কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া কোনো রাসায়নিক ক্রিয়ায় তনুর মৃত্যু হয়নি। গতকাল সোমবার বিকেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান কামদা প্রসাদ সাহা সাংবাদিকদের প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সম্পর্কে জানিয়ে এসব কথা বলেন।
সেনানিবাস এলাকার বাইরে হ্ত্যা স্থানের নিকটবর্তি আবাসিক এলাকা আছে। ঐ স্থানের কাটা তারেত্র বেড়া নির্মাণাধীন থাকায় এলাকাটি অরক্ষিত ও অবাধে যাতায়তের সুযোগ রয়েছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর হত্যা মামলা তদন্তে ঢাকা ও কুমিল্লার সিআইডির একটি দল শনিবার ফের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ...খুনীরা ঐ এলাকারই। আশেপাশেই তাদের অবস্থান। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ি খুনীরা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।
৩০ মার্চ, ২০১৬ কালের কণ্ঠ পত্রিকা "তদন্ত নিয়ে র্যাব-পুলিশ টানাটানি!" - রিপোর্টে লিখেছে
"গতকাল সকালে ঢাকা থেকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি টিম কুমিল্লা সেনানিবাসের পাহাড় হাউস এলাকায় এসে পৌঁছে। এই পাহাড় হাউস এলাকার একটি কালভার্টের পাশে ঝোপের মধ্যে তনুর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। র্যাবের দলটি সেই স্থানটির প্রায় ছয় ফুট মাটি ও ঘাস কেটে নিয়ে যায়।"
তনুর লাশ যেখানে পাওয়া গেছে সেই জায়গার ছয় ফুট মাটি ও ঘাস কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে।
ইমরান এইচ সরকার, প্রথম আলো, ডয়েচে ভেলে, বিবিসি, বাংলা ট্রিবিউন সহ সহ আরও কিছু মিডিয়া উঠে পরে লেগেছে তনুকে ধর্ষিতা প্রমানের জন্য।
মুতদারকে এভাবে মিথ্যা অপমান কি ধর্ষণের নামান্তর নয়?
তাহলে ধর্ষণকারি তালিকায় থাকছে, ইমরান এইচ সরকার, প্রথম আলোর টিপু সুলতান, বিবিসি'র কাদির কল্লোল, ডয়েচে ভেলে ও বাংলা ট্রিবিউন এর হারুনুর রশিদ সহ, যারা মৃত তনুর নামে গিবত করেছে সকলেই ধর্ষক।
যারা মুতদারের অমর্যাদা করেছে... তারা নরাধম মিথ্যাবাদী। আল্লাহ্র গজব তাদের উপর পরুক।
মনে রাখবেন মুনাফেকের মুনাফেকি আল্লাহ্ প্রকাশ করে দেবেনই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


