পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে এলে পরীার্থীর পাশাপাশি অভিভাবকদেরও অনেক পরিবর্তন আসে । পরীক্ষার্থীরা থাকে পড়ার চিন্তায় আর বাবা-মা থাকেন সন্তানের ভালোমন্দের চিন্তায় । এই ভালো-মন্দ আবার খাওয়ার সাথে সম্পর্কিত । দুধ, ডিম, ফলমূল থেকে শুরু করে বাজারের এহেন কোন খাদ্য নেই যা তারা তাদের সন্তানের মুখে তুলে দিতে চান না । কারন এতে তার সন্তানের স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে আর ভালো ফলাফল অর্জনে সম হবে । কিন্তু এটা যে কতবড় আহাম্মকি.........। আমাদের এক ক্লাসমেট, সুস্থসবল মানুষ । কিন্তু এস.এস.সি. পরীক্ষার হলে এল স্যালাইনের সুচ লাগিয়ে । অভিভাবকের অত্যাধিক আয়োজনই তার এ অবস্থার কারণ । তাই অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত ।
গত এইচ.এস.সি. পরীার সময় আওয়ামী লীগের হরতালে পরীক্ষার্থীদের অশেষ দূভের্াগ পোহাতে হয়েছিল । আর এখন তো তারা দুই দিন পরপর হরতাল ডাকছেন । এবারের এস.এস.সি. পরীক্ষার্থীরাও কি দূর্ভোগে পড়বে ??
আগে পরীক্ষার নাম শুনলেই নকলের কথা মনে আসত । এখন নকলের হার অনেক কমে এসেছে । নকলের আশায় বসে না থেকে এখন সবাই পড়াশুনায় মন লাগিয়েছে । এটা সম্ভব হয়েছে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কঠোর পদক্ষেপের জন্য । এবারের পরীক্ষা আশা করি 100% নকলমুক্ত অনুষ্ঠিত হবে ।
যারা এবারের পরীক্ষার্থী, তাদের প্রতি শুভকামনা রইল । 'এ প্লাস' না পাও, ভালো রেজাল্ট না করো কিন্তু সৎ মানুষ হওয়ার চেষ্টা করো । বাংলাদেশে এখন সৎ মানুষের প্রয়োজন ।
( রাফাতের পরীক্ষা উপলক্ষ্য করে এ লেখা ।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



