somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গৌরবের যত অর্জন

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জলবায়ুর পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বে একটি মারাত্মক হুমকিরূপে আবির্ভূত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশসহ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। উন্নত বিশ্বের শিল্প কারখানার কারণে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা। গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ায় বাতাসে সীসার মাত্রা বেড়ে যাওয়া, সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির লেভেল ক্রমশ নিচে নেমে যাওয়াসহ ওজন স্তর ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়েই দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ছে। ভূমিকম্প, ভূমিধস, খরা-বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হচ্ছে মানুষ। উন্নত বিশ্বের শিল্পমুখীতার প্রভাবে এসব দুর্যোগের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বিষয়টি ব্যাপক গুরুত্ব পায়। পর পর কয়েকটি জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের, আরও স্পষ্ট করে বললে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসব সম্মেলনে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুরধার যুক্তি উত্থাপন ও যোগ্য নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনগুলোতে উন্নত দেশগুলো, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ পরিবেশের সুরক্ষায় তহবিল গঠনে সম্মত হয়। একই সাথে সিদ্ধান্ত হয়, এই তহবিলের বড় অংশই ব্যয় হবে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে।
বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে। একই সাথে এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় আবারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। চলতি বছর ‘পলিসি লিডারশিপ’ ক্যাটাগরিতে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক এই সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য শেখ হাসিনার নাম ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে গত রোববার নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগদান উপলক্ষে এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) জানায়, প্রতিবেশগতভাবে ‘নাজুক অবস্থায় থাকা’ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সামগ্রিক পদক্ষেপের স্বীকৃতি’ হচ্ছে এই পুরস্কার। উল্লেখ্য, পরিবেশ নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সাল থেকে প্রতিবছর চারটি ক্যাটাগরিতে ‘চ্যাম্পিয়নস অব দি আর্থ’ পুরস্কার দিয়ে আসছে ইউএনইপি। চলতি বছর শেখ হাসিনা ছাড়াও ‘ইন্সপিরেশন অ্যান্ড অ্যাকশন’ ক্যাটাগরিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বন্যপ্রাণী রক্ষাকর্মীদের দল ব্ল্যাক মামবা এপিইউ, ‘সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি, ‘এন্টারপ্রেনারিয়াল ভিশন’ ক্যাটাগরিতে ব্রাজিলের প্রসাধনী প্রস্তুতকারক কোম্পানি নেটুরা এই পুরস্কার পেয়েছেন।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা স্বীকৃত আমাদের জন্য আনন্দের। আমাদের জানা আছে, গ্লোবাল ভিলেজ কনসেপ্টের জন্য পুরো পৃথিবী এখন প্রায় এক ছাতার নিচে অবস্থান করছে। বিশেষ করে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও পরিবেশ ইস্যুতে এখন প্রায় সারাবিশ্ব এক সুতোয় গাঁথা। অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্বের সব দেশ কম-বেশি এক সুতোয় গাঁথা আগে থেকেই। গত প্রায় দুই যুগে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও পরিবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্র বা এর প্রধানমন্ত্রীর এরকম একটি অর্জন আমাদেরকে সামনে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা যোগায়।
নিজের বা সরকারের কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুরস্কারপ্রাপ্তি নতুন কিছু নয়। এর আগেও তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (এমডিজি) অংশ হিসেবে শিশুমৃত্যু হার কমানোয় সাফল্যের জন্য জাতিসংঘের পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৯৯ সালে ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (এফএও) কর্তৃক ‘সেরেস পদক’ লাভ করেন তিনি। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালে ‘ফেলিক্স হুফে বইনি’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। আমাদের মহান শহীদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে আজ সারা বিশ্বে যে উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হচ্ছে তার পেছনেও শেখ হাসিনার অবদান উল্লেখ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি, জাপানের ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের একাধিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব ল’জ উপাধি প্রদান করেছে। ২০০৫ সালে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির স্বপক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া। এরকম অসংখ্য অর্জন রয়েছে শেখ হাসিনার, যা আমাদেরকে গৌরবান্বিত করে।
