somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেখ হাসিনার ঘরে ফেরা

১৮ ই মে, ২০১৭ সকাল ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা আপনি বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। এটি ছিল আপনার পুনর্জন্ম। আপনার পুনর্জন্মের পর বাংলাদেশ পুনরায় বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল। পঁয়ত্রিশ বছর পূর্বের সেই দিনটি এখনকার মতো ছিল না। সেদিনকার বাতাস ছিল কান্নার বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক ঝড়ের এক অপরাহ্ন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকা- বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করেছিল। আপনার পদস্পর্শে সেই জল্ল¬াদের দেশ পুনরায় সোনার বাংলা হয়ে ওঠার প্রত্যাশায় মুখরিত হয়েছিল। আজ তার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি। আপনার প্রত্যাবর্তন ছিল অতি সাধারণ, কারণ সেভাবেই আপনি দেশের জনগণের সামনে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। আপনি এক বৃহৎ শূন্যতার মধ্যে এসে দাঁড়ালেন। এখানে ঘরের আপনজন কেউ নেই। তাই সারাদেশের মানুষ আপনার আপন হয়ে উঠল। আপনি এখানে আসার আগে প্রায় পাঁচ বছর মানুষকে স্বৈরশাসকরা বোঝাতে চেয়েছিল তারাই জনগণের মুক্তিদাতা। কিন্তু সাধারণ মানুষ ক্ষণে ক্ষণে জেগে উঠছিল, বিচার দাবি করছিল জাতির পিতার হত্যাকান্ডের। এমনকি বিভিন্ন বাহিনীর অন্তর্কোন্দলও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল। তারই এক অনিবার্য পরিণতি আমরা দেখলাম জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে। জিয়ারই উত্তরসূরি আরেক সেনাপ্রধানের হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত হলে জনগণের দাবি নিয়ে রাজনীতির মাঠে রাতদিনের এক অক্লান্ত কর্মী হয়ে উঠলেন আপনি। আপনি নেত্রী কিন্তু তারও বেশি আপনি কর্মী। কারণ দলকে ঐক্যবদ্ধ করা, বঙ্গবন্ধু ও তার শাসনকাল সম্পর্কে অপপ্রচারের সমুচিত জবাব দেওয়া, পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা আপনার প্রাত্যহিক কর্মে পরিণত হলো। দেশে ফেরার প্রতিক্রিয়ায় আবেগসিক্ত কথন আছে আপনার নিজের লেখা গ্রন্থগুলোতে। তুলে ধরছি একটি উদ্ধৃতি : আমার দুর্ভাগ্য, সব হারিয়ে আমি বাংলাদেশে ফিরেছিলাম। লক্ষ মানুষের স্নেহ-আশীর্বাদে আমি সিক্ত হই প্রতিনিয়ত। কিন্তু যাদের রেখে গিয়েছিলাম দেশ ছাড়ার সময়, আমার সেই অতি পরিচিত মুখগুলো আর দেখতে পাই না। হারানোর এক অসহ্য বেদনার ভার নিয়ে আমাকে দেশে ফিরতে হয়েছিল।…(ড. আবদুল মতিন চৌধুরী: আমার স্মৃতিতে ভাস্বর যে নাম, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, পৃ. ৭৪)
২. এদেশে আপনার পুনর্জন্মের দিন থেকেই রাজনীতির মঞ্চে দ্রুত দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু ও জয় বাংলা নিষিদ্ধ ছিল। সেদিন সেই প্রকম্পিত হয়ে উঠল আকাশে-বাতাসে; রাজপথ জনগণের দখলে চলে গেল। স্বৈরশাসক জিয়া এতদিন আপনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু প্রত্যাবর্তনের পূর্বে সেই বছরই আপনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং জিয়ার অভিসন্ধি ভেস্তে যায়। সেদিনের ঢাকায় লক্ষ মানুষের বাঁধভাঙা স্রোত আপনাকে কেন্দ্র করে সমবেত হয়েছিল। তাদের কণ্ঠে ছিল বিচিত্র ধ্বনি ও প্রতিধ্বনি। শেখ হাসিনা তোমায় কথা দিলাম, মুজিব হত্যার বদলা নেব, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনার আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম। আরও ছিল শেখ হাসিনা আসছে, জিয়ার গদি কাঁপছে, গদি ধরে দিব টান জিয়া হবে খান খান। অনেক অশ্রুসিক্ত বৃদ্ধের কণ্ঠে ছিল মাগো তোমায় কথা দিলাম, মুজিব হত্যার বদলা নেব। সেদিনের প্রত্যয় আপনি ও আপনার সরকারই সত্য করে তুলেছেন। কয়েকজন খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বাকিদের শীঘ্রই হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। ৩. দুঃখী রাজকন্যার মতো হৃত রাজ্য, হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য আপনার জন্ম ও পুনর্জন্মের খুব বেশি প্রয়োজন ছিল দেশ ও জনতার। পূর্বেই বলেছি আপনার পুনর্জন্মের আগে নৈরাজ্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছিল মানুষ।
পাকিস্তানি শাসক, দালাল-রাজাকার ও আন্তর্জাতিকভাবে কয়েকটি দেশের বাধা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এবং আপামর জনগণের অংশগ্রহণে ৯ মাসের মুক্তিসংগ্রামে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা ও রক্ষা করার প্রচেষ্টা সফল হতে দেয়নি খুনিরা। ফলে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী সামরিক শাসকদের অভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে। দেশ অন্ধকারে নিক্ষিপ্ত হয়। দেশের প্রতিকূল এক সময়ে আপনাকে আমরা রাজনীতির মঞ্চে পেলাম। আপনি দায়িত্ব নিলেন এবং লাখো জনতার সমাবেশে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন, আজকের জনসভায় লাখো লাখো চেনামুখ আমি দেখছি। শুধু নেই আমার প্রিয় পিতা বঙ্গবন্ধু, মা আর ভাইয়েরা এবং আরও অনেক প্রিয়জন। ভাই রাসেল আর কোনোদিন ফিরে আসবে না, আপা বলে ডাকবে না। সব হারিয়ে আজ আপনারাই আমার আপনজন। …বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তি সংগ্রামে অংশ নেওয়ার জন্য আমি এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও বিচিত্র প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আপনি জনগণের পাশেই আছেন বলে আমরা মনে করি। ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০৭ সালের সামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল পর্যন্ত একাধিকবার বন্দী অবস্থায় নিঃসঙ্গ মুহূর্ত কাটাতে হয়েছে আপনাকে। আপনি লিখেছেন : দেশ ও জনগণের জন্য কিছু মানুষকে আত্মত্যাগ করতেই হয়, এ শিক্ষা-দীক্ষা তো আমার রক্তে প্রবাহিত। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর প্রবাসে থাকা অবস্থায় আমার জীবনের অনিশ্চয়তা ভরা সময়গুলোয় আমি তো দেশের কথা ভুলে থাকতে পারিনি? ঘাতকদের ভাষণ, সহযোগিদের কুকীর্তি সবই তো জানা যেত। (নূর হোসেন, ওরা টোকাই কেন, পৃ. ৫৩)
৪. ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশ ও জনগণের কাছে প্রত্যাবর্তনের (জন্মান্তরের) মতো আপনার দ্বিতীয় প্রত্যাবর্তনও (তৃতীয় জন্ম) ছিল আমাদের জন্য মঙ্গলকর। ২০০৭ সালে ১১ জানুয়ারির পর আপনার দেশে ফেরার ওপর বিধিনিষেধ জারি করে সামরিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আপনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়। আপনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু ১৬ জুলাই যৌথবাহিনী আপনাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে ৩৩১ দিন কারাগারে বন্দী করে রাখে। সে সময় গণমানুষ আপনাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করেছে। আপনার কারা-ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উদ্বেগ, গ্রেফতারের সংবাদ শুনে দেশের বিভিন্ন স্থানে চারজনের মৃত্যুবরণ, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের উৎকণ্ঠা আপনাকেও স্পর্শ করেছিল নিশ্চয়। কারণ সে সময় আদালতের উঠোনে আপনি ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা; দেশ ও মানুষের জন্য উৎকণ্ঠিত; বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে সত্যকথা উচ্চারণে বড় বেশি সপ্রতিভ।
৫. আমাদের প্রজন্ম আপনাকে স্মরণ করছে কেন? বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় আমরা যারা রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠি তারা আপনাকে গণ-আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখেছি, মানুষের দুঃখ-বেদনায় কাতর হতেও দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধকালীন কিংবা তার আগের বছরে যাদের জন্ম এদেরই মতো আমিও একজন যখন কেবল এভাবে দেখে এবং গ্রন্থ পাঠ করে ও রাজনৈতিক খবর শুনে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু এবং আপনার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠি তখন আমাদের প্রজন্মের অন্যেরাও যে আপনাকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য তরুণ প্রজন্মের জন্য আপনার দিক-নির্দেশনা বড় বেশি প্রয়োজন। কারণ বর্তমান প্রজন্ম থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু ও আপনার আদর্শ অনুসরণ করে যাবে; সৃষ্টি হবে বিশ্বসভার যোগ্য বাংলাদেশ। আপনার সাফল্য দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পাবে। আপনি সেই ব্যক্তি যিনি নিমতলির আগুনের মধ্যে থেকে উঠে আসা অসহায় মানুষের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠেছেন। কিংবা ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে গিয়ে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের চেহারা দেখে কেঁদে ফেলেছেন। ২০০৯ সালে কতিপয় কুখ্যাত বিডিআর কর্তৃক সেনা অফিসার হত্যাযজ্ঞ পরবর্তী পরিস্থিতি সামলেছেন। মা রমিজার কন্যা হয়ে ছুটে গিয়েছেন অজপাড়া গাঁয়ে। মুক্তিযোদ্ধা রমা চৌধুরীকে কাছে টেনেছেন, রানা প্লাজার দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আপনার অবদান এই ছোট পরিসরে বলে শেষ করা যাবে না। আপনি এদেশে সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে জন্মেছিলেন। কিন্তু দুঃখী রাজকন্যার মতো প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই (সে রকম ফিরে আসা আমাদের প্রত্যাশিত ছিল না) আজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষানীতি, নারীনীতি, ফতোয়া প্রদানে বিধিবিধান দিয়েছেন। আপনার আমলেই আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে ছিল ১১৯০ ডলার; তা এখন বেড়ে হয়েছে ১৩১৪ ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭%। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আইনের শাসন ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৫ পরবর্তী যারা সংবিধানকে কলুষিত করেছিল তাদের চপেটাঘাত করেছেন ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে গিয়ে; ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেও। মাটি ও মানুষের টানে ঘরে ফেরা আমাদের প্রিয় মুখ শেখ হাসিনা আপনার আগামী দিনগুলো শুভ হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০১৭ সকাল ১১:০৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

