নিষেধ অমান্যের শুরম্ন ঃ জ্বলনত্দ মোমের সলতেয় আঙুল
ফলাফল ঃ মধ্যমায় ফোস্কা
সিদ্ধানত্দ ঃ আগুনে হাত দিয়েছি, পুড়ে যাবো বলে।
নিষেধের কিশোরীকাল ঃ পথে পথে নুপূরদানা ছড়াইও না, সোজা গনত্দব্য, সোজা ফিরে আসা।
নিষেধ অমান্যের কিশোরীকাল ঃ মাঠের পরে দূরের দেশ পেরিয়ে রেলগাড়ি, টেলিগ্রাফের তারের ওপর ফিঙের ওড়াওড়ি।
ফলাফল ঃ ফ্রকে গেঁথে যায় ঘরছাড়া চোরকাঁটা।
সিদ্ধানত্দ ঃ কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা।
নিষেধের বাড়-বেলা ঃ ওখানে যেও না, ওখানে দুষ্টু একটা ছেলে থাকে, ছুঁয়ে দিলেই সর্বনাশ।
নিষেধ অমান্যের বাড়বেলা ঃ সারাটি দুপুর ঘাস ফড়িং-এর পেছনে ছুটোছুটি, হাত ধরে সেই নিষিদ্ধ ছেলের।
ফলাফল ঃ শুষে নেওয়া ঠোঁটের সমসত্দ রঙ তার জিহ্বায়।
সিদ্ধানত্দ ঃ যদি ভালোবাসি, ভালোবেসে চাই, তবে সবটুকু চাই, অল্পে আমার বিশ্বাস নাই।
নিষেধের মধ্যাহ্ন ঃ খোঁয়াড়ের বৃত্তে থেকে বাইরের স্বপ্ন এঁকো না, ঘর ভাঙবে
নিষেধ অমান্যের মধ্যাহ্ন ঃ সন্ধ্যার মেঘমালায় ভিজিয়ে অাঁচল, মনে টেনে নিই প্রমত্ত বাদল
ফলাফল ঃ সমাজধর্মের বাজারে বারবণিতার খেতাব।
সিদ্ধানত্দ ঃ তোর পায়ের শেকল, হয়েছে বিকল।
নিষেধের শেষ ঃ চললে কোথায়?
নিষেধ অমান্যের শেষ ঃ জাহান্নাবে, যাবে?
ফলাফল ঃ নাহ্ একাই যাও, নষ্টা কোথাকার!
সিদ্ধানত্দ ঃ যা কিছু আমার তা আমার, তাতে নেই কারো নু্যন-অধিকার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



