাহসি সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিল রাষ্ট্র।
যার দ্বারা কাদের মোল্লা ও ছাগুচিফদের ঝুলানো সম্ভব হয়েছিল।
নইলে নামমাত্র শাস্তি দিয়ে ছাড়া পেয়ে যেত খুনিগুলো।
তাই ছাগুদের প্রচন্ড গাজ্বালা, কোন যুক্তি না পেয়ে অকথ্য গালাগাল করে গাজ্বালা মিটায়।
শাহাবাগ আন্দলনকারিদের, সাহসি তুরিন আফরোজদের কখনো ক্ষমা করবে না ছাগুরা।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান নেই, এসব যারা বলছে এরা ছাগল।
সুধু যুদ্ধ আর এলাকা দখল করলেই একটি রাষ্ট্র হয়ে যায় না। আরো কিছু লাগে।
আইএস ও তামিল টাইগাররা অনেক অস্ত্র নিয়ে প্রায় সব এলাকা দখল করেছিল, কিন্তু লাভ হয়নি, এলাকা হয়েছে। রাষ্ট্র হয়নি।
সবাই জানে বিপুল ক্ষমতাধর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ শৃষ্টির প্রবলভাবে বিরোধীতা করেছিল। তখন মিসেস ইন্দিরাগান্ধী স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে রাজনৈতিক ও বিশ্বজনমত তৈরি করতে যে বিপুল অবদান রাখেন সেটা কেউই অস্বীকার করতে পারে না।
বাংলাদেশের পক্ষে ভারত ও সোভিয়েট ইউনিয়নের শক্ত অবস্থান না থাকলে বাংলাদেশ কখনো এত দ্রুত সফল রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভুত হতে পারত না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




