জরায়ুতে চাই যে ভ্রম্নণ
হোক সে এক মুক্তিযোদ্ধার
যে ঠোঁট বলেছিল জয় বাংলা - সে ঠোঁটে চুমু খাবো
যে সবল মুষ্টি মিছিলে ছিলো - সে হাতে ধরা দেবো
যে যুবক নগ্ন পায়ে ছিল রাজপথে - সে ধুলো চেটে নেবো
যে দিনকানত্দ দ্রাবিড় ফিরেছে সাঁঝে - তাকে শরীর পেতে দেবো
যে শহীদ যুদ্ধশেষে ফেরেনি ঘরে - তার সামনে খুলে দেবো দরজা বেহেশতের
জরায়ুতে চাই যে ভ্রম্নণ
হোক সে এক মুক্তিযোদ্ধার
যে কবি লিখেছে কবিতা রক্তাৰরে - তাকে সুগন্ধি সত্দন দেবো
যে কৃষক ফলিয়েছে সবুজ উপন্যাস - তার ঘাম শুষে নেবো
যে কামার বানিয়েছে বন্দুকের নালা - শরীরের চামড়া জুড়ে দেবো তার হাঁপড়ে
যে কণ্ঠ গেয়েছে মুক্তির গান - তার শ্বাসে নিঃশ্বাস মেশাবো
যে শিল্পী এঁকেছে লাল পতাকা - তার তুলিতে ভেনাস হবো
জরায়ুতে চাই যে ভ্রম্নণ
হোক সে এক মুক্তিযোদ্ধার
যে শুনেছে - এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
যে বিশ্বাসিছে - এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম
যে মেনেছে - স্বাধীনতা আমার স্ব-অধীনতা
যে জেনেছে - রক্ত দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশালস্নাহ্
যে সজ্ঞানে বলেছে - জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
জরায়ুতে চাই যে ভ্রম্নণ
হোক সে এক মুক্তিযোদ্ধার
পবিত্র শোণিত স্রোতমান হোক তার ধমনীতে
যে হাত অস্ত্র ধরেছিল - সে আদলে, তার হাত হোক
যে চোখ রক্ত দেখেছিল - সে আদলে, তার চোখ হোক
যে হৃদয় ভালোবেসেছিল - সে আদলে, তার হৃদয় হোক
যে পায়ে হেঁটেছিল দীর্ঘ পথ - সে আদলে, তার পা হোক
যে বুকে হয়েছিল পবিত্র ৰত - সে আদলে, তার বুক হোক
অসীম ভালোবাসায় সে চিনে নিক তার জননীকে
জরায়ুতে চাই যে ভ্রম্নণ
হোক সে এক মুক্তিযোদ্ধার
সেই বীর্যে নিষিক্ত হোক ডিম্বক যা মুক্তিযোদ্ধার
সেই শৌর্যে নির্মিত হোক কোষ যা অমিত শ্রদ্ধার
(26শে মার্চ 2006)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