থাক অহমিকায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


তোমার রঙিন আকাশে নেই
যে অমাবস্যার- অন্ধকার
ঝলমল করছে শুধু চাঁদ-
ডুবছ ডুবছ সুখমারী রাত!
উড়ছ শঙ্খচিলের ডানায়;
তোমার আকাশে অমাবস্যা নাই।

আমি মাটি বন্দি হয়েছি
মরার আগেই- মরার আগেই-
স্বপ্ন দেখি শুধু হুতুম পেঁচা হব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০



বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন[

শেখ মুজিব ইতিহাসের খলনায়ক।
জাতীয় বেইমান।
পাকিস্তান ভাঙার অপরাধী।
- এই কথাগুলো আপনি বিশ্বাস করেন?
তাহলে আজ আপনাকে একটা অনুরোধ করব- একবার শুধু থামুন।

রাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৫

ফারাজা তাবাসসুম খান-
অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না। খুব ব্যস্ত আছি। আমার সব সময় নিয়ে নিচ্ছে অফিস। আমি অফিস থেকে তোমাকে ফোন করলে তুমি কথা বলতে চাও না। আবার আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Mystic River – জোয়ারে ফিরে আসে সবকিছু

লিখেছেন রাজসোহান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩১



১৯৭৫ সালের বোস্টন। শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ পাড়া। রাস্তায় হকি খেলছিল তিনটে বাচ্চা ছেলে। হঠাৎ বল গড়িয়ে পড়ল ড্রেনে। খেলা ওখানেই শেষ। ফুটপাতের একপাশে তখন সদ্য ঢালা ভেজা সিমেন্ট। ছেলেগুলো কাঠি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×