somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উপার্জন না বাড়িয়েও কিভাবে ধনী হবেন?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
যে তিনটি অভ্যাস আপনাকে গরীব থেকে ধনী হতে সাহায্য করবে।




আপনি এটাকে জীবনের মানি ম্যানেজমেন্ট ও বলতে পারেন।উপার্জন না বাড়িয়েও আপনি ধনী হতে পারেন যদি শুধু আপনার ফিলোসফি বা ধ্যানধারণায় পরিবর্তন আনতে পারেন। পৃথিবীর সব মানুষই ধনী হতে চাই। এটা মানুষের সহজাত কামনা। টাকার পিছনে আমরা সবাই ছুটি , টাকার প্রয়োজন সবারই আছে। কেউ যদি বলে তার টাকার প্রয়োজন নেই, তাহলে আমি মনে করি তার সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম আছে নয়তো সে টাকার পিছনে ছুটে ছুটে ব্যারত্থ কিন্তু টাকা ধরে রাখতে পারে নাই সেই ব্যারথতা থেকেই এই কথা বলে। এই পৃথিবীতে সবার উপার্জন সমান না এই কথা ঠিক। কেউ অল্প আয় করেও কিছু জমাতে পারে আবার কেউ মিলিয়ন মিলিয়ন আয় করেও ঠিক মত মাস চলতে পারে না।

আমি আপনাদের সাথে কিছু সাধারন ফর্মুলা শেয়ার করবো যেটা আমি মেনে চলি, হয়তো এটা আপানকেও সাহায্য করবে উপার্জন যত কমই হোক শেখান থেকে কিছু জমাতে।

১। ৭০/৩০ঃ আমি এই নিয়মের নাম দিয়েছি ৭০/৩০ রুলস।

আপনি মাসে যা আয় করেন টা থেকে ৭০% খরচ করেন, বাসা ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য আনুসাঙ্গিক কাজে। আপনি ২০০০০ টাটা উপার্জন করলে ১০০০০ টাকার বাসা ভাড়া দিয়ে থাকার মানে হয় না। প্রতিদিন মাছ-মাংশ খাওয়াও জরুরি না। বিলাস বহুল চিন্তা ভাবনা এখানেই বন্ধ করুন। আপনি এমন জায়গায় থাকুন বা এমন ভাবে চলুন যাতে আপনি আপনার উপার্জনের ৭০% টাকা দিয়েই অনায়েসে চলতে পারেন। ওয়ারেন্ট বাফেটের সেই কথাটা বলতে চাই, আপনি জমানোর পর যা থাকবে সেটা দিয়ে চলার চেষ্টা করুন। ৩০% আগে জমান, বাকি যা থাকবে সেটা দিয়ে চলার চেষ্টা করুন। দেখবেন বছর শেষে একটা ভালো এমাউন্ট চলে এসেছে আপনার কাছে।

২। ইনভেস্টমেন্টঃ .আপনি কয়েক বছর ধরে যখন টাকা জমাতে থাকবেন, একটা সময় হয়তো আপনার কাছে ভালো এমাউন্ট জমা হয়ে যাবে। আপনি এই টাকাটা একটা ভালো কোন কাজে ইনভেস্টের সুযোগ খুজেন। মনে রাখবেন টাকায় টাকা আনে। অবশ্যই যে কাজটা আপনি জানেন না বা যে বিষয়ে আপনার ধারনা নেই অন্য মানুষের কথায় সেই সব জায়গায় ইনভেস্ট করবেন না। তাড়াহুড়ো করবেন না। মনে রাখবেন আপনার যখন অর্থ আছে ইনভেস্ট করার মত, তখন সুযোগ আসবেই ভালো কোন কাজে ইনভেস্ট করার। ইনভেস্ট করার আগে দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদার কথা মাথায় রাখবেন । কোথায় ইনভেস্ট করলে আপনি রিটার্ন ভালো পাবেন। হুজুগে কান দিবেন না। সবাই শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করে রাতা রাতি ধনী হয়ে গেল, আমি পারলাম না। ফরেক্স মার্কেটে মাসে মাসে ব্যালেন্স দ্বিগুণ হয় আমারো হবে এই সমস্থ চিন্তা পরিহার করুন। মনে রাখবেন পৃথিবীর অন্যতম কঠিন কাজের মধ্যে একটা হলো বৈধ উপায়ে অন্যর পকেটের টাকা নিজের পকেটে আনা অর্থাৎ ব্যাবসা করা। কাজটা জতটা সহজ ভাবা হয় আসলে কি ততটা সহজ? না কখনোই না। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, ব্যাবসায়িক জ্ঞ্যান, লোভ পরিহার এবং সঠিক জায়গায় ইনভেস্টমেন্ট। রাতারাতি ধনী হওয়ার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। দেখেবন হয়ে যাবে।

