somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অরক্ষতি হুমায়ূন আহমদেরে ওষুধি বৃক্ষরে বাগান

০৫ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বৃক্ষসখা ছিলেন। সকল প্রকার বৃক্ষের প্রতি তার অপরিসীম দরদ ছিল। শহরে বৃক্ষ নেই বললেই চলে। বৃক্ষ লালন-পালনের সুযোগ তো একদমই নেই। তাই বলে তিনি একান্তে বৃক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন না। নাছোড়বান্দা প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ শহর ছেড়ে ঢাকার অদূরে গাজীপুরের শালবনের ভিতরে পিরুজালি গ্রামেই গড়ে তুললেন বৃক্ষের অভয়াশ্রম। নুহাশপল্লীকে বৃক্ষপল্লী বললেও ভুল হবে না। ১৯৯৮ থেকে মৃত্যুবধি তিনি রোপণ করেছেন প্রায় আড়াই হাজার ফলজ বনজ ওষুধি বৃক্ষ।
হুমায়ূন আহমেদ তার গল্প, উপন্যাস, নাটক ও সিনেমায় বৃক্ষকে পরম মমতায় তুলে ধরেছেন। ওষুধি বৃক্ষের গুণাগুণে মুগ্ধ হয়ে ঠিক করলেন একটি ওষুধি বৃক্ষের বাগান করবেন। নুহাশপল্লীর উত্তরদিকে খোলা মাঠের পাশেই ওষুধি বৃক্ষের বাগানটি। কয়েক প্রজাতির ৫০০ বৃক্ষ রোপণ করেছেন। বাহারি গুণাগুণের বৃক্ষগুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন বন-জঙ্গল, নার্সারি দেশ-বিদেশ ঘুরে। রীঠা, ভৃঙ্গরাজ, বাসক, হরীতকী, কফি, লবঙ্গ, ইবতি, শিবপা-ি, লবঙ্গ, ব্লাডলিফ, পাহাড়ি বেল, খয়ার, পানবিলাসসহ বিচিত্র উদ্ভিদ রয়েছে এ বাগানে। বাগানটি অবশ্য তার অনাগত সন্তান রাশেদ হুমায়ূনকে উৎসগ করা।
ঈদের দিন বিকালে নুহাশপল্লীতে গিয়ে দেখা গেল দর্শনার্থীরা সহজেই বিলুপ্তপ্রায় এই ওষুধি বৃক্ষের বাগানে ঢুকে পড়ছে। বাগানটির চারদিকে বেড়া বা সীমানাপ্রাচীর না থাকায় ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, সব শ্রেণী পেশার মানুষ সহজেই বাগানে ঢুকে পড়ছে। কেউবা বৃক্ষের পাতা ছিঁড়ছে, ঢাল ভাঙছে স্মারক হিসেবে সংগ্রহে রাখার জন্য। কেউবা কোনো রোগ থেকে মুক্তির জন্যও বৃক্ষ নষ্ট করছে। ঈদপরবর্তী ভ্যাকেশন চলায় দূরদূরান্ত থেকে প্রতিদিন সহস্রাধিক লোকের আগমন ঘটছে নুহাশপল্লীতে। নুহাশপল্লীর স্টাফ আসাদুজ্জামান খান জানান, গতকাল শুক্রবারও ১০ হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছিল। হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকলেও তার প্রিয় বাগানটির এই অবস্থা দেখলে কষ্ট পেতেন।




০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Rest in peace Kaarina Kaisar

লিখেছেন রিয়াজ হান্নান, ১৬ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:১৫


34th July, 2024.
Dhaka, Bangladesh ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ কি শুধু মক্কায় রয়?

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৯

মক্কা গিয়ে "আল্লাহ খোঁজো" আল্লাহ শুধু মক্কায় রয়?
পাশের ঘরে ভুখা জাগে নিভৃতে তার রাত ফুরোয়।
পাশের ঘরের ভুখা জানে রাত কিভাবে প্রভাত হয়!
— শ্রাবণ আহমেদ ...বাকিটুকু পড়ুন

আব্বাসীয় কুরাইশ এবং তাদের হানাফী অনুসারী আল্লাহর সবচেয়ে বেশী প্রিয়

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১৭



সূরাঃ ১০৬ কুরায়শ, ১ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যেহেতু কুরায়শের আসক্তি আছে
২। আসক্তি আছে তাদের শীত ও গ্রীষ্মে সফরের
৩। কাজেই তারা ইবাদত করুক এ ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোকের দিনে উল্লাস: শুরু হলো কখন থেকে?? বাংলাদেশের রাজনীতির নৈতিক পতনের এক কালো অধ্যায়

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩






বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা আছে, যেগুলো শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না, ছিল জাতির নৈতিক বোধের ওপর নির্মম আঘাত। একজন জাতীয় নেতার শাহাদাত বার্ষিকীর দিনে একটি দলের নেত্রীর তথাকথিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাঙা কমল-কলি দিও কর্ণ-মূলে, পর সোনালি চেলি নব সোনাল ফুলে......

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৬ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১৬


সেই ছোটবেলায় আমার বাড়ির কাছেই একটা বুনো ঝোপঝাড়ে ঠাসা জায়গা ছিলো। একটি দুটি পুরনো কবর থাকায় জঙ্গলে ছাওয়া এলাকাটায় দিনে দুপুরে যেতেই গা ছমছম করতো। সেখানে বাস করতো এলাকার শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×