শেখ হাসিনার মতো একজন নেতা বা প্রধানমন্ত্রীর এই অর্জন পুরো বাংলাদেশকেই সম্মানিত করে। এই বিশ্বাস দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহলে সাধুবাদ পেলে তা আরো বেশি আনন্দদায়ক হতো। একটি দেশের সরকার প্রধান যখন কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান তখন সেটি পুরো দেশের। সে কারণে সেই অর্জনের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিলে পুরো দেশই উপকৃত হয়। আন্তর্জাতিক মহলও আমাদের রাজনৈতিক ঐক্যে আপ্লুত হতে পারে। কিন্তু দুঃখজনক যে, আমাদের এ ধরনের অর্জন সবাই ভাগাভাগি করে নেয়ার সংস্কৃতি এখনো গড়ে ওঠেনি। কিন্তু শেখ হাসিনা তার অর্জনকে জনগণের জন্য বরাবরই উত্সর্গ করে প্রমাণ করেন তার জীবনে দেশের জনগণের অবস্থান কোন পর্যায়ে। জনগণের প্রতি তার এই মমত্বকে আমরা যদি সর্বাত্মকভাবে সাধুবাদ জানাতে পারতাম তাহলে দেশের জন্য নিবেদিত প্রধানমন্ত্রী যেমন উত্সাহ পেতেন তেমনি তার কাজের গতিও বাড়তো।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও পদক্ষেপের কোনো অভাব নেই। বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতকরণে তিনি যেমন দেশের অভ্যন্তরে নানা ভূমিকা রাখছেন তেমনি জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করতে সবসময় সক্রিয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন গত সরকারের আমলে দেশে জলবায়ু ট্রাস্ট গঠিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বে জলবায়ু বিষয়ক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃত্বদান শেখ হাসিনার বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়।
পরিবেশ রক্ষায়ও শেখ হাসিনার পদক্ষেপের কথা সর্বজনবিদিত। সরকারে থাকুন আর না থাকুন, বৃক্ষ রোপণে শেখ হাসিনার যে উত্সাহ এবং বৃক্ষ নিধন রোধে যে পদক্ষেপ তা আশাব্যঞ্জক। প্রতিটি নাগরিকের বাড়ি ও আশ-পাশে একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষ রোপণের যে আন্দোলন আজ দৃশ্যমান তার শুরুটা কিন্তু শেখ হাসিনাই করেছেন। বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ সপ্তাহে গাছের প্রতি মানুষের যে মমত্ব দেখা যায়, তার জন্যও প্রশংসার দাবি রাখেন শেখ হাসিনা। শুধু কি বৃক্ষ বা গাছ, আজ দেশে খাল-বিল, নদী-নালা, জলাধার সংরক্ষণে যে আন্দোলন চলছে তা এগিয়ে নেয়ার জন্য কম বেশি কৃতিত্ব কিন্তু শেখ হাসিনার রয়েছে। বুড়িগঙ্গা নদীর পানি আজ যতটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে তার জন্যও শেখ হাসিনাকে সাধুবাদ দিতে হয়। দেশব্যাপী নদী বা খাল উদ্ধারে বা জলাধার নিশ্চিতকরণে শেখ হাসিনাই সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কঠোর নির্দেশ দিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছেন।
শেখ হাসিনার এ পুরস্কার প্রাপ্তির পরে ইউএনইপির নির্বাহী পরিচালক অচিম স্টেইনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বলে জানা যায়। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনমূলক নীতিগত পদক্ষেপ এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ তার উন্নয়নের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচির অগ্রগামী বাস্তবায়নকারী এবং অভিযোজন নীতির পক্ষের বলিষ্ঠ প্রবক্তা হিসেবে শেখ হাসিনা অন্যদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।’ আর বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিনস বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ প্রবণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন করতে পেরেছে।
বাংলাদেশ সম্পর্কে বা জলবায়ু বিষয়ে শেখ হাসিনার পুরস্কার প্রাপ্তিতে ভিনদেশিরা যে প্রশংসা বা মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের সবারই সম্পৃক্ত হওয়া উচিত ছিল। আমরা কি এই অর্জনকে অভিনন্দন জানিয়ে এক ভিন্ন আবহ সৃষ্টি করতে পারি না? তবে শেখ হাসিনার এই প্রাপ্তিতে উত্সাহিত হয়ে অবলীলায় বলা যায় ‘জয়তু শেখ হাসিনা’। প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৫



আজ বৃহঃস্পতিবার, ২রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ইংরেজি ১৭ই সেপ্টেম্বর। গত কয়েকদিন বেশ কয়েকজন ব্লগার সামুর ভালো মন্দ নিয়ে লিখেছেন। তাদের মুল বক্তব্য হলো- সামু গেলো। সামু শেষ। তারা সামুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরাব পিনে দে.....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১



মির্জা গালিব সম্পর্কে একটি গল্প চালু আছে। একদিন তিনি মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লিরা তাকে বাধা দিয়ে বললেন "মসজিদ আল্লাহর ঘর, মদ্যপানের জায়গা নয়।" তখন মির্জা গালিব তাঁর বিখ্যাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৩ কফি শপ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:০৬

আলোর-ছায়ার দোলাচলে এক কাপ কফি পান করার সুযোগ কি পাওয়া যেতে পারে?



ছবি ব্লগ - ২ টরন্টোর আকাশ
ছবি ব্লগ - ১ মেঘলা আকাশ
...বাকিটুকু পড়ুন

×