আমরা যদি দুনিয়ার সকল চোর/ ডাকাত/ হত্যাকারী/ ধর্ষণ কারী ইত্যাদি খারাপ লোকদের ধরে জেলে পুরে দেয় বা মেরে ফেলি তবুও দুনিয়া শান্তি ফিরে আসবে না!
কেন জানেন???
আমরা চোর ধরছি, চোরকে মারছি বা জেলে পুরে দিচ্ছি। কিন্তু সে কেন চুরি করছে? সে কোন কারণে চুরি করল তার কারণ একবারের জন্যও কেন জানতে চাইলাম না! সে চুরি করার পেছনের কারণ আমাদের উৎঘাটন করতে হবে। হয়ত ২/৩ দিন ধরে তার পরিবারের ছোট ছোট বাচ্ছারা না খেয়ে আছে। তাদের আহাজারি সে সহ্য করতে না পেরে চুরি করতে বাধ্য হয়েছে!
সৎ উপায়ে তো কেউ তাকে ১টা টাকাও দিল না। তাহলে কি করবে সে চুরি না করে? নাকি তার সামনে ধুকে ধুকে মরতে দেখবে তার সন্তানদের?
দেশে শিক্ষিত/ কম শিক্ষিত/ অশিক্ষিত লাখ লাখ যুবক বেকার সমস্যায় ভুগছে! জুয়া খেলছে/ চুরি করছে/ ডাকাতি করছে/ পরের মেয়ের দিকে নজর দিচ্ছে/ অযথা ঝগড়া করে হত্যাকান্ড ঘঠছে!!!
কেন? কেন এইসব ঘঠছে? যারা নির্বাচনের সময় ১০ টাকায় চালের কেজি খাওয়াবে বলে অঙ্গীকার করেছিল/ যারা ঘরে ঘরে চাকুরি দেওয়ার অঙ্গিকার করেছিল কোথায় আজ সেই ভন্ডরা? ব্যস্ত! বহু ব্যস্ত তারা! কেউ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখায় ব্যস্ত/ কেউ টাকার গোডাউন বানাতে ব্যস্ত/ কেউ আম্রিকায় বাড়ি গাড়ি বানাতে ব্যস্ত/ কেউ মদ্যপানে ব্যস্ত/ নারী নিয়ে উদোর ফূর্তিতে ব্যস্ত। তাদের এখন খেয়াল নেই সেই সব অঙ্গিকার। এখন জনগণ তাদের আর কাজে লাগে না।
জনগণের উপর ভিত্তি করে যেই রাষ্ট্রের নাম দেওয়া হয়েছে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ! সেই জনগণকে আজ পাখির মত নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। জাতির সূর্য সন্তানদের জেলে ভরে জুলুম করে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্ঠা করছে। পীর আউলিয়ার এই পণ্য ভুমিতে আজ নাস্তিকদের আড্ডাখানা বসেছে! জালিমরা হাহাহাহাহাহা করে আজ হাসছে। মানবতা আজ নিষ্পেসিত হায়েনার থাবায়...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



