somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“আমার কর্মক্ষেত্রের মানুষগুলো ভাবে আমি নেট ইউজ করতেই বুঝি জানি না!”

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমার ব্লগার বন্ধুটি তার কাজ বদলানোর পর আর ব্লগিং করেন না। ফেইসবুকেও খুব একটা দেখা যায় না। অনেক সহপাঠি তাকে খুঁজেন অনলাইনে। বেশ ভালোই লেখতেন। আমি একটু বিস্মিতই হলাম, কারণ তার একটি পাঠকবলয় গড়ে ওঠেছিল, যা হয়তো অনেকে ঈর্ষা করবে।

একদিন মুখোমুখি আড্ডায় অনেক কারণ জানালেন তিনি। তার বর্তমান কাজটি এরকম যে, কম্পুতে বসে অন্যকিছু করার সুযোগ হয় না; ব্লগিংয়ের প্রশ্নই আসে না। কম্পুতে বসলেও নির্দিষ্ট কিছু কাজ থাকে তার সামনে। তাছাড়া অফিসের নৈমিত্তিক ব্যস্ততায়, ব্যক্তিগতভাবে কম্পুতে কিছু করা অস্বস্তিকর। তবে তিনি আত্মস্বীকার করে জানালেন যে, শারীরিকভাবে তিনি অনেক সুস্থ এবং হালকা অনুভব করেন আজকাল। তার পূর্বের কাজে বেশি বসে থাকার কারণে ‘মোটিয়ে’ গিয়েছিলেন এবং বেশকিছু রোগ-ব্যামারও বাধিয়ে ফেলেছিলেন। এসব নিয়ে তার স্ত্রীর সাথে বচসা লেগেই থাকতো। এবার তার সাংসারিক জীবনও আগের চেয়ে ভালো। সম্প্রতি তিনি জানালেন যে, ব্লগিং ভুলে যান নি, ভোলার নয়। বরং প্রাত্যাহিক জীবনে ব্লগিংয়ের সামাজিকতাকে প্রয়োগ করছেন এবং অনিয়মিতভাবে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন, যা হয়তো বই আকারে বের হতে পারে।


এবার একজন প্রাক্তন সহকর্মীকে নিয়ে একটি বেদনাদায়ক ঘটনা বলছি। আমরা একসাথে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে গেলে, তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমে গিয়ে যোগদান করেন। তার মুখেই বলা এই কাহিনি। আমি ছাড়া হয়তো আর কেউ জানে না। তাদের অফিসে এক সময় সকলেই ফেইসবুক টুইটার ইত্যাদি ব্যবহার করতো এবং ‘লাইক-শেয়ারিং’ ইত্যাদি নিয়ে অনেক মজাও হতো চা’য়ের আড্ডায়। তাদের সিনিয়র কর্মকর্তাও এসবের বাইরে ছিলেন না। একটি সংবাদ মাধ্যম হিসেবে কাজের ফাঁকে একটু আড্ডার প্রয়োজন থাকতেই পারে। কিন্তু অবাধে ফেইসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি অধিকতর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। তারা দেখলেন অথবা ধারণা করলেন যে, এতে অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ এবং গতিশীলতা ভিন্নদিকে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তাদের সিনিয়র ব্যবস্থাপক ঘোষণা দিয়েই অফিসে ফেইসবুক বা এরকম মাধ্যমগুলোর ব্যবহার নিষেধ করে দেন। নিষেধাজ্ঞা জারির কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে সতর্ক করতে হলো, কারণ পুরোনো অভ্যাস অনেকেই হঠাৎ ছাড়তে পারে নি! মাসখানেক পর শাস্তিসহ পুনঃসতর্কবার্তা জারি হলো! এরই মধ্যে সেই সিনিয়রের একটি পোস্টে ‘লাইক’ দিয়ে আমার সহকর্মী বন্ধুটি অফিস কর্তৃপক্ষকে বিশাল অস্বস্তিতে ফেলে দেন। ‘লাইক’ দেবার সময়টি ছিল অফিস টাইমের মধ্যে! যা হোক, ঘোষিত শাস্তি মোতাবেক, তাকে শোকজসহ বরখাস্ত করতে হয়। কিন্তু তার মতো একজন কর্মীকে তারা হারাতেও চাচ্ছেন না। কর্তৃপক্ষ একটি ফ্রেন্ডলি মিটিংয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তিনি এখন কী করতে চান। হয়তো তারা চেয়েছিলেন ক্ষমা করে দিতে! আমার সহকর্মী বন্ধুটি একটু নাকউঁচু টাইপের: ভাঙবে কিন্তু মচকাবে না! তিনি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। বিষয়টি আক্ষেপজনক হলেও ওখানেই শেষ হয়। কিন্তু চরম একটি শিক্ষা হলো সংশ্লিষ্টদের। ব্যাপারটি এরকম দাঁড়ালো যে, ফেইসবুক ব্যবহার করার কারণে তার চাকরিটিই থাকলো না।



