মানুষের আশাময় চলার পথে
হঠাৎ পায়ের তলায় হাঁড়ের টুকরো বেঁধে
হাঁড় হেসে কয়, হে পথিক দেখেশুনে চলো
আমিও একদিন মানুষই ছিলাম
নয়.
চলে এসো, এখনও শীত চলে যায়নি দূরে
চলে এসো, এখনও পাহাড়ের মাথায় জমে আছে শুভ্র বরফ
সুগন্ধের নহরে টুপটুাপ ঝরছে তারাগুলো
কিন্তু হায়, এই শহরে স..ব আছে
শুধু তুমিই নেই
দশ.
আহ্ আজকাল ঋতুর যে কি ব্যামো হয়েছে
রোদ বেশি আর ছায়া কমতে শুরম্ন করেছে
আয়নার সামনে দাঁড়ালেই বুঝি
তোমার ভালোবাসার আকাল পড়েছে
এগারো.
এসো প্রিয়, আমার সঙ্গে চাঁদও আছে জেগে
চোখের পাতায় নিয়ে তারা চাঁদও দাঁড়িয়ে আছে (আমারই মতো)
আজ কে যেনো তোমার কথা তুলেছিল
তারপর বুকের ব্যাথাটা গেলো বেড়ে, আমি এখন জ্যোছনাভুখ চাতকী হয়েছি
বারো.
আজ তার সঙ্গে দেখা হবে
কে জানে, তারপর কি হবে?
দু'দিন ধরে আকাশটা খুব কাঁদছে
তুমি কি ওকে কিছু বলেছো?
দু'পা সঙ্গে হেঁটেই সে ফিরে গেলো
কে জানে, এই হয়তো নিয়তি ছিলো
ঘরে প্রদীপ জলে আলোর জন্য
কে জানে কেউ হয়তো আমার মতো হৃদয়ও জ্বালিয়ে দেয়
তেরো.
সারাজীবন আমায় পথ চলিয়েছে
একদিকে খুদা, আরেকদিকে প্রিয়
এটাই প্রেয়স-গলি
নাহলে আমার পা এখানে থেমে যাবে কেন?
চৌদ্দ.
এখন এদিকে তাকিওনা
আমি কবিতা লিখছি
আমার শরীরে তোমার শরীর
আমূল ডুবিয়ে নিচ্ছি
রাত-জাগা আমি, দিনক্লান্ত তুমি
এসো সন্ধ্যাটা দু'য়ে দু'য়ে কেটে যাক
এইমাত্র তোমার পরিচিত কেউ চলে গেলো আমার পাশ দিয়ে
আমি তোমার ঘ্রাণ পেলাম, ইচ্ছে হলো বাতাসে খবর পাঠাই - তুমি চলে এসো
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




