somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুদূরপ্রসারী নীলনকশা

১০ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমারের অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে। ২ অক্টোবর ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী’র সঙ্গে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর দপ্তরের মন্ত্রী চ টিন্ট সোয়ে’র সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই দিনে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার নির্বাহী কমিটির সঙ্গে অপর এক বৈঠকে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়েও শরণার্থী ফেরানোর কথা বলেন। এর আগেও ১৯৭৮ এবং ১৯৯২ সালে পারস্পরিক সমঝোতা’র মাধ্যমে দুইবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শরণার্থী প্রত্যাবাসিত হয়েছিল। ২০০৫ সালের পর এ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। এবারেও মিয়ানমার ২০১৬ সালের আগে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে টালবাহানা শুরু করে। গত ২২ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক গণআদালত মিয়ানমারে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত নিধনের জন্য স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি এবং সেনাবাহিনীকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। বিশ্বজুড়ে দাবি উঠেছে শান্তির জন্য প্রাপ্ত সু চি’র নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের। ইতোমধ্যেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে সু চি’র প্রতিকৃতি। সর্বত্রই রয়েছে বিক্ষোভ।
২৫ আগস্ট নতুন করে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর ২৪ দিন পর অব্যাহত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ১৯ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিতে বাধ্য হন শান্তিতে নোবেল জয়ী দেশটির বর্তমান কর্ণধার অং সান সু চি। তাঁর এই ভাষণ থেকে উদ্ভূত সংকটের স্থায়ী সমাধানের দিক-নির্দেশনা প্রাপ্তির প্রবল প্রত্যাশা ছিলো মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর জাতিগত নিধনযজ্ঞে উদ্বিগ্ন, মর্মাহত ও সোচ্চার হয়ে ওঠা বিশ্ববাসীর। সু চি তাঁর বক্তৃতায় রাখাইন মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আইন বর্হিভূত কাজের নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তিনি সংঘাত নিরসনের জন্যে আনান কমিশনের প্রস্তাবিত সুপারিশ মেনে নিতেও সম্মত হন।
আপাত দৃষ্টিতে সু চি’র ভাষণকে ইতিবাচক বলেই মনে হয়। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে এর অসারতা সহজেই ধরা পড়ে। মিয়ানমারের উগ্রজনগোষ্ঠী এবং স্বৈরাচারী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে তিনি যখন রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাখাইনে বসবাসরত মুসলিমদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়ার ফিরিস্তি দেন- তখন আসল সত্য উদ্ঘাটনে গবেষণার প্রয়োজন পড়ে না। আরও লক্ষণীয়, সু চি তাঁর ভাষণে রাখাইনে সংঘাতের কারণে দুর্দশাগ্রস্ত ‘সকল মানুষের’ প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। কিন্তু তিনি তাঁর বক্তব্যে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেন নি। উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করে না। ‘বাঙালি মুসলিম’ হিসেবেই তাদের পরিচয় তুলে ধরে। সু চি তারই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছেন।
আমরা ইতোমধ্যেই অবগত হয়েছি যে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের কোনো নাগরিকত্ব নেই। মৌলিক অধিকার সেখানে ভূ-লুণ্ঠিত। রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের জনগণ শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত। তাদের জন্মের কোনো নিবন্ধন হয় না। জমির মালিকানার কোনো দলিল-দস্তাবেজ নেই। এমনকি বিবাহ রেজিস্ট্রি করাও আইনসিদ্ধ নয়। তার মানে প্রায় ছয় শত বছর ধরে মিয়ানমারে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী দেশটির কোনো অংশই নয়। কার্যত তারা অবৈধ বসবাসকারী। তারা বহিরাগত বাঙালি মুসলিম। সু চি তাঁর ভাষণে শরণার্থী হিসেবে যারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের পরিচিতি যাচাই-বাছাইপূর্বক যে কোনো সময়ে সে দেশে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত বলে উল্লেখ্য, করেন। প্রশ্ন হলো, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিচিতি সনাক্তকরণের সূচক কী? বিশেষ করে যেখানে তাদের অধিবাসী হিসেবেই গণ্য করা হয় না। ২ অক্টোবরের বৈঠকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে শরণার্থীরা নিজের গ্রামের কথা বলতে পারাটাই সেদেশের অধিবাসী হিসেবে বিবেচিত হবে। যদিও তাদের গ্রামের এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই।
আশা করা হয়েছিলো সু চি’র ভাষণের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর জ্বালাও-পোড়াও-সংঘাত-সহিংসতা-নির্যাতন বন্ধ হবে। বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন। এখনও প্রাণরক্ষায় স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকছেন তারা। তাদের ভাষ্যমতে পরিস্থিতি পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। এক জরিপে জানা যায়, বর্তমানে মিয়ানমারের জনসংখ্যা প্রায় ০৬ কোটি। এর মধ্যে ৮৯ শতাংশ বৌদ্ধ, ০৫ শতাংশ মুসলিম, ০৪ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ০২ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। সে হিসেবে দেশটি মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। এ জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশেই শরণার্থী। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যাপক সাসকিয়া সাসেন-এর গবেষণা থেকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। সেটি হলো মিয়ানমার সরকার ইতোমধ্যে ৩১ লক্ষ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে যার পুরোটাতেই ছিলো রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাস। অধিগ্রহণকৃত এ ভূমিতে পুরোদমে কর্পোরেট বাণিজ্যের বিশাল বিশাল প্রজেক্ট স্থাপনার কাজ চলছে। এ থেকে যে বার্তাটি আমরা পাই তা হলো অধিগ্রহণকৃত এ জমিতে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন চিন্তা সুদূর পরাহত এক স্বপ্নবিলাস মাত্র। বরং দেশটিতে রোহিঙ্গাশূন্য করতে দমন-পীড়ন প্রক্রিয়া আরও জোরদার হচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হয়।
সঙ্গত কারণেই রোহিঙ্গা জনস্রোত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সংকট সমাধানের পথটি ক্রমশ জটিল ও দীর্ঘসূত্রিতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে যে সব প্রস্তাব পেশ করেন সেগুলো এরকম: অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে মিয়ানমারের সহিংসতা এবং জাতিগত নিধন নিঃশর্তে বন্ধ করতে হবে; জাতিসংঘের মহাসচিবের একটি নিজস্ব অনুসন্ধানী দল সেখানে প্রেরণ করতে হবে; জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে হবে; রাখাইন রাজ্য থেকে যারা বাধ্য হয়ে বিতাড়িত হয়েছেন তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ পুনর্বাসিত করতে হবে; আনান কমিশনের সুপারিশগুলো নিঃশর্তভাবে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। শেখ হাসিনার প্রস্তাবগুলো সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট। কিন্তু এগুলো বাস্তবায়ন করা বাংলাদেশের একার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। এক্ষেত্রে বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতার বিকল্প নেই। সাহায্য-সহযোগিতা-সহমর্মিতার এ প্রক্রিয়াটি যে কোনো প্রকারেই হোক চলমান রাখতে হবে। কূটনীতিক তত্পরতা অব্যাহত থাকলে মাঝখানে কোনো গ্যাপ তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে না।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বায়োমেট্টিক নিবন্ধন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থায় (আইওএম) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর সংযুক্তি বাংলাদেশের জন্য মঙ্গলজনক। ভবিষ্যতে এ নিবন্ধনের বৈধতা নিয়ে তাহলে আর প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে না। পাশাপাশি শরণার্থীদের ওপর সহিংসতা ও নির্যাতনের বেশি বেশি প্রামাণ্য চিত্র তৈরিতে অখণ্ড মনোযোগ দিতে হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধান-সহায়তায় তৈরিকৃত এসব ডকুমেন্টরির মাধ্যমে বিশ্ববিবেককে আরও সোচ্চার করা সহজ হবে। গণমাধ্যমেরও পাওয়া যাবে নিরঙ্কুুশ সমর্থন। ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্তকরণ আরেকটি ইতিবাচক উদ্যোগ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জঙ্গি প্রতিরোধে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলাও সময়ের দাবি। এটি করা গেলে শরণার্থীবেশে আরাকান স্যালভেশন আর্মি সদস্যদের ঢুকে পড়া রোধ সম্ভব হবে। যা জঙ্গি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার বিপক্ষে ঢাল হিসেবে কাজ করবে।
রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা যে সুদূরপ্রসারী নীলনকশার অংশবিশেষ তাতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। আর এর নেপথ্যে রয়েছে পরাশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধন। তবে সংঘাত নয় মানবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হোক রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"..