আরেকজন সেলিব্রেটি ফেইসবুকারের গল্প বলছি, যার অগণিত বন্ধু এবং চার হাজারের ওপরে অনুসারি আছে ফেইসবুকে। তিনি মূলত ব্লগ থেকেই ‘সেলিব্রেটি নবুয়ত’ পেয়েছেন, যদিও তখনও তিনি এইচএসসিও পাশ করেন নি। সিরিয়াস লেখক বা কবি বা গল্পকার নন। ফান পোস্ট আর চলমান বিষয় নিয়ে রসাত্মক লেখায় পাঠককে জমিয়ে রাখতেন। এসবের পাঠক বেশি! ক্রমান্বয়ে বিশাল একটি ভক্ত সম্প্রদায় গড়ে ওঠে তার। টিনেজ পেরোনো ছেলেমেয়েদের জন্য এটি কিন্তু বিশাল প্রাপ্তি! স্বপ্নের মতো বিশাল! বলা যায়, তিনি রীতিমতো খ্যাতির মগডালে ওঠেছিলেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে, এটি শুধুই ভার্চুয়াল স্পেইস। একে বাস্তব জীবনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সাথে না মেশাতে পারলে অর্থহীন সময় ক্ষেপন মাত্র। বাস্তবিক সমাজে টিকে থাকার মতো যদি কিছু না থাকে, তবে শুধুই আকাশে বসত করে একে টিকিয়ে রাখা কঠিন। বাস্তব জীবনের বন্ধুরাই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়, অন্যদিকে ভার্চুয়াল বন্ধুরা শুধু মাত্র ‘রেস্ট ইন পিস’ অথবা একটি ‘লাইক’ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করে। অসম্ভব রকমের প্রচার ও সুখ্যাতি থাকলে এবং বাস্তবের সাথে তার যোগসূত্র থাকলে, এক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম আসতে পারে।

পরবর্তি ঘটনা যা হোক, সেই সেলিব্রেটিকে আর দেখা যাচ্ছে না! এই প্রস্থান হঠাৎ হয় নি। গত ৩/৪ বছরকে তার ‘উইথড্রয়াল পিরিয়ড’ বলা যায়। মানে হলো, পরিবারের চাপে আর পরীক্ষার নৈকট্যে, যেভাবেই হোক তার চেতনা হয় এবং ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বাস্তবিক জগতে ফিরে যান। হয়তো উচ্চতর পড়াশোনা করছেন, নয়তো চাকরিতে প্রবেশ করেছেন। আমার বন্ধু তালিকা থেকেও উধাও; বোধ হয় ফেইসবুক পরিচয়টিকেও নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন! অথবা, কে জানে, হয়তো ভিন্ন নামে আছেন!



