somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ দলের বিষ!

১১ ই মে, ২০১৫ সকাল ৮:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তিন মাসের টানা আন্দোলন শেষ না হতেই কঠিন টানাপড়েনে পড়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট। জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে। বিএনপির সাম্প্রতিক আচরণে অন্য শরিকরাও কম-বেশি হতাশ। এই ক্ষোভ ও অন্তর্দ্বন্দ্ব এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যে কোনো সময় জোট ছাড়তে পারে বেশ কয়েকটি শরিক দল। এ জন্য বিএনপির অবহেলা, অবমূল্যায়ন, অনিয়ম ও সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেন শরিক দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিএনপির প্রতি জামায়াতের যেমন ক্ষোভ বেড়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক চাপসহ বিভিন্ন কারণে জামায়াতের প্রতি বিএনপিও এখন উদাসীন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এসব তথ্য দিয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার দল। আমরা জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী। জামায়াতের আদর্শ আলাদা। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক জোটভিত্তিক আন্দোলন ও নির্বাচনকেন্দ্রিক। এর বাইরে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আমি মনে করি, বিএনপি একটি জাতীয়তাবাদী দল। আপন শক্তিতেই বিএনপিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত।জোটের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা জানান, কয়েক মাস পরপর কোত্থেকে যে কীভাবে সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি আসে তা ঘোষণার আগ মুহূর্তে এমন সময়ে আমাদের শোনানো হয়, যখন শুধু সমর্থনজ্ঞাপন ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। অনেক সময় এতটুকুও জোটে না, অন্য কারও মুখে জানতে হয়, ‘বিএনপি এই সিদ্ধান্ত বা কর্মসূচি’ গ্রহণ করেছে। এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও জামায়াতে ইসলামীর ওপর তিন মাসের আন্দোলন ও সাম্প্রতিক সিটি নির্বাচনে ‘নিষ্ক্রিয়তা’সহ নেতিবাচক ভূমিকা পালনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এমনকি জামায়াত নেতাদের একটি বৃহৎ অংশের সরকারের সঙ্গে গোপন আঁতাত রয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। এর ফলে জামায়াত সাম্প্রতিক আন্দোলনে ‘আইওয়াশ’ ছাড়া তেমন কোনো ভূমিকা রাখেনি। আন্দোলনও কাক্সিক্ষত সাফল্য পায়নি বলে মনে করছে বিএনপি। বিএনপি সূত্রে জানা যায়, দলের পক্ষ থেকেও জামায়াতকে ছাড়তে বিএনপি প্রধানের ওপর চাপ রয়েছে। বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী প্রগতিশীল নেতারা মাঝে-মধ্যেই বেগম জিয়াকে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। তাদের বক্তব্য, জামায়াতের কারণেই সরকারবিরোধী প্রগতিশীল শক্তিগুলো বিএনপির সঙ্গে কোনো সম্পর্কে জড়াচ্ছে না। তাছাড়া ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। চলমান বিশ্বরাজনীতিতে জামায়াতকে বাদ না দিলে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সূত্র জানায়, জামায়াত-শিবির নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের বেশির ভাগ নেতা-কর্মীই রীতিমতো বিরক্ত। এ ছাড়া জামায়াতের ব্যাপারে ইউরোপ-আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বের অনেক দেশ ও সংস্থার আপত্তি থাকায় বিএনপির একটি অংশও চাচ্ছে ধর্মভিত্তিক এই রাজনৈতিক দলটিকে জোট থেকে বাদ দিতে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও জামায়াত সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করা হয়েছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি বিবৃতিতে। এমনকি সাম্প্রতিক একটি বিবৃতিতে আফ্রিকার একটি জঙ্গি সংগঠন ‘বোকো হারামের’ সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে বাংলাদেশের এই ধর্মীয় দলটিকে। তাছাড়া বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম, এমনকি অধ্যাপক ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারার মতো সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পরও শুধু জামায়াতের কারণে জোটে আসতে অসম্মতি জানিয়েছে বলে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে। ফলে সঙ্গত কারণেই ইদানীং বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব বেড়েছে। সূত্র জানায়, ২০ দলের শরিকদের মধ্যে বিএনপির এখন সবচেয়ে বেশি ‘টানাপড়েন’ চলছে জামায়াতের সঙ্গেই। তাদের সম্পর্ক এতটাই বিরূপ ধারণ করেছে যে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজে ফোন করে না ডাকলে জামায়াতের কোনো নেতা আর বিএনপিমুখী হবেন না। তারাও নিজ থেকে কোনো যোগাযোগও করবেন না। জামায়াতের একজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পর্যায়ের নেতা এ তথ্য জানান।