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"
-একজন গুমের শিকার মানুষের চোখে একটি ভয়াবহ সত্যের দলিল।

“আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ: দ্য আয়নাঘর ফাইলস”- নামটি যতটা আকর্ষণীয়, বইটির ভেতরের সত্য তার চেয়েও বেশি নির্মম, বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!
বিষয়টি আপনি সমাধান করছেন না কেন, পিএম সাহেব? আপনার তো মাত্র একটা ফোন কলই যথেষ্ট—অন্তত ভুক্তভোগীদের এতদিনের অপেক্ষা দেখে সেটাই মনে হয়!
একটা ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

কার জন্য; কেন এতো লেখালেখি

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

লিখে রাখো বৎস'রা ; এ দূর্মুর্খ আর বর্ন ব্লাইন্ড ও বেইমানদের বাংলাদেশ-এ ভালো কিছুই তৈরী হবে না ! লিখে রাখো বৎস'রা !!
যে যে ব্যক্তির মনে বিষাক্ত রাজনীতির বীজ ঢুকেছে;... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের অহংকার ও বুদ্ধিমত্তার ভ্রান্ত ধারণা

লিখেছেন শেরজা তপন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২


উৎসর্গঃ ব্লগার রাজীব নুর( ঈশ্বর বিশ্বাসের কোল ঘেঁষে যাওয়া কোন লেখা এলেই যিনি লেখককে ভীষন সন্দেহের চোখে দেখেন- ভাবেন; কি অদ্ভুত কথা- ইনি দেখি ঈশ্বর বিশ্বাসী!!))
ধর্ম ও বিজ্ঞান: সংঘর্ষ না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঠেলায় নাম বাবাজি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৯


সময়টা সরকারের জন্য মোটেও ভালো যাচ্ছে না। একদিকে গ্যাস আর বিদ্যুতের সংকটে মানুষ প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্ত নেটিজেনদের বাধার মুখে পড়ছে। ফলে সরকার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×