আড্ডাবাজিতে আমার একটু দুর্বলতা থাকায়, এর কুফলটুকু আমি বুঝার চেষ্টা করছি। ব্লগিং যখন ‘আড্ডাফায়িং’ পর্যায়ে চলে যায়, তখন কীভাবে যে সময় চলে যায় বুঝা যায় না। সেটি নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের উভয়ের ক্ষতি। প্রতিটি চাকরিজীবি মানুষের দিবাকালীন আটটি ঘণ্টা আর্থিক মানদণ্ডে সুনির্দিষ্ট করা আছে। এর প্রতিটি ঘণ্টার আছে আর্থিক মূল্য। কাজ থাকুক অথবা না থাকুক, সময়টি প্রতিষ্ঠানের। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে-বলা মানুষ খুবই কম, তাই গায়েপড়ে কেউ সতর্ক নাও করতে পারে। এখানে বিবেকই একমাত্র নির্দেশিকা। তাই অফিসে বসে সামাজিক যোগাযোগে কতটা সময় দেওয়া যায়, কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং কতটুকু দিলে সেটি উপেক্ষা করার মতো, সেটি নিজের বিবেক দ্বারাই বিচার করা যায়।

ব্যক্তিগত সময়কেও (যেমন ছুটির দিন অথবা দিনের বাকি সময়) উদারভাবে ভার্চুয়াল সমাজে না দিয়ে কিছু সময় পরিবার, বন্ধু ও নিকাটাত্মীয়কে দেওয়া উচিত। এখন সময় এসেছে হাল টেনে ধরার। বিষয়টি নেশার পর্যায়ে চলে গেছে এবং কিছু কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে আসতে শুরু করেছে।


ব্লগার/ফেইসবুকারদেরকে আলোচনার স্বার্থে কয়েকটি ভাগে যদি ভাগ করি, তবে নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারবো।

▲ভার্চুয়াল মানব ১:

ব্লগ, ফেইসবুক, টুইটার, স্কাইপ, ফ্লিকার... প্রায় সব জায়গায় তার বিচরণ। একটি থেকে আরেকটি মাধ্যমে তিনি প্রায় ১৮ ঘণ্টা এপার-ওপার করেন। তাদের মধ্যে কারও কারও প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিবিদ্যা থাকার কারণে, ইন্টারনেটে থাকাটা মোটামুটি ‘ছোয়াবের বিষয়’ বলে ধরে নিয়েছেন। কারও আছে নিজস্ব ব্লগ, ওয়েবপোর্টাল বা সংবাদমাধ্যম। কেউ আবার অনলাইন সংবাদমাধ্যমে চাকরি করেন। তাদের মধ্যে একদল আছেন যারা চাকুরিসূত্রে অনলাইনে লটকে থাকেন, আরেকদল নেশা ও অপরিণামদর্শীতার কারণে।


▲ভার্চুয়াল মানব ২:

এদের অধিকাংশই একটি উদ্দেশ্য নিয়ে অনলাইনে সময় দেন। ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুম আসা পর্যন্ত তারা অনলাইনেই থাকতে চান, তবে কাজের চাপে সেটি পারেন না। ফলে সেটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং প্রাত্যাহিক জীবন ও সুস্বাস্থ্যের পরিপন্থী।


▲ভার্চুয়াল মানব ৩:

এই দলটি পেশাজীবী। সময় পেলে সর্বান্তকরণে অনলাইনে থাকেন। ব্লগে অথবা সামাজিক মাধ্যমে। সহপাঠিদের সাথে আড্ডা দেন, নিজেদের জীবনের ঘটনাগুলোকে শেয়ার করেন। স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি নয়। কারণ তাছাড়াও তাদের অনেক আগ্রহের বিষয় আছে, যা ভার্চুয়াল সমাজ দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়।


▲ভার্চুয়াল মানব ৪:

সকল বয়সেই একটি কাজহীন দল আছে। কেউ কাজ পাচ্ছে না, কেউ অবসরপ্রাপ্ত, কারওবা কাজের বয়সই হয় নি। তারা বিনোদন করতে অথবা স্মৃতি জমা করার জন্য অনলাইনে আসেন। কিন্তু নিজেরা কোন আর্থিক পেশায় যুক্ত না থাকায়, ততটা সময় অনলাইনে থাকতে পারেন না। এদের মধ্যে যারা বয়স্ক বা অবসরপ্রাপ্ত, তাদের অনেক সামাজিক কাজও থাকে।


যা হোক, এভাবে হয়তো ভার্চুয়াল মানব ৫... ১০, ১৫ অথবা ২০ পর্যন্ত যাওয়া যায়। কিন্তু শ্রেণীভেদের একটি সীমা থাকা উচিত। আমাদের অনলাইন জীবনেরও একটি সীমা থাকা উচিত, কারণ বাস্তবতাকে কিছু সময়ের জন্য ভুলে গেলেও এটি আমাদের পেছন ছাড়বে না। ভার্চুয়াল বিষয়গুলো খুব বেশি হলে অনুঘটক হতে পারে, অথচ বাস্তবতা দিয়েই জীবন গড়ে ওঠে।

বাসা হোক কিংবা কর্মস্থল, আমরা যেন আশেপাশের মানুষগুলোকে খেয়াল করি! কম্পিউটার বা স্মার্টফোনটি খোলা থাকতেই পারে, কিন্তু সে সাথে আমরাও খোলা থাকি বাস্তবতার দিকে!


“....তবে বাসার কম্পুটার ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে আর আমি থাকি তার আশেপাশেই।”





------------
শিরোনাম এবং লেখার শেষ বাক্যটি লেখকের একটি লেখায় ব্লগার শায়মা’র মন্তব্য থেকে উদ্ধৃত।

Image courtesy: baroneenglish.blogspot.com
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৬
৫৪টি মন্তব্য ৫৪টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিংবদন্তি আভিনেতা শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন ফরীদি এর কিছু পুরনো দিনের ফটো

লিখেছেন একজন অশিক্ষিত মানুষ, ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩২


তার অভিনিত আমার দেখা প্রথম নাটকটির নাম মনে নেই তবে সে নাটকে তার নাম ছিল কানকাটা রমজান আলী।
তারপর ওনার অভিনিত অনেক নাটক ও ছবি দেখেছি।যত দেখেছি ততই ভালো লেগেছে।
... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলো না হারাই

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৯


সুন্দর এই সন্ধ্যা
লাগছে ভীষণ ভালো—ভ্যাপসা গরম কেটে গেছে
ঘর্মাক্ত দেহটি এখন আর নেই
মনটিও সতেজ তাই ভাবছি বসে আনমনে
শুধু তোমাকেই। দেখ বেদনা কাব্য পুড়ে হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের টিভি সংবাদ

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:২১




সকালে ঘুম থেকে উঠে টিভি ছাড়লাম। স্ক্রলে ভেসে উঠছে-

তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন। খালেদা জিয়ার মুক্তি, সারা দেশে শোকরানা দিবস পালন করেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দূর আকাশে ভেসে...

লিখেছেন নস্টালজিক, ১৬ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৪৬



শোনো সহস্র শিশু ইয়েমেনে মরে
না খেতে পেয়ে, বলি
শিশু অধিকারে সরব(!) যারা
তাদের পথেই চলি।

যে পথে ফুল বিছানো সদ্য
কবি লিখছেন নতুন পদ্য
সেই পদ্যে জাদুকরী রঙে
শব্দ কল কাকলি ...

শোনো ধর্মের কথা মৃয়মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই সমাজ- ২

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৭:২০



প্রায় প্রতিদিনই দেখি মসজিদ নির্মানের জন্য টাকা তুলছে।
রাস্তার ফুটপাতে মাইক বাজিয়ে অথবা বাস যখন রাস্তার জ্যামে পড়ে তখন এক হুজুর ইনিয়ে বিনিয়ে মসজিদ নির্মান ও এতিম বাচ্চাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×