somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বই উৎসব এবং বাংলাদেশ

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশের উপজেলা পর্যন্ত ৮০ ভাগ বিনামূল্যের নতুন পাঠ্যবই ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই শতভাগ পাঠ্যবই সারাদেশের স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এবার প্রথমবারের মতো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতেও বিনামূল্যের বই তুলে দেবে সরকার। এছাড়া প্রথমবারের মতো পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের নিজ মাতৃভাষায় বই দেয়া হচ্ছে। প্রথমবারের মতো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ওরাও ও গারো জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য তাদের মাতৃভাষায় প্রস্তুত হয়েছে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যবই ও শিক্ষা উপকরণ।
রবিবার রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় পাঠ্যবইয়ের ছাপাখানা পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এবারও বছরের প্রথম দিন দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করবে সরকার। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা, সদস্য অধ্যাপক ড. মিয়া ইনামুল হক সিদ্দিকী প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এবার ব্রেইল বই দেব। ইতোমধ্যে ওই বই ছাপানো হয়েছে। তবে সকল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এই বই পাবেন সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। কারণ (দৃষ্টিপ্রতিন্ধীদের) তথ্যটা পেতেই আমাদের বিরাট সমস্যা, আমরা জরিপ করছি। এবার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জন্য পাঁচটি ভাষায় প্রাক-প্রাথমিকের বই ছাপানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠীর সকল ভাষায় লিপি নেই, সাহিত্য নেই, লেখা নেই। যেটা আছে আমরা চাই সেটাতেই তারা শিখুক। মায়ের কোল থেকে নেমেই সে প্রথমে স্কুলে যায়, বাংলা ভাষায় কথা সে বুঝতে পারে না। ঠিক সময়ে তাদের হাতে এসব বই পৌঁছে দেব। আমরা প্রাথমিক স্তরে সেই ধরনের শিক্ষকও তৈরি করতে চাই। পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী বিনামূল্যের পাঠ্যবই তৈরি হয় এমন তিনটি ছাপাখানা পরিদর্শন করেন। ছাপাখানাগুলো হল আনন্দ প্রিন্টার্স, ব্রাইট প্রিন্টার্স এবং মৌসুমী প্রিন্টার্স। এ সময় মন্ত্রী ছাপাখানায় প্রিন্ট হওয়া বইয়ের কাগজের মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বইয়ে ব্যবহৃত কাগজগুলো টেস্ট করে প্রেসে এনে রাখা হয়েছে। এর বাইরে কোন কাগজ ব্যবহার করতে যেন না পারে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে ছোট ছোট প্রেসে বই ছাপা হতে। বর্তমানে বিপুল পরিমাণ বই ছাপার কারণে বড় ধরনের ছাপাখানা গড়ে উঠেছে। ৩ বছর আগেও এত বড় আকারের প্রেস ছিল না। পাঠ্যপুস্তক ছাপাকে কেন্দ্র করে এ শিল্পের বিকাশ হয়েছে। বড় আকারের প্রেস স্থাপন করা হয়েছে। এ শিল্পে প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বর্তমানে উন্নতমানের অটোমেটিক মেশিনে ছাপা ও বাঁধাইয়ের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।
সারাদেশে পাঠ্যবই বিতরণ কাজের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব বই পৌঁছে যাবে। গতবারের চেয়ে এবার প্রায় তিন কোটি বই বেশি দেয়া হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে প্রতিবছরই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঝরে পড়া কমছে। যার ফলে প্রতিবছরই বইয়ের সংখ্যা বাড়ছে। গতবছর বই বিতরণ করা হয়েছিল ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২টি। এবার বিতরণ করা হবে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫টি বই। বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে চুক্তি থাকায় প্রাথমিক স্তরের বইয়ের তিনটি কাজ বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। বাকি সব বই দেশী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই তৈরি করা হচ্ছে।
এদিকে পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫ বছর পর এবার দেশের আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের পথ উন্মুক্ত হতে চলেছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই মাতৃভাষায় পাঠ্যবই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে দেশের পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা। প্রথমবারের মতো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ওরাও ও গারো জগগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য তাদের মাতৃভাষায় প্রস্তুত হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যবই ও শিক্ষা উপকরণ। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক স্তরে অন্যান্য আদিবাসী শিশুরাও মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