অপর একটি সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক আন্দোলন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটি নির্বাচন, জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসিসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি কোনো যোগাযোগ না করায় জামায়াতের এই ক্ষোভ বেড়েছে। বিশেষ করে অনির্দিষ্টকালের টানা অবরোধ, অতঃপর লাগাতার হরতাল কর্মসূচি ঘোষণার আগে জামায়াতের সঙ্গে ন্যূনতম কোনো আলোচনার প্রয়োজনবোধ করেনি বিএনপি। এর ফলে আন্দোলনের জন্য তেমন প্রস্তুতি নেওয়ারও সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কর্মসূচি ঘোষণার কয়েক দিন পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাছাড়া সদ্য অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ সেই নির্বাচনের প্রার্থী নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। বিশেষ করে ২০ দলের নামে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হলেও কাউন্সিলর পদের প্রার্থী নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করেই বিএনপির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ‘আদর্শ ঢাকা আন্দোলন’র নেতাদের নিয়ে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেন। যা থেকে তাদের দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের নাম বাদ পড়ে। এ ছাড়াও জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হলেও বিএনপির পক্ষে কেউ ভিতরে ভিতরেও এতটুকু সহানুভূতি দেখায়নি। তাদের মতে, জামায়াত প্রতিষ্ঠার পর এত বড় কঠিন সময় আর কখনো পার করেনি দলটি। অথচ দলের এই চরম দুঃসময়ে জোটের নেতৃত্বাধীন দলের কাছ থেকে ন্যূনতম কোনো সহযোগিতা তারা পায়নি। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘সিটি নির্বাচনে জামায়াত ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করেছে। কারণ সবাই যখন বর্জন করছে, তারা তাদের প্রার্থী রেখে দিয়েছে। এটা ঠিক হয়নি।’ জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতাদের মতে, বর্তমান সরকারের শাসনামলে বিএনপির ডাকে কয়েক দফা আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের শতাধিক নেতা-কর্মী খুন ও গুমের শিকার হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কখনোই সদাচরণ কিংবা কোনোরূপ সহানুভূতিও প্রকাশ করা হয়নি। জামায়াতের মজলিশে শূরার একজন সদস্য জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের ডাকে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচির দিন খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসার চারদিকে বালির ট্রাকে অবরুদ্ধ হওয়ার পর বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী রাজপথে না নামলে জামায়াত-শিবির নেতারা সেদিন ঢাকার রাজপথে নামেন এবং মালিবাগ মোড়ে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তারা পিছু হটে। সেই থেকেই মূলত বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর থেকে তাদের বিশ্বাসে চিড় ধরে। এরপর চলতি বছর ৩ জানুয়ারি গুলশানের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হওয়ার পর বিএনপির ১০ জন নেতা-কর্মীও তাদের নেত্রীর জন্য কিংবা তার আহূত কর্মসূচিতে গুলশানে অথবা ঢাকায় একদিনও নামেননি বলে দাবি জামায়াতের। অথচ জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা প্রায় প্রতিদিনই ঢাকার কোথাও না কোথাও ঝটিকা মিছিল বের করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুধু জামায়াতই নয়, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, এলডিপি, জাগপা, বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ আরও বেশ কয়েকটি শরিক দল বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক আচরণে ক্ষুব্ধ। এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য কয়েকটি দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা সম্প্রতি খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেও দেখা পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির শেখ আনোয়ারুল হকসহ বেশ কয়েকটি পার্টি জোট ছেড়ে চলে যায়। পরে তাদের অধঃস্তন নেতাদের দিয়ে আবারও সেগুলো পুনর্গঠন করে জোটের অন্তর্ভুক্ত করে রাখা হয়।বাংলাদেশ লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ড. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, এত বড় জোটে একটু-আধটু মান-অভিমান হতেই পারে। এটাকে টানাপড়েন বলাটা ঠিক হবে না। তাছাড়া বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর ক্ষমতাসীনদের যে মাত্রার দমননীতি চলছে তাতে ইচ্ছা করলেই কোনো দলের পক্ষে এখন নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তবে নেতৃত্বাধীন দল হিসেবে বিএনপি নেতারা আরেকটু দায়িত্বশীল হবেন বলেও আশা করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য জানান, জামায়াতের কারণে ইন্ডিয়ার পর এখন ইউরোপ-আমেরিকার সমর্থনও তারা হারাতে বসেছেন। বিশেষ করে ২০১২ সালের অক্টোবরে ভারত সফরকালে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসার পর ২০১৩ সালের মার্চ মাসে সে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফরকালে তার সঙ্গে খালেদা জিয়ার দেখা না করার বিষয়টিকে অত্যন্ত নেতিবাচক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন বিএনপির এই নীতিনির্ধারক। এ জন্য তিনি জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকেই দায়ী করেন। - See more at: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১৫ সকাল ৯:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×