আসলে নারী স্বাধিনতা কি?
নারীদের যা ইচ্ছে তাই করা?
পুরুষেরা যা করে তাই করা?
যা ইচ্ছা তাই করা স্বাধিনতা হতে পারেনা। বরং একটি নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে থেকে স্বাধিনতা ভোগ করা। যেমন একটি স্বাধিন দেশের লোক তার সীমারেখায় চলাফেরা করে।
আর পুরুষরা যা করে তা যদি নারীরা করতে চায় তাহলে তাদের পুরুষ হতে হবে। কেই যদি তার মায়ের দুদু খেতে চায় তাহলে তাকে নাবালক শিশু হতে হবে। কেউ যদি দাদুভাই হতে চায় তাহলে তাকে সেই পর্যায়ে যেতে হবে।
নারী এবং পুরুষ প্রত্যেকেরই একটি সীমারেখা আছে যা অতিক্রম করলে কারো জণ্যেই মঙ্গল হতে পারেনা। পুরুষের স্বাধিনতা মানে আরেক মেয়ের সঙ্গে ফস্টিনস্টি করা নয়। আর নারীর স্বাধিনতা মানেও স্বল্পবসনা হয়ে রাস্তায় বের হওয়া বা অফিস কলিগের বিছানায় যাওয়া নয়। স্ত্রী কাজ না করে সারাদিন বাসায় থাকবে এমন কথা নয় বরং প্রয়োজনে উভয়েই কাজ করবে।
একজন নারী ও একজন পুরুষ শারিরীক ও মানসিকভাবে কখনই একই সমান নয়। তাদের মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। আমার কথা নয় ্ এটা মেডিকেল সায়েন্সএর কথা।
আসলে নারী স্বাধিনতা বলতে কে কি বোঝে তা আমার কাছে বিষয়টা স্বচ্ছ না। তবে আমি মার্কেটিং এর লোক হিসেবে যতটুকু জেনেছি তার সামান্য কিছু এখানে তুলে ধরছি।
পন্য বিক্রির খাতিরে তিলকে তাল করা খুবই স্বাভাবিক জিনিস। ইথিকাল জিনিস শিখানো হয় বইতে লেখা আছে তাই। বাস্তবতা অণ্যরকম।
একজন নারী তার শিা, ব্যবহার, মেধা সবকিছুর উর্দ্ধে রয়েছে তার গায়ের রং। রং ফর্সা তো সে সবজায়গাতে ফিট। এমনটাই দেখানো হয় ফেয়ার এন্ড লাভলীতে।
পরপর দুই/তিনবার ভারতে মিস ওয়ার্ল্ড নির্বাচিত হবার কারন ইন্ডিয়াতে বহুজাতিক কোম্পানির পন্যের প্রসার।
বিভিন্ন ডে (মা দিবস, বাবা দিবস, ভালবাসা দিবস) প্রভৃতি আমদানী করা হয়েছে মুলত ব্যবসায়ীক দৃষ্টিকোন থেকে। হলমার্ক, অর্চিজ সহ বিভিন্ন গিফটবিক্রেতাদের উর্বর মস্তকের ফসল। সামনে আরো দিবস আসবে।
নারী স্বাধিনতা কে দিবে? যদি হয় পুরুষ। তাহলে পুরুষের সুবিধা অনুযায়ী দিবে। আর যদি নারী নিজেই তার স্বাধিনতা দিতে চায় তাহলে তা অর্জন করে নিতে হবে। কেউ কারো স্বাধিনা র্যাপিংপেপারে মুড়িয়ে উপহার দেয়না। এটা অর্জনের ব্যপার।
নারী স্বাধিনতা মুলত পুজিবাদীসমাজের এমন একটি মুলা যা নারীদের সামনে ঝুলানো আছে। স্বাধিনতার নামে তাদের ঘর থেকে বের করে এনে দশজনের খোরাকে পরিনত করছে। বিজ্ঞাপনে তাদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারছে। একটি গাড়ীর মডেলেও অর্ধনগ্ন নারীর প্রয়োজনীয়তা কোথায় তা কি ঐ নারী জানে?
পরিশেষে নারীদেরই ঠিক করতে হবে স্বাধিনতা বলতে তারা কি বুঝে বা কি করতে চায়। আর যাই বুঝুক স্বাধিনতা মানে যদি হয় পুরুষের থেকে আদায় করা তাহলে পুজিবাদীরা তাদের পন্য ছাড়া আর কিছুই করবে না। আর যদি পারে নিজেরাই তাদের স্বাধিনতা আদায় করে নিক। এটাই হবে সবচেয়ে ভাল।
কিন্তু..
সবার আগে জানা প্রয়োজন নারী স্বাধিনতা বলতে আসলে কি বুঝায়???
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