ইতোমধ্যেই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নতুন পাঠ্যবই প্রণয়নের কাজ প্রায় শতভাগ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনসটিবির কর্মকর্তারা। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষার পাঠ্যবই প্রণয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। আগামী বছর প্রথম দিন থেকেই মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে দেশের পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা। প্রথমবারের মতো তাই চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাদ্রি ও গারো ভাষায় প্রস্তুত হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্য বই।
জানা গেছে, পার্বত্য শান্তিচুক্তিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভের অধিকার থাকলেও গত দুই দশক তা ছিল স্বপ্ন। সংবিধানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মাতৃভাষায় শিক্ষা লাখের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি জাতিসংঘেও স্বীকৃত। তারপরও এতদিন দেশের আদিবাসীদের জন্য ছিল এটি কেবলই স্বপ্ন। তবে সে স্বপ্ন পূরণেই এবার এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এনসিটিবি জানিয়েছে, চার বছর আগে প্রাথমিক স্তরে পাঁচটি নৃগোষ্ঠীর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের জন্য মাতৃভাষাভিত্তিক বহুভাষী শিক্ষা (এমএলই) বিষয়ক জাতীয় কমিটিও গঠন করেছিল সরকার। পুস্তক ছাপানোর প্রস্তুতির নানা ধাপ ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখন তা ছাপা হচ্ছে।
বিষয়টির প্রতি সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এনসিটিবির সদস্য (টেক্সট) অধ্যাপক ড. মিয়া ইনামুল হক সিদ্দিকী। তিনি বলছিলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে দেশের পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের হাতে মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই পৌঁছে দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে মোট ২৪ হাজার ৬৪৬ জন শিশুর জন্য বই ও শিক্ষা উপকরণ ছাপানো হচ্ছে। এ বিশেষজ্ঞ জানান, আমাদের পবিত্র সংবিধানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের অধিকারের কথা সুষ্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। বিষয়টি জাতিসংঘেও স্বীকৃত। তারপরও এতদিন দেশের আদিবাসীদের জন্য ছিল এটি কেবলই স্বপ্ন। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের হাতে দ্রুত মাতৃভাষায় পাঠ্যবই তুলে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাগাদা দিয়েছেন। নজর রাখছেন সব সময়। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের কারণেই আমরা আজ এ কাজটি করতে পারছি। অন্যথায় এ কাজ সফল করা সম্ভব হতো না বলে জানান এনসিটিবির এই সদস্য।
বইগুলো লেখা, সম্পাদনা, চিত্রায়ন প্রভৃতি কাজ শেষ হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতির চিত্রায়নসহ আনুষঙ্গিক বিষয় দিয়ে বইগুলো সাজানো হয়েছে। যে পাঁচটি জনগোষ্ঠীর ভাষায় বই ছাপানো হচ্ছে সেগুলো হলো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও ওরাও। অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী জানান, পাঁচটি ভাষায় বই হচ্ছে। চাকমাদের বই তাদের নিজস্ব বর্ণমালায় ছাপা হচ্ছে। গারোদের আচিক ভাষা হলেও তাদের বর্ণমালা নেই। তারা মূলত রোমান বর্ণমালায় তা পড়ে থাকে। তাই তাদের বই হবে রোমান বর্ণমালায়। মারমাদের বই মামরা ভাষায় হলোও তাদের যেহেতু নিজস্ব বর্ণমালা নেই তাই বই হবে বাংলা বর্ণমালায়। ত্রিপরাদের ভাষা ককবরক। তবে তাদের বইও হবে বাংলা বর্ণমালায়। ওরাও জনগোষ্ঠীর ভাষা সাদ্রি। তাদের বইও হবে বাংলা বর্ণমালায়।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বইয়ের হরফ সম্পর্কে নানান মত আসায় এ বছর তাদের জন্য বই ছাপানো সম্ভব হচ্ছে না। সাঁওতালদেরও প্রতিনিধিরা কেউ বাংলা এবং কেউ রোমান লিপিতে বই লেখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পরবর্তী বছর থেকে তাদের বই নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীও পাবে নিজস্ব ভাষায় বই। জানা গেছে, ২০১৮ সালে দেয়া হবে আদিবাসী শিশুদের প্রথম শ্রেণীর পাঠ্যবই। এর পরের বছর ২০১৯ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরও মাতৃভাষায় বই দেয়া হবে।
কিন্তু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুরা কোন শ্রেণী পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ পাবে? এনসিটিবির সদস্য ড. রতন সিদ্দিকী বলেন, সাধারণভাবে বলা যায় প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত তারা এ সুযোগ পাবে। তবে দ্বিতীয় শ্রেণীর পর তৃতীয় শ্রেণী থেকে তাদের মাতৃভাষার পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজী প্রভৃতি বই পড়তে হবে। তৃতীয় শ্রেণী থেকে এই দুইয়ের মধ্যে ‘ব্রিজিং’ শুরু হবে। এরপর ক্রমান্বয়ে তারা পুরোপুরি জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত হবে। শিক্ষানীতির ভাষায় এটা হচ্ছে ‘ব্রিজিং’। কোন শিশুকে ভবিষ্যত শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা দেয়া জরুরী। এরপর সে ধীরে ধীরে মাতৃভাষার সঙ্গে অন্য ভাষায় (বাংলাদেশের জন্য বাংলা) শিক্ষা নেবে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সময় সাত বছর। এ সময়টাকে বলে ‘ব্রিজিং পিরিয়ড’। জাতীয় শিক্ষানীতিতেও শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:১২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×