৩। জমানোর অভ্যাসঃ
আমাদের দেশে একটা বড় সমস্যা হল আপনি যদি মোটামুটি আয় করেও একটু খারাপ ভাবে চলেন , আর কিছুটা জমানোর অভ্যাস থাকে লোকে আপনাকে বলবে কিপটা। অন্যর কথায় কান দিবেন না। আজ আপনি যদি বিপদে পরেন , এদের কেউই আপানকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে না। এই বুদ্ধি সেই বুদ্ধি দিবে। যখন আপানর অর্থ প্রয়োজন তখন আসলে কোন বুদ্ধিই ভালো লাগবে না। কারন প্রয়োজনটা অর্থের বুদ্ধির না। যাইহোক, আপনি কোন কাজে ইনভেস্টের সময় পুরোটাকাটা সেই খাতে ইনভেস্ট করবেন না। কিছু টাকা হাতে রাখুন। ব্যাবসায়ে বিপদ –আপদ বলে আসে না। ওয়ারেন্ট বাফেটের এর কথাটা মেনে চলুন, এক ঝুড়িতে সব ডিম রাখতে নেই। কারণ ঝুড়িতে যখন আঘাত পরবে ঝুড়ির সব ডিম ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা থাকবে। আপনি আসতে আসতে দুই তিনটা খাতে সেই অর্থ ইনভেস্টের পরেও কিছু টাকা জমিয়ে রাখার অভ্যাস করুন। যদিও আপনার সব জায়গা থেকে লাভ আসে তবুও আপনি জমানোর অভ্যাস ছেড়ে দিবেন না। একি জায়গায় সব টাকা ইনভেস্ট করবেন না যদিও আপনি দেখেন সেই ব্যাবসা থেকে আপনার ১০০% প্রফিট হচ্ছে। মনে রাখবেন আপনার বিপদের দিনে এটা সাহায্য করবে।
আরও আর্টিকেল পরতে ঘুরে আসতে পারেন আমার ব্লগ we-freelancer.com থেকে।
ধন্যবাদ সবাইকে। শুভ কামনা
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেন লিখলাম? ইচ্ছে হলো তাই। কেন ইচ্ছে হলো?

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯

একজন নিহিলিস্ট হিসেবে যা-ই লিখি তা-ই হয়তো অর্থহীন হয়ে ওঠে। কিন্তু যা ‘অর্থহীন’ তা কি কখনো কিছু ‘হয়ে ওঠা’? যেহেতু জন্মেছি এবং মৃত্যুর জন্য নিরন্তন অপেক্ষা- সেই অপেক্ষাকে কিছুটা স্বস্তিদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু কিছু স্মৃতি ভুলার মত না।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১৯

আমি এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি ২০১১ সালে। ঐ পরীক্ষার এক মাসের কথা এখনো মনে পড়ে। ১ম পরীক্ষার সময় খাতা পাওয়া, রোল নাম্বার লেখা, প্রশ্ন হাতে পাওয়া এগুলো এখনো মনে পড়ে। মাজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, আইনও কি সঙ্গে নিয়ে গেছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৬


প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলেই দেশ অশান্ত হয়ে ওঠে । সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে কেন? প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেই কিছু নেতাকর্মী যেন নিজেদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪


৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

ক্ষমতার পালাবদল হয়, কিন্তু ইতিহাসের কাঠগড়া কখনো খালি থাকে না
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক নাটকীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×