কবিতা শুনবে? ঘাসেপাতায় কবিতা-দ্রোণ লেগেছিল, যখন
মোমগলা ভালোবাসায় মরা নদী পেয়েছিল প্রাণ, শেকড়ে
শেকড় লেগে তরতরিয়ে জীবন লতা হয়েছিল, দূরে তখন
আড়মোড়া ভাঙছিলো ছেনাল চাঁদ। কামুক সূর্য ছিল হয়তো
কাছেপিঠে কোথাও, নইলে অমন ঘঁষা চাঁদ
দেখেছো কখনও? দিগনত্দে অাঁধার ছেনে সোঁদালি জ্যোছনায়
ভরিয়েছিল শরীর তোমার আমার;
হিম বিছানো বুকে ভেসেছিল কবিতা-নাও।
এখন, কবিতা হারিয়েছে, বুক থেকে মন থেকে
দু'পায়ের মাঝে কানাগলি থেমেছে এঁদো পুকুরে, চালসে
চোখ পারে না চিনে নিতে এক হাত দূরের অবয়ব
যারা কাছে ছিল, তারা বিলীনের পথে গেছে, সব আয়োজন
শেষ হয়েছে ধ্বংসের। পাহাড়ের মতো ঢেউ আসছে পৃথিবীর
ওপাশ থেকে যাদুমন্ত্রে দীৰা নিয়ে, গভীর খাঁদে টেনে নেবে
জন্ম কিবা মৃতু্য ধীর অথবা দ্রম্নত, তুমি বা আমি সকল জীবিতেরা
ওই ইচ্ছের সঙ্গে পথ হাঁটছি, কালিদহ যেমন টানে গাভীন নদীকে
অতলে; গাঢ় নিকষ মৃতু্যতে।
অচল শবদেহ পারে কি সচল পঙক্তি সাজাতে? পারে কি জন্ম দিতে
ভ্রম্নণ? শস্য ছড়িয়ে কি হবে, যদি বন্ধা হয় জমি; যদি ধ্বংসই হয়
সীমা তবে কাঁটাতারের ব্যাড়া ডিঙিয়ে চলো ছুঁয়ে আশি ঈশ্বরের শরীর
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



